বুধবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ | ৪ঠা আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

Logo
Print

নারায়গঞ্জের ফতুল্লায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধ’ নিহত ২

প্রকাশের সময়: ৮:১৫ অপরাহ্ণ - বুধবার | ফেব্রুয়ারি ২২, ২০১৭

কারেন্টনিউজ ডটকমডটবিডি:

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লার পাগলা শাহীবাজার এলাকায় বুধবার রাতে (২২ ফেব্রুয়ারি) গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী মোক্তার হোসেন ওরফে কিলার মোক্তার (৪২) ও তার সহযোগি মানিক ওরফে কিলার মানিক (৪০) নিহত হয়েছে। কিলার মোক্তারের বিরুদ্ধে হত্যা, চাঁদাবাজি, অস্ত্র, অপহরণ, মাদকসহ একাধিক মামলা রয়েছে। এরমধ্যে ফতুল্লায় ৪টি, কদমতলী একটি, সিদ্ধিরগঞ্জে দুটি মামলা রয়েছে।

কিলার মোক্তারের সাথে গোলাগুলির ঘটনায় ডিবি পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আব্দুল আজিজ গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এসময় ঘটনাস্থল থেকে একটি পিস্তল, একটি রিভলবার, ৭ রাউন্ড গুলি, একটি চাপাতি ও ছোড়া উদ্ধার করা হয়।

নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মঈনুল হক ডিবি পুলিশের সাথে গোলাগুলির ঘটনায় কিলার মোক্তার ও তার সহযোগি মানিক নিহতের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

ঘটনাস্থলে যাওয়া ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামালউদ্দিন জানান, নারায়ণগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ডিবির একটি টিম পাগলা শাহীবাজার আমতলা এলাকাতে মাদক উদ্ধার সন্ত্রাসী গ্রেফতার করতে গেলে তাদের উপর চড়াও দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী কিলার মোক্তারসহ তার সহযোগিরা। এসময় সন্ত্রাসীরা ডিবি পুলিশের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে উঠলে দুই পক্ষের গুলিবিনিময়ে ডিবির এএস আই আব্দুল আজিজ গুলিবিদ্ধ হয়। আর ঘটনাস্থলে দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী কিলার মোক্তার ও তার সহযোগি মানিক ঘটনাস্থলে মারা যায়। আর নিহতের লাশ উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

ডিবির উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাজহারুল ইসলাম জানান, সন্ত্রাস ও মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা কালে কিলার মোক্তারকে এএসআই আজিজ আটক করলে তার সহযোগি মানিক তাকে লক্ষ্য করে গুলি করে। ওইসময় আজিজ ডান পায়ে গুলিবিদ্ধ হয়। পাল্টা গুলি ছুড়লে মানিক মারা যায়। আর মোক্তার পালানোর চেষ্টা করলে তাকে ধাওয়া করা হয়। তখন মোক্তার পুলিশকে লক্ষ্য করে ৫ থেকে ৭ রাউন্ড গুলি করে। পুলিশ পাল্টা ৬ থেকে ৭ রাউন্ড গুলি করে মোক্তার ঘটনাস্থলে মারা যায়।

এদিকে নিহতদের মধ্যে মোক্তার ওরফে কিলার মোক্তার হলো ফতুল্লা থানা পুলিশের তালিকামুক্ত সন্ত্রাসী। তার বিরুদ্ধে ফতুল্লায় হত্যা, চাঁদাবাজি, মাদক ও ঢাকার কদমতলীতে অস্ত্র মামলাসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া গত বছরের ২১ অক্টোবর সকালে ফতুল্লার নিশ্চিন্তপুর এলাকায় বিল্লাল নামে এক যুবককে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করে কিলার মোক্তারসহ তার সহযোগিরা। নিহত বিল্লাল ফতুল্লার উত্তর দেলপাড়া এলাকার মৃত. মোহাম্মদ আলীর ছেলে। ঐ ঘটনায় নিহত বিল্লালের মা শাহিদা বেগম বাদী হয়ে সন্ত্রাসী কিলার মোক্তার, মানিকসহ ১৩ জনের নাম উল্লেখ করে ফতুল্লা মডেল থানায় মামলা করেছিল। এছাড়া তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, মাদক ও মারামারি মামলার আসামি হলেও তাকে পুলিশ গ্রেফতার করতে ব্যর্থ হয়।

Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com

উপরে