রবিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ | ৮ই আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

Logo
Print

টিনএজারদের আধুনিক ভালোবাসা

প্রকাশের সময়: ২:৪১ অপরাহ্ণ - বুধবার | জুন ২১, ২০১৭

কারেন্টনিউজ ডটকমডটবিডি: কথা হচ্ছিল একজন টিনএজারের সাঙ্গে। এটি তার জীবনের গল্প। গল্পটা এমন—মেয়েটি গর্ব করে বলে আমি আমার বয়ফ্রেন্ডের ২৩ নম্বর গার্লফ্রেন্ড আর ওদিকে বয়ফ্রেন্ডও জানে সে তার কত নম্বর গার্লফ্রেন্ড।
দু’জনের পরিচয়টা আবার দু’জনের বয়ফ্রেন্ড গার্লফ্রেন্ড ছেড়ে যাওয়ার ট্রানজিশনাল টাইমে। তাই দু’জনেই দু’জনের মনের দুঃখ বোঝে এই বোধ থেকে শুরু তাদের ভালোবাসা। তাদের সম্পর্কের বয়স বছরখানিক, এর মধ্যে রাতজেগে কথা ও ফেসবুকে চ্যাটিং। মাসে দুই তিনবার সন্ধ্যায় রিকশাভ্রমণ।
একটু ঘনিষ্ঠ হতেই ছেলেটির মুখে কথা ফোটে— আমি তোমার সঙ্গে রুম ডেটিং করতে চাই। কিন্তু আমি অনেক ভালো আমি তোমাকে কতটা সম্মান করি যে, আমি আমার কোনো বন্ধুর বাসায় তোমাকে নিয়ে যাবো না। কারণ তুমি আমার ভালোবাসা, তাই আমার নিজের বাসাতেই তোমাকে নিয়ে রুম ডেটিং করবো।

মেয়েটি ভাবে, হাউ সুইট! ছেলেটি আমাকে কত ভালবাসে, ও আমাকে কত টেক কেয়ার করে। আর এত সম্মান নিজের বাসায়, ওয়াও! এই সুখ রাখি কোথায়।

অতঃপর ছেলেটির নিজের বাসায়ই শুভ সুচনা হলো তাদের রুম ডেটিংয়ের। হয়তো ওদের এই প্রেমটিও টিকবে ৬ মাস কিংবা ১ বছর। তারপর ঠুনকো একটি কারণ দেখিয়ে দু’জনের ব্রেকআপ। আবারো দু’জনের ট্রাস্টিশনাল পিরিয়ড, আবারো হয়তোবা নতুন মুখ।
ঘটনাটি একটি সত্য ঘটনা। টিনএজারদের মধ্যে এটিই হলো এই গ্লোবালাইজেশনের আধুনিক যুগে প্রেম-ভালোবাসা। আমি ভালবাসাকে শ্রদ্ধা করি। প্রেম সে তো অদ্ভুত এক শৈল্পিক সম্পর্ক।

Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com

উপরে