শনিবার, ১৭ নভেম্বর, ২০১৮ | ৩রা অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

Logo
Print

বাঁশখালীতে ঋষিকুম্ভ ও কুম্ভমেলায় চসিক মেয়র আ.জ.ম নাছির

প্রকাশের সময়: ১২:৪৩ অপরাহ্ণ - মঙ্গলবার | ফেব্রুয়ারি ৭, ২০১৭

কারেন্টনিউজ ডটকম ডটবিডি:

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: চট্টগ্রাম সিটি করর্পোশনের মেয়র আলহাজ্ব আ.জ.ম নাছির উদ্দীন প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেছেন, ধর্মে যে নিদের্শনা রয়েছে এতে পাপের বোঝা কাধেঁ ভর করে এটা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য ধর্ম গুরুদের কাছে ছুটে আসে মানুষ, পাপ মোছন করার জন্য আমরা এসেছি, ধর্ম গুরু যারা আছেন সকল মোহের উর্দ্ধে উঠে নিজেকে সৃষ্টিকতার কাছে সমর্পণ করেছে। ওনাদের কাছে ছুটে আসতে হয়। পাপ মোছন করার জন্য ছুটে যেতে হয়। আমি যে ধর্মের অনুসারী সেই ধর্ম থাকবে। এই সাম্প্রদায়ীক মনোভাব আমাদের দূর করতে হবে। ধর্মের মধ্যে হানা হানি কোনোভাবে কাম্য নয়। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি প্রত্যেকটি মানুষের জীবনে ধর্মের প্রয়োজন রয়েছে। ধর্ম কি জানতে হবে, ধর্মকে মানতে হবে, ধর্ম কি বুঝতে হবে, প্রতি পালন করতে হবে। এবং আমি নিজ ধর্ম প্রতি পালন করব। নিজ ধর্মে রীতি নীতি অনুযায়ী প্রতি পরিচালিত হবে। এবং অন্য ধর্মের প্রতি সম্মান, শ্রদ্ধা রক্ষা করে চলতে হবে। তাহলে কোনো গোষ্ঠী, সম্প্রদায়কে অসম্মান, অমর্যদা বা ঘৃণা করার সুযোগ আছে বলে মনে হয় না, সেটা আমাদের ধারণ করতে হবে। প্রত্যক ধর্ম গুরু, যারা সত্যিকারের ধর্ম গুরু অন্য ধর্মের অনুসারী, অন্য ধর্মকে অপছন্দ, ঘৃণা করেন না। ওনারা মানুষের কল্যাণের জন্য সৃষ্টিকতার কাছে প্রার্থণা করেছেন এবং করছেন।
গতকাল সোমবার (৬ ফেব্রুয়ারী) চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে ঋষিকুম্ভ ও কুম্ভমেলা পরিষদের আহ্বায়ক ও রাউজান পৌর মেয়র দেবাশীষ পালিত এর সভাপতিত্বে ধর্ম সভায় আশীর্বাদক ছিলেন বাঁশখালী ঋষিধাম ও চট্টগ্রাম তুলশী ধাম এর মোহন্ত মহারাজ শ্রীমৎ স্বামী সুদর্শনানন্দ পুরী মহারাজ, উদ্বোধক ছিলেন চট্টগ্রাম রামকৃঞ্চ মিশনের সাধারণ সম্পাদক শ্রীমৎ স্বামী শক্তিনাথানন্দ মহারাজ, লোহাগাড়া অদ্বৈত ভবনের শ্রীমৎ স্বামী নিরঞ্চুনানন্ত পুরী মহারাজ, বিশেষ অতিথি ছিলেন জন্মাষ্টামী উযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট চন্দন তালুকদার, জামাল খান ওয়ার্ড কাউন্সিলার শৈবাল দাশ সুমন, কুম্ভমেলা পরিষদের সদস্য সচিব এডভোকেট অনুপম বিশ্বাস, অর্থ সচিব তড়িৎ গুহু,  দিদারুল আলম মাসুম, এডভোকেট আ.ন.ম শাহাদত আলম, লায়ন আশীষ ভট্টচার্য, সুজিত কান্তি দাশ, বাঁশখালী পূজা পরিষদের সভাপতি প্রদীপ গুহু, সুমন  দেব নাথ, মিথুন মল্লিাক, এডভোকেট তপন কান্তি দাশ, শ্রী সাধন ধর, প্রকৌশলী আশুতোষ দাশ, এডভোকেট কাঞ্চন বিশ্বাস, ঝুন্ট দাশ, নান্টু কুমার দেব, অধ্যাপক বাবুল কান্তি দেব, ডা. বিধান মিত্র, রবি শংকর আচার্ষ্য, রতন রায়, রতন আচার্ষ্য প্রমূখ। ধর্ম সভার অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন টুটুন চক্রবর্তী ও বিভাস গুহু।
প্রধান অতিথি মেয়র আলহাজ্ব আ.জ.ম নাছির উদ্দীন আরো বলেন, আমরা ধর্মের মধ্যে বুঝে না বুঝে, বেশি বুঝে, হানা হানি, বিশৃখলা তৈরী করি। স্বাধীন সার্রভৌম বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে এদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে এবং এক অসম্প্রদায়িক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্য এবং যে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আতœাহুতি দিয়েছেন, এদেশ স্বাধীনের জন্য ১৪ বছর জেল খেটেছেন। বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্য বাঙ্গালী জাতীকে জাতীয়তাবাদী চেতনায় উদ্ভুদ্ব করেছিলেন, বঙ্গবন্ধু অহ্বানে সাড়া দিয়ে জাতী ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সবাই শ শ অবস্থান থেকে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে ভূমিকা রেখেছিল এইটাই বাস্তবতা। আমরা অসম্প্রদায়িক দেশ গড়ে চাই। তাই বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা বলেছেন ধর্ম যার যার রাষ্ট্র সবার।

মোহাম্মদ ছৈয়দুল আলম
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

উপরে