শনিবার, ১৭ নভেম্বর, ২০১৮ | ৩রা অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

Logo
Print

মাধবদীর এসপি ইনস্টিটিউশনের ক্ষুদে বিজ্ঞানীদের অতীত দেখার টাইম মেশিন আবিস্কারের দাবী

প্রকাশের সময়: ১২:৩৩ অপরাহ্ণ - মঙ্গলবার | ফেব্রুয়ারি ৭, ২০১৭

কারেন্টনিউজ ডটকম ডটবিডি:
নরসিংদী: মানুষের পক্ষে অতীত দেখা সম্ভব কি না এ নিয়ে রয়েছে অনেক মতান্তর রয়েছে বির্তক। অতীত দেখা নিয়ে বা অতীতকালে প্রবেশ করা নিয়ে কল্পবিজ্ঞান ভিত্তিক অনেক ছবিও তৈরী হয়েছে। বিজ্ঞানীরা কল্পবিজ্ঞানের টাইমমেশিনের মাধ্যমে কার্বনিফেরাস উপযুগে প্রবেশ করে দেখিয়েছে তখনকার পৃথিবীর গাছ-গাছালি, পোকা-মাকড়, জীব-জানোয়ার কেমন ছিল। কিন্তু বাস্তবে এখনো তা হয়ে উঠেনি। এদিক থেকে অতীতকে দেখা এখনো কল্পবিজ্ঞানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ হয়ে রয়েছে। সম্প্রতি নরসিংদীর মাধবদী এসপি ইনস্টিটিউটের কিছু ক্ষুদে বিজ্ঞানী আবিস্কার করেছে এমন একটি টাইম মেশিন যা দিয়ে অতীতকে দেখা সম্ভব। এই টাইম মেশিনটি তারা সম্প্রতি জেলা প্রশাসন আয়োজিত ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলায় প্রদর্শন করে অনেক প্রশংসা কুড়িয়েছে। ক্ষুদে বিজ্ঞানী তাজুল ইসলাম, মহসিন হোসেন, তাওহিদ মাহমুদ ও ওয়াসি ভূইয়া এই টাইমমেশিনটি আবিস্কার করেছে। তারা তাদের বর্ণনায় বলেছে, আমাদের পক্ষে অতীত দেখা সম্ভব। আমরা তখনই কোন বস্তুকে দেখতে পাই যখন ঐ বস্তুতে আলো প্রতিফলিত হয়ে আমাদের চোখে এসে নিপতিত হয়। আমরা জানি আলোর গতি প্রতি সেকেন্ডে ৩ লক্ষ কিলোমিটার। এ অবস্থায় একজন মানুষ যদি নিজেকে একটি মাঠে চিন্তা করে এবং যেখানে ৩ লক্ষ কিলোমিটার দূরে একটি গাছের কথা চিন্তা করে তা হলে ঐ গাছ হতে আলো প্রতিফলিত হয়ে মানুষটির চোখে পৌছতে এক সেকেন্ড সময় লাগবে। তা হলে এ কথা স্পষ্ট যে মানুষটি যে গাছটির ছবি দেখেছে তা এক সেকেন্ড পূর্বের গাছের অবস্থা। কিন্তু পার্থক্য খুব কম হওয়ায় লোকটি গাছটিকে বর্তমান হিসেবে ধরে নিয়েছে। এমনইভাবে রাতের আকাশে মানুষ কোটি কোটি নক্ষত্র দেখে থাকে। যার মধ্যে কিছু কিছু নক্ষত্র শত-শত আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত। এসব নক্ষত্র থেকে আলো আমাদের পৃথিবীতে আসতে শত শত বছর সময় লাগে। অর্থাৎ আমরা নক্ষত্রের যে অবস্থাটা দেখি তা হলো ঐ নক্ষত্রের শত শত বছরের আগের অবস্থা। তার মানে আমরা নক্ষত্রের অতীত দেখছি, বর্তমান নয়। আর এসব জিনিসই আমরা টেলিস্কোপের সাহায্যে পৃথিবীতে করি তা হলে আমরা পৃথিবীর অতীত দেখতে সক্ষম হবো। টেলিস্কোপ ও স্যাটেলাইট এক সংগে পৃথিবী হতে যত আলোকবর্ষ দূরে স্থাপন করা হবে আমরা পৃথিবীর তত বছরের পূরণো অবস্থা বা অতীত দেখতে পারবো। স্যাটেলাইট টেলিস্কোপ ১০ আলোকবর্ষ দূরে স্থাপন করলে ১০ বছরের পূরণো দেখা সম্ভব হবে। আর এ তত্বই প্রমাণ করে উন্নত গবেষণার মাধ্যমে মানুষের পক্ষে অতীত দেখা সম্ভব হতে পারে। যেমন করে গবেষণার মাধ্যমে পৃথিবীর ৪টি মহাযুগ এবং এসব মহাযুগসমূহের উপযুগসমূহের প্রাকৃতিক অবস্থা জানা সম্ভব হয়েছে।

আল আমিন মুন্সী

নরসিংদী প্রতিনিধি

উপরে