মঙ্গলবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ | ১০ই আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

Logo
Print

সিরাজদিখানে পাল্টাপাল্টি হত্যার হুমকি থানায় সাধারণ ডায়েরী

প্রকাশের সময়: ১০:০০ পূর্বাহ্ণ - সোমবার | জুন ১২, ২০১৭

কারেন্টনিউজ ডটকম ডটবিডি
মো.সুজন মুন্সীগঞ্জ  প্রতিনিধি: সিরাজদিখানে ইউপি সদস্যকে হত্যার হুমকি দেওয়ায় থানায় সাধারণ ডায়েরী করা হয়েছে। উপজেলার বাসাইল ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড সদস্য হাজী আইয়ুর খানকে প্রাণনাষের হুমকি দিয়ে আসছে একটি পক্ষ। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে সরিজমিনে গিয়ে জানা যায়, চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম বিষয়টির মিমাংসা করে রাস্তা নির্মাণ করে দিয়েছেন। এতে করে রাস্তার অর্ধেক জমি সিরাজুল ইসলামের। তার পরেও তারা কোন হুমকি বা চাঁদা চেয়েছে এমন কোন অভিযোগ এলাকায় পাওয়া যায়নি। রাস্তাটির নির্মাণের সময় সিরাজুল ইসলামের জায়গার উপর দিয়েই রাস্তাটি নির্মাণ করার পায়তারা করেন হাজী আইয়ূব খান। থানায় অভিযোগের পর চেয়ারম্যানের সহযোগিতায় বিষয়টি মিমাংসা হয়ে যায়। কিন্তু কি কারণে পুন:রায় মিমাংসিত বিষয় নিয়ে থানায় জিডি হলো সেটাই এখন প্রশ্নের বিষয়। অপরদিকে ১০ জুন গনি হোসেন খান হাজী আইয়ুব খান, শাহজাহান খান, সোবহান খান, সাব্বির এই চার জনের নাম দিয়ে একটি সাধারণ ডায়েরী করা হয়েছে। ডায়েরীতে উল্লেখ করা হয়েছে বিবাদীরা জোর পূর্বক বাদীর জমির উপর দিয়ে বিবাদীদের বাড়িতে যাতায়াতের জন্য ব্যক্তিগত রাস্তা নির্মাণের সময় বাঁধা প্রদান করেন। সেই সময় বিবাদীরা মারপিট করিতে উদ্যত হয় এবং খুন জখম করার হুমকি প্রদান করার অভিযোগ করা হয়। সাধারণ ডায়েরীতে উল্লেখ করা হয়েছে  ১০জুন বিকাল বিবাদীগণ বাদীদের বাড়ির সামনে আসিয়া অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। তারা প্রতিবাদ করলে মারপিট ও খুন জখম করিয়া লাশ গুম করিয়া ফেলিবে মর্মে হুমকি প্রদান করে।

অপরদিকে শনিবার ইউপি সদস্য হাজী আইয়ূব খান থানায় গিয়ে ৫ জনের বিরুদ্ধে সাধারণ ডায়েরী করেছেন। গুয়াখোলা গ্রামের মসজিদ ও মাদরাসার রাস্তা নির্মাণ করায় গত ৭ জুন খুন, গুম ও হত্যার হুমকি দেওয়া হয়।

প্রস্তাবিত ১৪২ শতাংশ ওয়াক্ফক্রিত জায়গায় জামিয়া আশরাফুল মাদরাসা ও জামেমসজিদের যাতায়াতের জন্য একমাত্র রাস্তা নির্মাণ করা হয়। ইউনিয়ন পরিষদ থেকে কাজের জন্য ১% বরাদ্দ দেওয়া হয়। মাদরাসার জমিদাতা মৃত হায়াত খানের ছেলে হাজী সুবাহান খান গং। মাদরাসার যাতায়াতের রাস্তা না থাকার কারণে মাদরাসার জমির সাথে সরকার বাড়ী জামে মসজিদের ৯২ শতাংশ জমির উপর দিয়ে ও হাজী সুবাহান খানের জমির পার্শ দিয়ে সরকারি রাস্তার সাথে সংযোগ করা হয়। এই ব্যাখ্যা ৩নং ওয়ার্ডের মেম্বার হাজী আইয়ুব খান দিলেও ঘটনাস্থলে গেলে দেখা যায় ওখানে মাদ্রাসার অন্তরালে খানকা শরীফ বানানো হবে। আর এই খানকা শরীফের নাম না আড়াল করে মাদ্রাসার কথা বলে রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে।

বিষয়টি এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। এ বিষয়ে বাসাইল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম জানান, বিষয়টি আমার কাছে জানানো হয়েছে। আমি অবগত হয়েছে। আগামী বুধবার উভয় পক্ষকে নিয়ে বসে বিষয়টির মিমাংসা করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

বিষয়টি এলাকায় আলোচনার ঝড় বইছে। সিরাজদিখান থানায় যেমন খুশি তেমন জিডি করা যায়। জিডি করলেও কোন কাজে আসে না এমন অভিযোগ করেছে গুয়াখালীবাসী।

অপরদিকে হাজী আইয়ুব আলী খান জানান, ১ লাখ টাকার চাঁদা দাবীর কথা আমি বলিনি, কোন মামলাও করিনি। পরবর্তীতে তার সাথে একাধিকবার মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তার সাক্ষাত পাওয়া যায়নি।

Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com

উপরে