বুধবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ | ১১ই আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

Logo
Print

ঝুঁকিপূর্ণ ঘোড়াশাল পুলিশ ফাঁড়ি নিরাপত্তাহীনতায়

প্রকাশের সময়: ৯:২৭ পূর্বাহ্ণ - বৃহস্পতিবার | ফেব্রুয়ারি ২, ২০১৭

কারেন্টনিউজ ডটকম ডটবিডি:

নরসিংদী: নরসিংদী পলাশে ঝুঁকিপূর্ণ রেলওয়ের পুরাতন কোয়াটারে আইন শৃঙ্খলার কার্যক্রম চালাতে হচ্ছে ঘোড়াশাল ফাঁড়ি পুলিশকে।
স্থায়ী ভাবে পুলিশ ফাঁড়িটি তৈরি না হওয়ায় ঘনঘন স্থানান্তর নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে পুলিশ ফাঁড়ির ১৭ জন পুলিশ। জানা যায়, দুই যুগ পূর্বে ঘোড়াশাল পৌরসভাটি ইউনিয়ন থাকা অবস্থায় পরিষদের বাসিন্দাদের নিরাপত্তায় অস্থায়ী ভাবে চালু হয় পুলিশ ফাঁড়ি। ঘোড়াশালের শীতলক্ষ্যা নদীর পাড় একটি পুরাতন টিনসেটের ঘরে চলে এর কার্যক্রম। নিরাপত্তাজনিত কারণে এখানে বেশিদিন থাকতে পারেনি পুলিশ সদস্যরা। স্থানান্তর করা হয় ঘোড়াশাল চরপাড়া এলাকার একটি দুতলা ভবনে। দীর্ঘদিনের পুরাতন এই ভবনে ফাটল দেখা দিলে ফাঁড়িটি পূণরায় স্থানান্তরিত করা হয় ঘোড়াশাল পৌর এলাকার রেলওয়ের ৬০ বছরের পুরাতন কোয়াটারে। ঘোড়াশাল একটি শিল্প এলাকা। এখানে দেশের বৃহৎ তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র, ২টি সারকারখানা, ৩টি জুটমিল, ২টি প্রাণ ফুট ফ্যাক্টরী, সামরিড্রাইং, ওমেরা এলপি গ্যাস ফ্যাক্টরী, পিএসপি রড ফ্যাক্টরী সহ অসংখ্য কলকারখানা এখানে অবস্থিত। প্রায় এক লক্ষ লোকের এখানে বসবাস। ঘোড়াশাল শিল্প এলাকাটি অতি গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় ঘোড়াশাল মহিদ ময়েজ উদ্দিন সেতু, ঘোড়াশাল রেলওয়ের ১ম শ্রেণি কেপিআই ২টি ব্রিজ এর পাশে ফাঁড়িটি ৫ বছর পূর্বে স্থানীয় সাবেক এমপি ডা. আনোয়ারুল আশরাফ খান দিলিপের সহায়তায় এখানে স্থানান্তর করা হয়। কিন্তু ভবনটি অতি পুরাতন হওয়ায় বর্তমানে জরাজীর্ণ অবস্থায় অনেকটা ঝুঁকি নিয়ে পরিচালিত হচ্ছে পুলিশ ফাঁড়ির কার্যক্রম। ভবনটির দরজা জানালা ভাঙা থাকায় পুলিশ সদস্যরা রাতে মাথার নিচে অস্ত্র রেখে ঘুমাতে হয়। যার ফলে অনেকটা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে হচ্ছে তাদের। ফাঁড়িটিতে নেই কোন ভাল বাথরুম, নেই খাবার পানির সুব্যবস্থা। পুলিশ সদস্যদের পোশাক রাখার জন্যও কোন ব্যবস্থা না থাকায় চৌকির উপর পোশাক এলোমেলো করে রাখতে হচ্ছে। এছাড়া এখানে হাজতখানার ব্যবস্থা না থাকায় আসামীদের গ্রেফতারের পর রাখতে হয় খোলা আকাশের নিচে। ঘোড়াশাল পুলিশ ফাঁড়ির আইসি মো. গোলাম মোস্তফা জানান, ভাঙা টিনসেট ভবনের মধ্যে খুব কষ্টের মধ্যে আমাদের কার্যক্রম চালাতে হচ্ছে ভবনটির বেহাল অবস্থার কথা কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।
এ ব্যাপরে পলাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ জানান ফাঁড়িটি রেলওয়ের পুরাতন ভবনে থাকায় পুলিশদের ঝুঁকির মধ্যে থাকতে হচ্ছে। ফাঁড়িটির সমস্যা দুরিকরণে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা কামনা করে আবেদন করেছি।

আল আমিন মুন্সী

নরসিংদী প্রতিনিধি

Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com

উপরে