মঙ্গলবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ | ১০ই আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

Logo
Print

ভৈরব দ্বিতীয় রেল সেতুতে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল শুরু

প্রকাশের সময়: ৪:২১ অপরাহ্ণ - শুক্রবার | নভেম্বর ৩, ২০১৭

কারেন্টনিউজ ডটকম ডটবিডি:

রাজীবুল হাসান , ভৈরব প্রতিনিধি: দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত ভৈরব ২য় রেলওয়ে সেতু দিয়ে আজ শুক্রবার সকালে টায় যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে ।

আজ শুক্রবার সকাল ১১ টা ১০ মিনিটে চট্রগ্রাম- ঢাকাগামী সুবর্না এক্সপ্রেস আন্তঃনগর আপ যাত্রীবাহী ট্রেনটি  নবনির্মিত ভৈরব ২য় রেলওয়ে সেতুটি অতিক্রমের মধ্য দিয়ে চলাচল শুরু করল নতুন সেতুর যাত্রা। এসময় সেতুর প্রকল্প পরিচালক ও রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলীয় জেনারেল ম্যানেজার মোঃ আব্দুল হাই ও রেলওয়ের  উর্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ সেতুর ভৈরব পাড়ে দাড়িঁয়ে সুর্বণা  এক্সপ্রেস ট্রেনের চালকসহ যাত্রীদেরকে হাত নাড়িয়ে শুভেচ্ছা জানান।

প্রকল্প পরিচালক আব্দুল হাই জানান, সেতুটি আগামী ৯ অক্টোবর আনুষ্ঠানিক ও যৌথভাবে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে  উদ্বোধন করবেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এই লক্ষে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ  ভৈরবে অনুষ্ঠানের প্রস্ততি গ্রহন শুরু করেছে। সুর্বনা ট্রেনের পর বেলা পৌনে ১২ টায় নোয়াখালী – ঢাকাগামী উপকুল এক্সপ্রেস আন্তঃনগর আপ ট্রেনটিও নুতন সেতু দিয়ে অতিক্রম করে। আজ থেকে চট্রগ্রাম- ঢাকা, সিলেট – ঢাকা, নোয়াখালী – ঢাকা রেলওয়ে পথে চলাচলকারী সকল আপ ট্রেন নবনির্মিত সেতু দিয়ে পরীক্ষামূলকভাবে চলাচল যাত্রা শুরু করল। তবে নুতন সেতুর লাইনে এখনও সিগনালিং ব্যবস্থার কাজ শেষ হয়নি। তবে বিকল্প ব্যবস্থায় সিগনাল দিয়ে আগামী কয়েকদিন ট্রেন চলবে। উদ্বোধন  পরে হলেও  আজ থেকে চট্রগ্রাম থেকে ঢাকাগামী সকল আপ ট্রেন নতুন এই সেতু দিয়ে চলাচল করবে বলে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানান।

আশুগঞ্জে রেলসেতু শ্রমিক দুলাল সরকার বলেন, ১৬-১৭ মাস কাজ করছি নতুন ব্রীজে। আজকে প্রথম ভৈরব ২য় রেলসেতুতে যাত্রীবাহী ট্রেন চালু হয়েছে। তা দেখে মনটা ভরে গেল।
মো.সুজন মিয়া বলেন, নতুন লাইনে ট্রেন চালু হওয়ার ফলে যাত্রীদের বিলম্বে পড়তে হবে না আর।
ভৈরব রেরওয়ে স্টেশন মাস্টার অমৃত লাল সরকার জানান,বহু প্রতিক্ষীত ২য় ভৈরব রেলসেতুতে আজ আপলাইনে প্রথম যাত্রী বাহী ট্রেন শুরু হয়েছে।  এ আপলাইন রেল লাইন চালু হওয়ার পর ঢাকা-চট্রগ্রাম যাত্রা সময় আগের চেয়ে ১ ঘন্টা সময় কমে যাবে বলে তিনি জানান।

ভৈরব মেঘনা নদীর ওপর ৫শ ৬৭ কোটি টাকা ব্যয়ে এই সেতুটি নির্মান করা হয়। ভারতীয় ঠিকাদার ইরকোন  ও এফকোন কোম্পানী সেতুটি নির্মান করেছে। এই সেতুর দৈর্ঘ ৯ শ ৮৪ মিটার এবং প্রস্থ ৭ মিটার। সেতুতে ব্রডগেজ লাইন তৈরি করা হয়েছে। সেতু পিলার ১২ টি এবং গার্ডার ৯ টি। মেঘনা নদীতে এর আগেও রেলওয়ের একটি সেতু রয়েছে। ওই সেতুটি ১৯৩৭ সালে বৃটিশ সরকার নির্মান করেছিল। পুরানা রেলসেতু দিয়ে সকল ডাউন ট্রেন চলাচল করবে।

Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com

উপরে