শনিবার, ১৭ নভেম্বর, ২০১৮ | ৩রা অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

Logo
Print

রৌমারীতে গ্রামীণ সংযোগ সড়কের বেহালদশা!

প্রকাশের সময়: ৪:০৯ অপরাহ্ণ - রবিবার | অক্টোবর ১, ২০১৭

কারেন্টনিউজ ডটকম ডটবিডি
সাখাওয়াত হোসেন সাখা,রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি
কুড়িগ্রাম জেলার ব্রম্মপুত্র পুর্বপাড় ভারতীয় আসাম সীমান্ত ঘেষা রৌমারী উপজেলার সাথে গ্রামীণ সংযোগ যাতায়াতের সড়ক ও কালভার্ট, ব্রীজ গুলো অপরিকল্পিত, অনিয়ম ও দুর্নীতির কারনে নির্মান কাজ শেষ হতে না হতেই ভেঙ্গে যাওয়ায় দূর্ভোগে পড়ে এলাকাবাসী।
সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, উপজেলায় দুই বারের বন্যায় যাদুরচর দিগলাবাড়ী নামক স্থানে বেঁড়িবাধ ভাঙ্গনে যাতায়াতের বেহাল সৃষ্টি হয়েছে। দাঁতভাঙ্গা হতে ধর্মপুর পর্যন্ত ব্রীজ ভাঙ্গন কার্পেটিং, ইটখোয়া, রৌমারী বাজার সদর হতে সুতিরপাড়া-বামনেরচর-খাটিয়ামারী পর্যন্ত রাস্তা ভাঙ্গন ইটখোয়া, কার্পেটিং. উপজেলা সদর হতে কলেজ রোড ফলূয়ারচর নৌকা ঘাট পর্যন্ত রাস্তায় ব্রীজ ভাঙ্গন, ইটখোয়া, ও কার্পেটিং, থানা মোড় হতে মহিলা কলেজ রোড খঞ্জনমারা স্লুইজ গেট হয়ে রিপ-২ রাস্তা দাঁতভাঙ্গা শালুর মোড় পর্যন্ত ভাঙ্গন কার্পেটিং ইটখোয়া উঠে গিয়ে সকল সংযোগ সড়কের বেহাল অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

যাতায়াতে জনদুর্ভোগ বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি যানবাহন চলাচলে ব্যাহত হচ্ছে। এলাকাবাসীর সূত্রে জানা যায়, ১০/১৫ বছর পুর্বে রাস্তা কালভাটঁ ব্রীজ স্লুইজ গেট গুলো নির্মান করা হয়। এ কাঁচা পাঁকা সংযোগ সড়ক গুলো নির্মানের পর থেকে সংস্কারের দেখা নেই।
তবে আমরা শুনে থাকি প্রতি বছর শুকনা মৌসুমে এলজিইডি বিভাগসহ ও বিভিন্ন প্রকল্প থেকে সড়ক সংস্কারের কোটি কোটি টাকা দিয়ে থাকেন, কিন্তু কোন কাজ দেখা যায় না। সংস্কারের অভাবে সড়ক গুলো ইটখোয়া উঠে গিয়ে শতশত গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।
পাঁকা সড়কের দু’পাশে ও কাঁচা সড়ক ভেঙ্গে গিয়ে মানুষের যাতায়াত ও পরিবহনের চলাচলের দুর্ভোগ চরমে উঠেছে। কিন্তু দিগলাপড়া নামক স্থানে বেড়িবাধ সড়কটি ভেঙ্গে যাওয়ায় মেরামত না করার কারনে পথচারী সহ পরিবহন যানবাহনে দুর্ভোগের সীমা ছাড়িয়ে গেছে।

অপর দিকে রৌমারী সদর হতে সুতির পার বামনেরচর সড়কে অপরিকল্পিত ভাবে স্লুইজ গট নির্মানে বন্যার পানিতে রাস্তার উত্তর পাশে থাকা প্রায় ১০ টি গ্রামের মানুষ রোপা আমন শাক সবজী হাজার হাজার হেক্টর জমির ফসল বিনষ্ট হয়ে যায় এবং হাজার হাজার মানুষ পানি বন্দি থাকে। স্লুইজ গেটের পাশে বন্যার তীব্র পানির চাপে সড়কটি ভেঙ্গে যায়।

এলাকবাসীর দাবী স্লুইজ গেট সংলগ্ন ভাঙ্গন যায়গায় পরিকল্পিত ভাবে একটি ব্রীজ নির্মান প্রয়োজন। এ বিষয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান জানান, এবারের বন্যায় মানুষ সবচেয়ে বেশী ক্ষতিগ্রস্থ্য হয়েছে। উপজেলার ৬ টি ইউনিয়নের ৫ টি ইউনিয়নেই বেশি রাস্তাঘাট ভেঙ্গে মানুষ ও পরিবহন যাতায়াতে অনুপযোগী হয়েছে।

জনপ্রতিনিধিরা জানান, “রাস্তাঘাট মেরামতের জন্য অতি তারাতারি উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানানোর কথা ইঞ্জিনিয়ার ও উপজেলা প্রশাসনকে বলা হয়েছে। উপজেলা প্রকৌশলীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, এলজিইডি বিভাগে সংযোগ সড়ক গুলো সংস্কার ও ব্রীজ কালভার্ট এর জন্য বরাদ্দ চেয়ে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট আবেদন করা হয়েছে। সচেতন মহল বলেন, সড়ক ও কালভার্ট ব্রীজ গুলো পরিকল্পিত ভাবে জরুরী ভিত্তিতে সংস্কারের জন্য স্থানীয় সংসদ সদস্য সহ সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।”

উপরে