বৃহস্পতিবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০১৯ | ৪ঠা মাঘ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

Logo
Print

অভিনেত্রীরা’ যে জন্য শয্যাসঙ্গী হন !

প্রকাশের সময়: ১২:০৩ অপরাহ্ণ - শুক্রবার | জুলাই ৭, ২০১৭

কারেন্টনিউজ ডটকম ডটবিডি: এখন নাকি কাস্টিং কাউচ বলে আর কিছুই হয় না। যা হয় সবই নাকি অভিনেত্রীদের ইচ্ছেতেই হয়। সম্প্রতি এই মন্তব্য করে বিতর্কের ঝড় তুলেছেন ভারতের ইনোসেন্ট ভারিদ থেক্কেথালা। অভিনেতা ও কেরলের বাম সমর্থিত নির্দল সাংসদ হওয়ার পাশাপাশি অ্যাসোসিয়েশন অফ মালায়লাম মুভি আর্টিস্ট (AMMA) সংগঠনের প্রেসিডেন্ট।

এক সময় অভিনয় করতেন ইনোসেন্ট। আর সেই অভিজ্ঞতা থেকেই তিনি এই মন্তব্য করেছেন। AMMA আয়োজিত একটি সাংবাদিক বৈঠকে মালায়লাম ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে কাস্টিং কাউচের প্রথা আছে কি না, এ বিষয় জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, সে সব দিন কবেই চলে গেছে। এখন কোনও মহিলাকে এ রকম কথা বললে তা নিয়ে খবর হয়ে যাবে। তারা এখন এ নিয়ে খোলাখুলি কথা বলবে। তিনি আরও বলেন, তবে যারা খারাপ মহিলা, তারা অন্যের সঙ্গে শুতেই পারে। যা হয় সেটা তাদের ইচ্ছেতেই হয়।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে মালায়লাম অভিনেত্রী ভাবনার অপহরণ ও শ্লীলতাহানি নিয়ে তোলপাড় চলছে মালায়লাম ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে। এই ঘটনায় অন্যতম অভিযুক্ত দিলীপ নামের অভিনেতাকে ইতিমধ্যেই জেরা করেছে পুলিশ। এ নিয়ে গত সপ্তাহে এক সাংবাদিক বৈঠকে মুখ খুলতে অস্বীকার করেন মোহনলাল, মামুট্টির মত মালায়লাম ছবির সুপারস্টাররা। আর তার মধ্যে ইনোসেন্টের এই কথা খানিকটা যেন আগুনে ঘি দেওয়ার মতোই।

ইনোসেন্টের এই মন্তব্য উড়িয়ে দিয়েছেন মালায়লাম ছবির মহিলা কলাকুশলীদের সংগঠনগুলি। ফেসবুকে পোস্ট করে তাঁরা জানিয়েছেন, মালায়লাম ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে কাস্টিং কাউচ স্বমহিমায় বর্তমান। যে সব মেয়ে প্রথম অভিনয় জগতে পা রাখেন তাঁদের সবাইকেই কাস্টিং কাউচের মুখোমুখি হতে হয়।

এই মহিলা সংগঠনগুলির অনেকেই ইনোসেন্টের কড়া শাস্তির দাবি তুলেছেন। আবার AMMA-র প্রশাসনিক প্রধানের দায়িত্বে তাঁর মতো একজন ব্যক্তির থাকার কোনও অধিকার আছে কি না তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই।

 

উপরে