শনিবার, ১৭ নভেম্বর, ২০১৮ | ৩রা অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

Logo
Print

শিবগঞ্জে প্রেমিকার অনশন বিয়ে না করলে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানেই আত্মহত্যা

প্রকাশের সময়: ৫:৪১ অপরাহ্ণ - সোমবার | মে ২৯, ২০১৭

কারেন্টনিউজ ডটকম ডটবিডিঃ
রিপন আলি রকি, চাঁপাইনবাবগঞ্জ:
চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার দাইপুকুরিয়া ইউনিয়নের মির্জাপুর এলাকার দশম শ্রেণী পড়–য়া জনৈক ছাত্রী বিয়ে করার জন্য তার প্রেমিকের নিজস্ব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান মির্জাপুর বাজারে অবস্থিত মেসার্স রুবেল এন্টার প্রাইজে দুই দিন থেকে অনশন করছেন। ঘটনাস্থলে সরেজমিনে গেলে মেয়েটি অভিযোগ করে বলেন, দাইপুকুরিয়া ইউ.সি উচ্চ বিদ্যালয়ের পিওন ও মির্জাপুর গ্রামের আব্দুল খালেকের ছেলে রুবেল আহমেদের সাথে আমার ৮ মাসের সম্পর্ক। তবে ৬ মাস থেকে আমার সাথে শারীরিক মেলামেশা করত রুবেল। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে রুবেল ও তার পরিবার বেশ প্রভাবশালী হওয়ায় আমার সাথে প্রতরণা করছে। আমি নিরুপায় হয়ে রবিবার বিকেল ৫ টা থেকে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অবস্থান করছি। তাছাড়া এই ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে আমার সাথে দীর্ঘ দিন শারীরিক কাজে লিপ্ত থেকেছে। রুবেল যদি আমাকে বিয়ে না করে তাহলে আমি এখানেই আত্মহত্যা করব।

এদিকে রুবেল ও তার পরিবার একই এলাকার আওয়ামীলীগ নেতা আলমগীরকে হাত করে শিবগঞ্জ থানায় খবর দিলে গভীর রাতে এসআই আলমগীরের নের্তৃত্বে পুলিশের একটি টহল দল ঘটনাস্থলে পৌঁচে। তবে মেয়ের পক্ষে কথা বলার জন্য মিজানুর রহমান নামের এক ব্যাক্তিকে পায়ে ও বুকে গুলি করে ক্রস ফায়ারের নামে চালিয়ে দেওয়ার হুমকি দেয় এসআই আলমগীর। তবে বিষয়টি অস্বীকার করে এসআই আলমগীর বলেন, আমারা তাদের দুই পক্ষকে সকালে থানায় এসে অভিযোগ করতে বলি।

এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকাই ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্ঠি হয়েছে। শিবগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোসাঃ সায়েমা খাতুন ও দাইপুকুরিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আতিকুল ইসলাম জুয়েল এলাকাবাসীকে নিয়ে সোমবার সকালে গ্রাম্য শালিশের অয়োজন করেন। মেয়ে পক্ষের সকল লোকজন উপস্থিত থাকলেও ছেলে পক্ষের কোন ব্যাক্তি শালিশে হাজির হননি। পরে রুবেলের বাড়িতে গ্রামবাসীরা গেলে রুবেলের পরিবারের কাউকে পাওয়া যায়নি। বাড়িঘরে তালা মেরে তারা সকলেই পলাতক। অবশেষে চেয়ারম্যান আতিকুল ইসলাম জুয়েল এলাকাবাসীর মাধ্যমে ছেলে পক্ষকে মিমাংশা করার জন্য মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত সময় বেঁধে দেন।

উপরে