বুধবার, ১৪ নভেম্বর, ২০১৮ | ৩০শে কার্তিক, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

Logo
Print

শেরপুরে সরিষার বাম্পার ফলন

প্রকাশের সময়: ৬:২৭ অপরাহ্ণ - মঙ্গলবার | ডিসেম্বর ২০, ২০১৬

কারেন্টনিউজ ডটকম ডটবিডি:
শেরপুর:  শেরপুর জেলা সহ ঝিনাইগাতী,শ্রীবরদি,নালিতাবাড়ি ও নকলা উপজেলায় সরিষার বাম্পার ফলনের আশংকা করছে সরিষা আবাদের কৃষকরা। ইতি মধ্যে মাঠে মাঠে হলুদের সমারহে সরিষা ফুলের মূহ মূহ গন্ধে কৃষকের মন আকৃষ্ট করছে । উপজেলার ৫/৬বছর আগেও সরিষার ফলন চোখে পড়তো না,এবার,চতল,বনগাঁও,দিঘিরপার,হলদিপাটা,ভারুয়া,ফারাবাদ,কুচনীপারা,ঘাগড়া,বাঘেরভিটা,গুরুচরন দুধনই ও আহাম্মদ নগরের কৃষকরা কম বেশী সরিষার আবাদ করেছে। আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় ফলন ভালো হয়েছে। কৃষি সম্প্রাসারন অধিদপ্তর ঝিনাইগাতী উপজেলায় কৃষকদের পরামর্শ দিয়ে সরিষা ফলনে আগ্রহ করে তুলেছে। গুরু চরন দুধনই এর ব্যবসায়ী কুলু শফিউল আলম  জানাই ,আমি গত বার আবাদ করে কিছু ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছি,এবার ২০০শতাংশ জমিতে সরিষার আবাদ করেছি ফলন খুবই ভালো দেখা যাচ্ছে। গত বারের ক্ষতি থেকে এবার পুষিয়ে নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বর্তমান সরিষার প্রতি মন বাজার মূল্য ভালো থাকায় কৃষকের মুখে হাশি দেখা যাচ্ছে । ধানের আবাদের চেয়ে সরিষার ফলনে অল্প পরিশ্রম,খরচও কম লাগায় কৃষকরা বেশী লাভবান হয় বলে জনায়। সরিষা সবজি খেতেও সুসাধু এর কদরও রয়েছে বাজারে।এক যুগ আগেও ঝিনাইগাতী সদরে,বাঘেরভিটায়ও রামেরকুড়া গ্রামে সরিষা ভেংঙ্গে খাটি সরিষা তৈল বাহির করে বাজার জাত করা হতো । সরিষার সংকট থাকায় সরিষার ভাংঙ্গার মিল গুলো বন্দ হয়ে গেছে,মালিকরা অন্য পেশায় মনোযোগী হয়েছে। সাবেক মিল মালিক রহিম উদ্দিন(কুলু)জানায়,আগে সরিষার ব্যাপক আবাদ হওয়ায় বাপজাদা আমল থেকেই এ ব্যবসা চালিয়ে জিবীকা নির্বাহ করে  আসছিলাম এখন সরিষা অগের মতো আমদানী না থাকায়,এবং দাম বৃদ্বির ফলে ব্যবসা গুটিয়ে অন্য কাজকর্ম,ও কৃষি কাজ করে দিনাপাত করছি। সরিষার আবাদে কৃষকরা পুরোপরি ভাবে ঝুকে পড়লে এর চাহিদাও মিটবে আমরাও বাপজাদার পেশায় আবার ফিরে যেতে পারি। দির্ঘ দিন পর হলেও এবার উপজেলার সর্বত্র কম বেশী সরিষার আবাদ হয়েছে। এর ধারাবাহিকতা ধরে রেখে কৃষকের মাঝে আরও উৎসাহ উদ্দিপনা দিয়ে সরিষা আবাদের প্রতি আগ্রহ করে তুলতে হবে কৃষি সমপ্রাসারন অধিদপ্তরের প্রতি এই প্রত্যাশা কৃষক সমাজের।

গোলাম রব্বানী-টিটু

শেরপুর সংবাদদাতা

উপরে