শুক্রবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ | ৬ই আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

Logo
Print

প্রাথমিকে বৃত্তি পাচ্ছে ৮২ হাজার ৫০০ ফল প্রকাশ আগামীকাল

প্রকাশের সময়: ১০:১৬ পূর্বাহ্ণ - সোমবার | এপ্রিল ১০, ২০১৭

কারেন্টনিউজ ডটকমডটবিডি: এ বছর প্রাথমিকের বৃত্তির ফল প্রকাশ করা হবে আগামীকাল মঙ্গলবার। সারা দেশে ৮২ হাজার ৫০০ শিক্ষার্থী বৃত্তির সুবিধা পাবে। এর মধ্যে মেধা (ট্যালেন্টপুল) কোটায় পাবে ৩৩ হাজার এবং সাধারণ কোটায় ৪৯ হাজার ৫০০ শিক্ষার্থী।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব নজরুল ইসলাম খান গতকাল আমাদের সময়কে বলেন, মন্ত্রণালয় সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ১১ এপ্রিল দুপুর ১২টায় প্রাথমিকের বৃত্তির ফল ঘোষণা করবে।

জানা গেছে, বরাবরের মতোই প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান সংবাদ সম্মেলনে বৃত্তির ফল প্রকাশের তথ্যউপাত্ত তুলে ধরবেন। এরপর প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট িি.িফঢ়ব.মড়া.নফ-এ ফল জানা যাবে।

বৃত্তির সংখ্যা এবং বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের দেওয়া অর্থের পরিমাণ গত বছর বাড়িয়েছিল মন্ত্রণালয়। এখন মেধা কোটায় বৃত্তিপ্রাপ্ত একজন শিক্ষার্থীকে মাসে দেওয়া হয় ৩০০ টাকা। এর আগে ছিল ২০০ টাকা। আর সাধারণ কোটার বৃত্তিপ্রাপ্তরা এখন মাসে পায় ২২৫ টাকা করে। আগে পেত ১৫০ টাকা। প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে প্রাথমিক বৃত্তি বণ্টন করা হয়। বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত এ টাকা পাবে।

মন্ত্রণালয় ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই) সূত্র জানায়, ২০১৬ সালের পঞ্চম শ্রেণির প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা ফলের ওপর ভিত্তি করে ৮২ হাজার ৫০০ বৃত্তি দেওয়া হবে। এর মধ্যে মেধা কোটায় (ট্যালেন্টপুল) বৃত্তি পাবে ৩৩ হাজার শিক্ষার্থী। সাধারণ কোটায় বৃত্তি পাবে সাড়ে ৪৯ হাজার। সাধারণ কোটায় ইউনিয়ন ও পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ডে ছয়টি করে বৃত্তি দেওয়া হবে। এর মধ্যে তিনজন ছাত্রী ও তিনজন ছাত্র। এ ছাড়া ওয়ার্ড পর্যায়ে বৃত্তি প্রদানের পর অবশিষ্ট বৃত্তি থেকে প্রতিটি উপজেলায় বা থানায় দুজন ছাত্র ও দুজন ছাত্রীকে বৃত্তি দেওয়া হবে। প্রতি বিভাগের শিক্ষার্থীদের ফলের ভিত্তিতে প্রতিটি বিভাগ থেকে তিনটি করে ২৪টি সাধারণ বৃত্তি প্রদানের পর চারটি সাধারণ বৃত্তি সংরক্ষণ করা হবে।

বৃত্তি প্রদানের কারণ শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধ। শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বৃদ্ধি। মেধার স্বীকৃতি। সুষম মেধা বিকাশের লক্ষ্যে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের মাঝে উপজেলাভিত্তিক বৃত্তি প্রদান করা হচ্ছে। পূর্বে বিদ্যালয় থেকে প্রথম সারির কিছু সংখ্যক মেধাবী শিক্ষার্থী বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করত। বাকি শিক্ষার্থীরা বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পেত না বলে এ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হতো। এখন বৃত্তির জন্য পৃথক পরীক্ষার ব্যবস্থা নেই। সমাপনী পরীক্ষার ফল বিশ্লেষণ করেই বৃত্তি প্রদান করা হয়।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে প্রাথমিক সমাপনীতে ২৭ লাখ ৮৮ হাজার ৪৩২ জন শিক্ষার্থী পাস করেছে। পাসের হার প্রাথমিক সমাপনীতে ছিল ৯৮ দশমিক ৫১ শতাংশ ও এবতেদায়িতে ৯৫ দশমিক ৮৫ শতাংশ। এর মধ্যে প্রাথমিকে জিপিএ-৫ পেয়েছে দুই লাখ ৮১ হাজার ৮৯৮ ও এবতেদায়িতে পাঁচ হাজার নয়শ ৪৮ জন। ২০০৯ সালে প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা শুরু হয়। পরের বছর শুরু হয় এবতেদায়ির শিক্ষার্থীদের সমাপনী পরীক্ষা।

Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com

উপরে