শনিবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ | ৭ই আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

Logo
Print

হিলিতে চাল সংগ্রহের লক্ষ্য অর্জন

প্রকাশের সময়: ৪:২০ অপরাহ্ণ - বৃহস্পতিবার | আগস্ট ২৪, ২০১৭

কারেন্টনিউজ ডটকম ডটবিডি:

দিনাজপুরের হিলি থেকে চলতি বোরো মৌসুমে সরকারিভাবে মোট ৩৯২ টন চাল সংগ্রহের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল। এর বিপরীতে এখানে চলতি মৌসুমে এখন পর্যন্ত সংগ্রহ করা হয়েছে ৫৩০ টন চাল। মৌসুমের বাকি সময়ে চাল সংগ্রহের বর্তমান হার অব্যাহত থাকলে পণ্যটির মোট সংগ্রহের পারিমাণ আরো বাড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

গত ২ মে থেকে চলতি বোরো মৌসুমে সরকারিভাবে চাল সংগ্রহ অভিযান শুরু হয়। এ সময় হিলি থেকে আতপ ও সিদ্ধ মিলিয়ে মোট ৩৯২ টন চাল সংগ্রহের সিদ্ধান্ত হয়। এর মধ্যে প্রতি কেজি ৩৪ টাকা দরে ৩২৪ টন সিদ্ধ চাল ও প্রতি কেজি ৩৩ টাকা দরে ৬৮ টন আতপ চাল সংগ্রহের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল। স্থানীয় ১৬ জন মিল মালিকের মধ্যে ১৩ জন সরকারের কাছে চাল সরবরাহের জন্য চুক্তিবদ্ধ হন।

হিলির এলএসডি খাদ্য গুদামের কর্মকর্তা মো. খলিলুর রহমান জানান, মৌসুমের শুরুর দিকে স্থানীয় মিল মালিকরা সরকারের হয়ে চাল সংগ্রহে আগ্রহী ছিলেন না। তারা সরকার বেঁধে দেয়া দামে চাল সংগ্রহে লোকসানের আশঙ্কা করছিলেন। পরে চুক্তির সময় বাড়িয়ে দেয়া ও দেনদরবারের মাধ্যমে তাদের চাল সংগ্রহে রাজি করানো হয়। ১৩ জন মিল মালিক চুক্তিবদ্ধ হন। মূলত চলতি মৌসুমে পণ্যটির বাড়তি উৎপাদনের জের ধরে হিলি খাদ্য গুদামে লক্ষ্যের তুলনায় ১৩৮ টন চাল বেশি সংগ্রহ করা সম্ভব হয়েছে। তিনি জানান, যে তিনজন মিল মালিক সরকারের কাছে চাল সরবরাহে চুক্তিবদ্ধ হননি তাদের কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। এখন তাদের লাইসেন্স বাতিল হবে। একই সঙ্গে আগামী তিন বছর তারা চাল সরবরাহের সুযোগ হারাবেন।

হিলির চালকল ব্যবসায়ী এমদাদুল হক বলেন, কৃষকদের কাছ থেকে সরকার বেঁধে দেয়া দামে ধান কিনে প্রক্রিয়াজাত করার পরে প্রতি কেজি চালের দাম পড়বে ৩৮-৪০ টাকার ওপরে। ফলে সরকারের কাছে চাল সরবরাহে প্রতি কেজিতে ৪-৬ টাকা লোকসান হবে। তবে লোকসানের আশঙ্কা সত্ত্বেও প্রতি বছরের ধারাবাহিকতা রক্ষায় এবারো আমরা এ প্রক্রিয়ায় অংশ নিয়েছি। চলতি মৌসুমে মিল মালিকদের লোকসান এড়াতে সরকারের কাছে বিশেষ প্রণোদনা দাবি করেন তিনি।

Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com

উপরে