রবিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ | ৮ই আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

Logo
Print

রংপুর মিঠাপুকুরে সরকারী কর্মকর্তার স্বাক্ষর জাল করে ভাংনী মাদ্রাসার অধ্যক্ষকে সাময়িক বরখাস্ত

প্রকাশের সময়: ৮:৪২ অপরাহ্ণ - বৃহস্পতিবার | জুন ৮, ২০১৭


কারেন্টনিউজ ডটকম ডটবিডি:
নূর হাসান-চান রংপুর : রংপুর জেলার মিঠাপুকুর উপজেলায় ভাংনী আহমাদিয়া ফাযিল (ডিগ্রী) মাদ্রাসার অনাস্থাকৃত সভাপতি জনাব আব্দুস সালাম সরকার (জুনিয়র অফিসার),সোনালী ব্যাংক লিঃ,কর্পোরেট শাখা,রংপুর এ কর্মরত (বর্তমানে স্টান্ড রিলিজ,ঢাকা নবাবগন্জ এ) সোনালী  ব্যাংক লিঃ কর্মচারী চাকুরী প্রবিধান মালা-২০০৮ এ বিধি বহির্ভূত ভাবে সোনালী ব্যাংক লিঃ যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতির বাহিরে ভাংনী মাদরাসার সভাপতি পদে থেকে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতি করায় গভর্ণিং বডির ৮ (আট) সদস্য তার প্রতি অনাস্থা প্রস্তাব আনায়ন করে জেলা প্রশাসক/অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রংপুর কে সভাপতি চেয়ে ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় এ ১৪/০৭/২০১৬ তারিখে আবেদন জমা করলে সভাপতি ক্ষিপ্ত হয়ে গত ২৪/০৭/১৬ খ্রি: তারিখে একটি অবৈধ,ভূয়া ও বানোয়াট রেজুলেশন করে অধ্যক্ষ মোঃ মাকছুদুর রহমান জামেলীকে বে-আইনীভাবে সাময়িক বরখাস্ত দেখিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিধান লঙ্ঘন করে উপাধ্যক্ষ সাহেবকে দায়িত্ব না দিয়ে তার পাতানো ভাগ্নাকে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে কনিষ্ঠ আরবী প্রভাষক আবু সালেহ মোহাম্মদ জাকারিয়া কে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সাজিয়ে ২৫/০৭/১৬ তারিখে ২৭ জন শিক্ষক কর্মচারীর মধ্যে ১৯ (ঊনিশ) জনের বিল ছেড়ে দিয়ে ৮ (আট) জনের বিল বন্ধ রাখেন। ব্যাংক সূত্রে জানা যায় যে,২৪/০৭/২০১৬ তারিখের রেজুলেশনে ৬ (ছয়) জনের স্বাক্ষর দেখানো হয়েছে অধ্যক্ষ মোঃ মাকছুদুর রহমান জামেলী অভিযোগ করেন উক্ত ৬ জনের মধ্যে ২ (দুই) জন গত ২২/১০/২০১৫ তারিখে নির্বাচনে পরাজিত সদস্য এবং একজন অভিভাবক সদস্য স্বাক্ষর করেন নাই মর্মে  লিখিত দিয়েছেন । আদালত সূত্রে জানা যায় যে,ভূয়া ভারপ্রাপ্ত আদালতে ২৪/০৭/২০১৬ তারিখের,যে রেজুলেশন জমা করেছেন তার মধ্যে ৯ (নয়) জনের নাম দেখানো হয়েছে এবং সময় ৪.০০ ঘটিকার স্থানে ৬.০০ টা দেখানো হয়েছে । উক্ত ৯ নয় জনের মধ্যে একজন সদস্য,মানষ কুমার দাস স্বাক্ষর করেন নাই বলে জানিয়েছেন কেননা  ২৪/০৭/২০১৬ তারিখের ভূয়া রেজুলেশনের ব্যাপারে রংপুর জজকোর্টে সহ-সভাপতি সহ ৭ (সাত) জন সদস্য বাদী হয়ে যে মামলা  দায়ের করেন তন্মধ্যে তিনি একজন এবং মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা,মিঠাপুকুর এর স্বাক্ষর ফাঁকা রাখা হয়েছে । কারমাইকেল কলেজ,রংপুর এর ইতিহাস বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর খয়রাত হোসেন জানিয়েছেন যে, তিনি উক্ত ২৪/০৭/২০১৬ তারিখের মিটিং এ তিনি উপস্থিত ছিলেন না। সেখানে তার স্বাক্ষর করার প্রশ্নই আসে না । তার স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে  তিনি  দাবি করেছেন একজন দায়িত্বশীল সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে তার স্বাক্ষর জালকারী  সভাপতি ও  ভূয়া ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দৃষ্টান্তমূলক  শাস্তি দাবি করেছেন । পাশাপাশি আইন প্রয়োগকারী সংস্থার দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন ।
অনুসন্ধানে জানা  যায় বর্তমানে অত্র মাদ্রাসার শিক্ষার বেহাল অবস্থা বিরাজ করছে। ভুক্তভোগী শিক্ষক কর্মচারী,অভিভাবকবৃন্দ,গভর্নিং বডির সদস্য ভূয়া ভারপ্রাপ্তের অপসারণ ও দুর্নীতিবাজ সভাপতির পদত্যাগের দাবি করছে । অধ্যক্ষ মোঃ মাকছুদুর রহমান জামেলী জানিয়েছেন যে,তাকে অধ্যক্ষ হিসেবে  বহাল করার জন্য মহামান্য হাইকোর্ট ২৯/০১/২০১৭ তারিখে ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়কে নির্দেশ প্রদান করেছেন ।

Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com

উপরে