শনিবার, ১৭ নভেম্বর, ২০১৮ | ৩রা অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

Logo
Print

হরতালে সেই লাকীসহ আহত ৭

প্রকাশের সময়: ১২:৩৮ অপরাহ্ণ - বৃহস্পতিবার | জানুয়ারি ২৬, ২০১৭

কারেন্টনিউজ ডটকমডটবিডি: বাগেরহাটের রামপালে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধের দাবিতে তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির ডাকে আধাবেলা হরতাল চলছে। হরতালে পুলিশের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার সময় আহত হয়েছেন ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি লাকী আক্তারসহ সাতজন।

আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের সামনে ওই সাতজন আহত হন বলে দাবি করেছেন ছাত্র ইউনিয়নের সহসভাপতি ফারজানা আক্তার।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ফারজানা জানান, পুলিশের অতর্কিত হামলায় লাকী আক্তার ছাড়াও লাবণী মণ্ডল, উম্মে হাবিবা বেনজীর, রায়হান, নাসির, কাঁকনসহ সাতজন আহত হন।

আহত কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়,  রামপালের ঘটনায় পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী তাঁরা শাহবাগে অবস্থান নেন। হরতাল চলাকালে পুলিশ তাঁদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায় এবং কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে। এ সময় ওই এলাকা ত্যাগের সময় তাঁরাসহ অনেকেই আহত হন।

বৃহস্পতিবার সকাল ৭টার দিকে হরতাল সমর্থক জাতীয় কমিটির নেতাকর্মীরা  শাহবাগে মিছিল বের করে। এ সময় শাহবাগ এলাকায় জড়ো হয়ে যান চলাচলে বাধা দেওয়ার চেষ্টা চলে। মিছিলটি শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নিতে গেলে তাদের ওপর কাঁদানে গ্যাস ও জলকামান ব্যবহার করে পুলিশ।

এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া হয়। একপর্যায়ে শাহবাগ ছেড়ে হরতাল সমর্থকরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসির দিকে পিছু হটে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢামেক পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) বাচ্চু মিয়া জানান, বেলা ১১টা ৩৫ মিনিটের দিকে সাতজন সামান্য আহত অবস্থায় হাসপাতালে এসেছেন। তাঁদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তবে এঁদের কাউকে ভর্তির প্রয়োজন নেই বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

এর আগে গতকাল বুধবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির আহ্বায়ক প্রকৌশলী শেখ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ এবং সদস্য সচিব অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ সবাইকে হরতাল পালনের আহ্বান জানান।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘গত সাত বছর ধরে সুন্দরবনবিনাশী রামপাল কয়লা প্রকল্প বাতিলসহ বিদ্যুৎ ও গ্যাস সমস্যা সমাধানের জন্য সাত দফা বাস্তবায়নে আমরা লংমার্চ, প্রতিবাদ-বিক্ষোভ, মহাসমাবেশসহ নানা কর্মসূচি পালন করছি। কিন্তু সরকার এই প্রকল্প বাতিল না করে উল্টো সুন্দরবনের জন্য ক্ষতিকর নানা তৎপরতা চালাচ্ছে। তাই আমরা বাধ্য হয়ে হরতাল পালনের কর্মসূচি দিয়েছি।’

উপরে