মঙ্গলবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ | ১০ই আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

Logo
Print

জর্জিয়ার মাধ্যমে ইউরোপে বাজার সম্প্রসারণে আগ্রহী বিজিএমইএ

প্রকাশের সময়: ১২:২৭ অপরাহ্ণ - মঙ্গলবার | সেপ্টেম্বর ১২, ২০১৭

কারেন্টনিউজ ডটকম ডটবিডি:

জর্জিয়ার মাধ্যমে ইউরোপের বাজার আরো সম্প্রসারণ করতে চান তৈরি পোশাক খাতের মালিক প্রতিনিধি সংগঠন বিজিএমইএর নেতারা। গতকাল দেশটির সরকার প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনায় এ আগ্রহ প্রকাশ করেন তারা।

জর্জিয়ার ডেপুটি ফরেন মিনিস্টার ডেভিড জালাগানিয়ার নেতৃত্বে বাংলাদেশ সফররত একটি প্রতিনিধি দল গতকাল সকালে বিজিএমইএর কার্যালয়ে সংগঠনটির নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাত্ করে। বিজিএমইএ সভাপতি মো. সিদ্দিকুর রহমানসহ এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির সহসভাপতি (অর্থ) মোহাম্মদ নাছির, পরিচালক মো. শহিদুল হক মুকুল, মিরান আলী, মো. মনির হোসেন ও আনম সাইফউদ্দীন। সাক্ষাৎকালে তারা বাংলাদেশ ও জর্জিয়ার মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য নিয়ে আলোচনা করেন। জর্জিয়ার ডেপুটি ফরেন মিনিস্টার ডেভিড জালাগানিয়ার সঙ্গে এ সময় দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা নানা গ্যাপ্রিনড্যাশভিলিও উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া সভায় তুরস্কে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ও জর্জিয়ার নন-রেসিডেনশিয়াল রাষ্ট্রদূত মো. আল্লামা সিদ্দিকী বক্তব্য রাখেন।

জর্জিয়ার প্রতিনিধি দলটিকে বিজিএমইএ সভাপতি মো. সিদ্দিকুর রহমান জানান, বাংলাদেশ বিশ্বে দ্বিতীয় বৃহত্তম পোশাক রফতানিকারক দেশ হলেও বিশ্ববাজারে দেশটির অংশীদারিত্ব মাত্র ৬ শতাংশ। এ হার আরো বাড়ানোর সক্ষমতা বাংলাদেশের রয়েছে। তাই বাংলাদেশ এ মুহূর্তে পণ্য ও বাজার বহুমুখীকরণের কৌশল অবলম্বনের মাধ্যমে উচ্চতর প্রবৃদ্ধি অর্জনে মনোযোগী হয়েছে। এক্ষেত্রে জর্জিয়া বাংলাদেশের জন্য একটি সম্ভাবনাময় বাজার হতে পারে। কারণ দেশটির অর্থনীতি বিকাশমান এবং এর মাথাপিছু আয় ও ব্যয় বেড়েই চলেছে। এছাড়া পোশাক রফতানিতে জর্জিয়ায় শুল্কমুক্ত বাজারে বাংলাদেশের প্রবেশাধিকার রয়েছে। এর মাধ্যমে ইউরোপে বাংলাদেশের বাজার আরো সম্প্রসারণ হবে। বিজিএমইএ সভাপতি জর্জিয়ার ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশ ভ্রমণ এবং এ দেশ থেকে পোশাক কেনার অনুরোধ জানান।

ডেভিড জালাগানিয়া তার বক্তব্যে বলেন, জর্জিয়া আয়তনের দিক থেকে ছোট হলেও এর ভৌগোলিক অবস্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে উত্তর-দক্ষিণ ও পূর্ব-পশ্চিমের মধ্যে এটি একটি ক্রসরোড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে দেশটির অবাধ বাণিজ্য রয়েছে। তাই বিশ্ববাণিজ্যে দেশটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। জর্জিয়ার অর্থনৈতিক উন্নয়নের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগের যথেষ্ট সম্ভাবনা থাকলেও এখন পর্যন্ত তেমন কোনো অগ্রগতি হয়নি। তার মতে, বাংলাদেশে তৈরি অ্যাপারেল দিয়ে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের উন্নয়ন শুরু করা যেতে পারে। গতকালের এ সাক্ষাতের মধ্য দিয়ে জর্জিয়া ও বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্যের দ্বার উন্মুক্ত হলো বলে মনে করেন তিনি।

Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com

উপরে