বুধবার, ২১ নভেম্বর, ২০১৮ | ৭ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

Logo
Print

ডিমের অজানা সব তথ্য

প্রকাশের সময়: ৪:৩৯ অপরাহ্ণ - বৃহস্পতিবার | জানুয়ারি ৫, ২০১৭

কারেন্টডনিউজ ডটকমডটবিডি: সারা বিশ্বে যে খাদ্যটি সবচেয়ে বেশি পরিমাণে খাওয়া হয় সেটি হচ্ছে ডিম। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় বিশেষ করে নাশতায় অনেকেই ডিম খেতে পছন্দ করেন। এছাড়া বিভিন্ন ধরনের নাশতা ও সুস্বাদু খাবারে ডিমের ব্যবহার অনেক। কিন্তু আমরা কি জানি প্রতিদিন আমরা কি পরিমাণ ডিম খাই।

ডিমের উৎপাদন ও ভক্ষণ বিষয়ে গবেষণার ফলও চমৎকার। ১৯৯৩ সাল থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত বিশ্বে ডিমের উৎপাদন ৩৮ মিলিয়ন টন থেকে বেড়ে হয়েছে ৬৮.৩ মিলিয়ন টন। প্রবৃদ্ধি প্রায় ৭৯ শতাংশ। ২০১৪ সালে সারাবিশ্বে মাথাপিছু প্রায় ১৭৯টি ডিম খাওয়া হয়েছে।

জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার এক পূর্বাভাসে বলা হয়েছে উন্নয়নশীল দেশে ১৯৯৭/৯৯ সালে বিশ্বে মাথাপিছু ডিমের ভোগ যেখনে ছিল ৬.৫ কেজি, ২০৩০ সালে তা হবে প্রায় ৮.৯ কেজি। উন্নত বিশ্বে তা ১৩.৫ কেজি থেকে ১৩.৮ কেজিতে উন্নীত হবে।

অপর এক পূর্বাভাসে বলা হয়েছে ২০৩০ সাল নাগাদ বিশ্ব জুড়ে ডিমের উৎপাদন দাঁড়াবে প্রায় ৮৯.৯ মিলিয়ন মেট্রিকটন, যার মধ্যে প্রায় ৬৯ মিলিয়ন মেট্রিকটনই উৎপাদন করবে এশিয়া।

যে মুরগি সবচেয়ে বেশি ডিম দেয়

সবচেয়ে বেশি ডিম দেওয়া মুরগি হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট লেগ হর্ন। বছরে মুরগিটি ২৪০-২৮০টি পর্যন্ত ডিম দেয়। ডিমের আকার তূলনামূলকভাবে অন্যান্য মুরগির ডিমের চেয়েও একটু বড়।

মুরগির মাংসের ব্যবহার

মোরগ তো ডিম দেয় না তবে কি ঘটছে তাদের ভাগ্যে। এক গবেষণায় দেখা গেছে প্রতিবছর বিশ্বে প্রায় ১২৯ মিলিয়ন কেজি মুরগির মাংস ভক্ষণ হচ্ছে।

ডিমের সর্বোচ্চ ভক্ষণ

প্রতিদিন সর্বোচ্চ দুইটি ডিম ভক্ষণ করলে কলোস্টোরোলের মাত্রা অতিক্রম করবে না। কারণ একটি ডিমে সর্বোচ্চ ১৪০ মিলিগ্রাম কলোস্টোরোল থাকে যেখানে মানবদেহে দৈনিক ৩০০ মিলিগ্রাম কলোস্টোরোল গ্রহণ ক্ষতিকর নয়।

ডিম নতুন না পুরানো চেনার উপায়

নতুন ডিমের খোসা সাধারণত ঘোলাটে হবে। সময় বাড়ার সাথে সাথে ডিমের খোসাতেও পরিবর্তন আসবে। ডিম দেখতে যত পুরোনো হবে তার চাকচিক্য তত বাড়বে।

ডিম উৎপাদন

বিশ্বে ডিম উৎপাদনের মাত্র ১ দশমিক ৮ শতাংশ উৎপাদিত হয় জৈব উপায়ে। আর বাকি ডিম উৎপাদিত হয় অজৈব উপায়ে। আর এই পদ্ধতি লাভজনক বিধায় অনেকেই ডিম উৎপাদনে এই অজৈব পদ্ধতিই বেছে নেন।

উপরে