সোমবার, ১৯ নভেম্বর, ২০১৮ | ৫ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

Logo
Print

কিশোরগঞ্জে মানসিক ভারসাম্যহীন শিক্ষার্থীকে পেটানোর অভিযোগ

প্রকাশের সময়: ৪:১১ অপরাহ্ণ - রবিবার | জুলাই ১৬, ২০১৭
কারেন্টনিউজ ডটকম ডটবিডি: কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে মানসিক ভারসাম্যহীন এক শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর অভিযোগ করেছে ওই শিক্ষার্থীর পরিবার।
অভিযুক্ত শিক্ষক ফিরোজ মাহমুদ জুয়েল, তিনি পাকুন্দিয়ার বটতলা বাজারের মডার্ন পাবলিক কিন্ডারগার্টেন শিক্ষক। মানসিক ভারসাম্যহীন ঐ শিক্ষার্থীর নাম রাজিন আহমেদ, সে ঐ স্কুলের তৃতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থী। ঘটনাটির সত্যতা ইত্তেফাককে নিশ্চিত করেছেন স্কুলটির প্রধান শিক্ষক।
অভিযুক্ত শিক্ষক ফিরোজ মাহমুদ জুয়েল বলেন, ছেলেটার মানসিক সমস্যা রয়েছে। সে অল্পতেই রেগে যায় এবং প্রায়ই ক্লাসের অন্য শিক্ষার্থীদের মারধর করে।
তিনি আরো বলেন, আমি মূলত হাইস্কুল লেভেলে ষষ্ঠ শ্রেণী থেকে দশম শ্রেণী পর্যন্ত পড়াই। সেদিন শ্রেণী-শিক্ষক না থাকায় আমি তৃতীয় শ্রেণীর একটি ক্লাস নিই। এসময় এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক এসে অভিযোগ করেন- তার সন্তানকে রাজিন মেরেছে। এ বিষয়ে রাজিনকে জিজ্ঞেস করলে সে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করে। পরে আমি স্কেল দিয়ে মারি।
তিনি আরো বলেন, পরে রাজিনের পরিবার এসে গালিগালাজের জন্য আমার কাছে ক্ষমা চায়। কিন্তু পরে জানতে পারি- তারা ইউএনও’র কাছে আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করছে। আমার মনে হয়, কেউ তাদের উস্কানি দিচ্ছে।
অন্যদিকে, আহত শিক্ষার্থীর বড় ভাই কামরুল হাসান বলেন, ‘স্কুলের প্রধান শিক্ষকের অভিযোগ- রাজিন নাকি শিক্ষককে গালি দিছে। আমার কথা হলো গালি দিলে আমাদের জানাতো, কিন্ত এভাবে মেরে জখম করবে কেন? উনি আমাকে ফোনে বলছে- তোমার ভাই পাগল। আমার প্রশ্ন, পাগল হলে তা আমাদের আগে জানাননি কেন?’
তিনি আরো বলেন, ‘আমার ছোট ভাই কনভারশন ডিজঅর্ডারের রোগী। আমরা তাই স্কুলে দেয়ার সময় বলে দিছি তাকে যেন না মারে। যা কিছু হয় আমাদের জানাতে, তারপরও তারা এই জঘন্য কাজটি করেছে। তাকে এমনভাবে মেরেছে যে তার হাত কেটে গেছে।’ কামরুল হাসানের অভিযোগ, প্রধান শিক্ষিকা অন্য শিক্ষকদের উস্কানি দেয় যেন, ছাত্রদের এভাবে মেরে ভয় ভীতি দেখায়।

উপরে