সোমবার, ১৯ নভেম্বর, ২০১৮ | ৫ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

Logo
Print

সেলিম ওসমানের নির্দেশেই নারায়ণগঞ্জে শিক্ষক লাঞ্ছনা: তদন্ত কমিটির

প্রকাশের সময়: ৬:৫৩ অপরাহ্ণ - বৃহস্পতিবার | জানুয়ারি ১৯, ২০১৭

কারেন্টনিউজ ডটকমডটবিডি: নারায়ণগঞ্জের স্কুল শিক্ষক শ্যামল কান্তি ভক্তকে কানধরে উঠ-বসের ঘটনায় স্থানীয় সংসদ সদস্য সেলিম ওসমান জড়িত কি না- সে বিষয়ে বিচার বিভাগীয় প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি জে বি এম হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এই প্রতিবেদন দাখিল করা হয়।

ওই আদালতের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোতাহার হোসেন সাজু বলেন, আজ বিচার বিভাগীয় প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে। আগামী রোববার এই প্রতিবেদনের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

এর আগে গত বছরের ১০ আগস্ট শিক্ষক শ্যামল কান্তি ভক্তকে কানধরে উঠ-বসের ঘটনায় স্থানীয় সংসদ সদস্য সেলিম ওসমান জড়িত কি না- সে বিষয়ে বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট।

ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়। ওই দিন আদালত আদেশে বলেন, কানধরে উঠ-বসের ঘটনায় স্থানীয় সংসদ সদস্য সেলিম ওসমানের সম্পৃক্ততা নেই মর্মে পুলিশের প্রতিবেদনে প্রকৃত সত্য তুলে ধরা হয়নি। পুলিশের প্রতিবেদন অসম্পূর্ণ ও অগ্রহণযোগ্য।

এর আগে গত বছরের ১৮ মে নারায়ণগঞ্জে স্কুল শিক্ষককে কান ধরে উঠবস করার ঘটনায় স্থানীয় সংসদ সদস্য সেলিম ওসমানসহ জড়িতদের বিরুদ্ধে কেন আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হবে না- তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট।

সাবেক অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল এম কে রহমান ও জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মহসিন রশিদ পত্রিকায় প্রকাশিত শিক্ষকের কান ধরে ওঠ-বস করার ঘটনায় প্রতিবেদন আদালতে উপস্থাপন করেন। এরপর আদালত স্বতপ্রণোদিত হয়ে রুল জারি করেন।

গত বছরের ১৪ মে ইসলাম ধর্ম অবমাননার গুজব ছড়িয়ে নারায়ণগঞ্জের পিয়ার সাত্তার লতিফ হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক শ্যামল কান্তি ভক্তকে বিদ্যালয়ের ভেতরে অবরুদ্ধ করে মারধর করা হয়। পরে স্থানীয় এমপি সেলিম ওসমানের উপস্থিতিতে তাকে কান ধরে ওঠ-বস করানো হয়। এ ঘটনায় জড়িতদের বিচারের দাবিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে।

উপরে