বৃহস্পতিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ | ৫ই আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

Logo
Print

কোটি কোটি টাকার গ্যাস লুটের অভিযোগ বাখরাবাদে

প্রকাশের সময়: ১২:৪৪ অপরাহ্ণ - বৃহস্পতিবার | ডিসেম্বর ১, ২০১৬

22কারেন্টনিউজ ডটকম ডটবিডি:

কুমিল্লার বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লি. থেকে সিএনজি ফিলিং স্টেশনের অনুমোদন নিয়ে বছরের পর বছর ধরে কোটি কোটি টাকা লুটে নিয়েছে মালিকরা। সাম্প্রতিক সময়ে কুমিল্লা অঞ্চলের ১০টি সিএনজি স্টেশনের অবৈধ সংযোগ ও মিটার কারসাজির মাধ্যমে গ্যাস চুরির বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ায় সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার পর বেরিয়ে এসেছে এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য।
মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টায় কুমিল্লার বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বাখরাবাদের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মো: রেজাউল ইসলাম খান এ তথ্য জানান। গত তিন সপ্তাহের অভিযানের সফলতা ও গ্যাস চুরির সাথে জড়িত সিএনজি মালিক ও বাখরাবাদের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার বিষয় তুলে ধরতে ওই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বাখরাবাদ ব্যবস্থাপনা পরিচালক জানান, পৃথক এসব অভিযানে এরই মধ্যে ১০টি সিএনজি স্টেশনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। অবৈধ গ্যাস সংযোগের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে তদন্তসাপে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

কুমিল্লার বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লি. থেকে সিএনজি ফিলিং স্টেশনের অনুমোদন নিয়ে বছরের পর বছর ধরে কোটি কোটি টাকা লুটে নিয়েছে মালিকরা। সাম্প্রতিক সময়ে কুমিল্লা অঞ্চলের ১০টি সিএনজি স্টেশনের অবৈধ সংযোগ ও মিটার কারসাজির মাধ্যমে গ্যাস চুরির বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ায় সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার পর বেরিয়ে এসেছে এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টায় কুমিল্লার বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বাখরাবাদের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মো: রেজাউল ইসলাম খান এ তথ্য জানান।
কোটি কোটি টাকার গ্যাস লুটের অভিযোগ বাখরাবাদে

গ্যাস চুরির অভিযোগে গত ২৬ সেপ্টেম্বর বিশ্ব রোডের ঝাগুর-ঝুলির রাহমা সিএনজি ফিলিং স্টেশন, দেবিদ্বারের কুমিল্লা সিএনজি স্টেশন, ২৭ সেপ্টেম্বর সুয়াগঞ্জ ভূঁইয়া সিএনজি ফিলিং স্টেশন, ৮ অক্টোবর নিমসার সৈয়দপুর-ডুবাইচরের নূর-অ্যান্ড-ব্রাদার্স সিএনজি ফিলিং স্টেশন ও আলেখার চর এলাকার সাবুরিয়া সিএনজি ফিলিং স্টেশন, ৯ অক্টোবর বুড়িচং কালাকচুয়ার সাকুরা সিএনজি ফিলিং স্টেশন, ১০ অক্টোবর মিয়াবাজার হাইওয়ে লিংক সিএনজি ফিলিং স্টেশন ও চান্দিনার আরএনআর সিএনজি ফিলিং স্টেশন এবং সর্বশেষ ৭ অক্টোবর পদুয়ার বাজার রিভার ভিউ সিএনজি ফিলিং স্টেশন এবং ঝাগুর ঝুলির মুক্তি সিএনজি ফিলিং স্টেশনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়।
সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা ১০টি সিএনজি স্টেশন প্রতিদিন যদি ৮০ ভাগ চাপে গ্যাস বিক্রি করে থাকে তাহলে মাসে তারা তিন কোটি টাকার গ্যাস চুরি করেছে। আর যদি ১০০ ভাগ চাপে গ্যাস বিক্রি করে থাকে তাহলে তিন কোটি ৮০ লাখ টাকার গ্যাস চুরি করেছে; যা বছরে ৩৬ কোটি টাকারও বেশি বলেও জানান তিনি। সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইঞ্জিনিয়ারিং সার্ভিস ডিভিশনের মহাব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মো: ইউসুফ আলী, মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) প্রকৌশলী মোল্লা আবদুল ওয়াদুদ, মহাব্যবস্থাপক (অপারেশন) প্রকৌশলী আবুল হাসানাত, মহাব্যবস্থাপক (অর্থ ও হিসাব) প্রকৌশলী নারায়ণ চন্দ্র পাল, উপমহাব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমান ও উপমহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) নাইমুল আলম খান।
উল্লেখ্য, বাখরাবাদ থেকে ৮৮টি সিএনজি পাম্পে গ্যাস সংযোগ দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে কুমিল্লা অফিসের আওতায় ৪৭টি, গৌরীপুর অফিসের আওতায় ছয়টি, দেবিদ্বার অফিসের আওতায় তিনটি, লাকসাম অফিসের আওতায় একটি, চাঁদপুর অফিসের আওতায় পাঁচটি, নোয়াখালী অফিসের আওতায় সাতটি, ফেনী অফিসের আওতায় ১২টি, লক্ষ্মীপুর অফিসের আওতায় দু’টি ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া অফিসের আওতায় পাঁচটি সিএনজি স্টেশনে গ্যাস সংযোগ দেয়া হয়েছে। এগুলোর মধ্যে গত তিন সপ্তাহে ১৬টি স্টেশনে অভিযান চালিয়ে ১০টিতে অবৈধ সংযোগ ও গ্যাস চুরির বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ায় সংযোগ বিচ্ছিন্ন ও মিটার কর্তন করা হয়েছে।

Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com

উপরে