শনিবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৭ | ২রা পৌষ, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ

Logo
Print

৪৭ বছরে মুক্তিযুদ্ধের চলচ্চিত্র মাত্র ৬০টি

প্রকাশের সময়: ১০:১৩ অপরাহ্ণ - বৃহস্পতিবার | ডিসেম্বর ৭, ২০১৭

চলচ্চিত্র একটি দেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে প্রতিনিধিত্ব করে। একটি দেশের জীবন্ত ইতিহাস সংরক্ষণ এবং পরবর্তী প্রজন্মের হাতে তুলে দিতে পারে এই চলচ্চিত্র। কিন্তু বাংলাদেশে এই বিষয়টিরই অভাব রয়ে গেছে বেশি। স্বাধীনতা অর্জনের পর গত ৪৬ বছরে মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে চলচ্চিত্র নির্মিত হয়েছে মাত্র ৫৯টি।

এর মধ্যে স্বাধীনতার আগেই নির্মিত হয় একটি চলচ্চিত্র। সে হিসেবে গত ৪৭ বছরে মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মিত চলচ্চিত্রের সংখ্যা মাত্র ৬০। এমনকি এসবের বেশিরভাগই প্রায় অভিন্ন কাহিনী এবং ধাঁচে তৈরি। হাতে গোণা কয়েকটি ছাড়া খুব বেশি বৈচিত্র্য নেই এসব চলচ্চিত্রে। চলচ্চিত্র নির্মাতা ও ইতিহাসবিদদের মতে, মুক্তিযুদ্ধের বিশালতা বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে কখনোই ফুটে উঠেনি।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে স্বাধীনতা যুদ্ধ নিয়ে আন্তর্জাতিক মানের চলচ্চিত্র রয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশে এখনো এ ধরনের মানের চলচ্চিত্র নির্মাণের উদ্যোগই নেননি কেউ। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নির্মাতাদের আগ্রহের অভাব এবং সরকারি অনুদানের অভাবে মুক্তিযুদ্ধের কাহিনী নির্ভর ছবি বরাবরই থেকে গেছে অবহেলায়। এমনকি উপযুক্ত সংরক্ষণের অভাবে হারিয়ে যাচ্ছে নির্মিত চলচ্চিত্রগুলোও।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভে মাত্র ১৯টি ছবি সংরক্ষিত আছে। আর কিছু চলচ্চিত্র আছে মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের কাছে। কিন্তু সেগুলো এখন প্রদর্শনের অযোগ্য। অযত্নে নষ্ট হয়ে গেছে চলচ্চিত্রগুলোর বেশির ভাগ প্রিন্ট। বাংলাদেশের বিশেষ দিবসে টিভি চ্যানেলগুলোতে প্রচার হওয়ার মতো চলচ্চিত্র খুব একটা নেই।

স্বাধীনতা অর্জনকারী পৃথিবীর প্রায় প্রতিটি দেশই নিজেদের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে অসংখ্য চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছে। পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে এখনো নির্মিত হচ্ছে নিজেদের স্বাধীনতার পটভূমিতে নির্মিত চলচ্চিত্র। কিন্তু বাংলাদেশের চিত্র উল্টো। গড় হিসেবে বছরে মাত্র একটি ছবি তৈরি হয়েছে বাংলাদেশে। মুক্তিযুদ্ধের চলচ্চিত্র কম নির্মাণের কারণ হিসেবে অনেকে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার অভাবকে দায়ী করেছেন। তাদের মতে, সরকার চাইলেই এ সংখ্যা বাড়ানো সম্ভব। সেক্ষেত্রে অনুদান আরো বাড়াতে হবে।

ঢাকায় বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশন (এফডিসি) নির্মিত হওয়ার পর থেকে জীবনঘনিষ্ঠ ছায়াছবি নির্মিত হলেও মূলত মুক্তি সংগ্রামের বিষয়টিকে সেলুলয়েডের পর্দায় বন্দি করার প্রথম উদ্যোগ নেন জহির রায়হান। প্রকৃত মুক্তির আকাঙ্খা আর সংগ্রামকে প্রথম তিনি সেলুলয়েডের ফিতায় মূর্ত করে তোলেন ‘জীবন থেকে নেয়া’ চলচ্চিত্রে। আমজাদ হোসেনের কাহিনী অবলম্বনে জহির রায়হান পরিচালিত ১৯৭০ সালে নির্মিত এ ছবিটি জীবনঘনিষ্ঠতায়, মহাকাব্যিক গভীরতায় সর্বোপরি বিষয়ের মহত্বে এক অবিস্মরণীয় সৃষ্টিতে পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে মুক্তি সংগ্রামকে একটি পরিবারের গল্পের মধ্যে আবদ্ধ করে চোখে আঙুল দিয়ে জহির রায়হান দেখিয়ে দিয়েছেন চলচ্চিত্র আর সংগ্রাম হাত ধরাধরি করে চলে।

এরপর একে একে নির্মিত হয় ‘ওরা ১১ জন’, ‘কখনো আসেনি’, ‘জয় বাংলা‘, ‘কলমীলতা’, ‘আবার তোরা মানুষ হ’, ‘অশ্রু দিয়ে লেখা’ প্রভৃতি।

জাতীয় ‍মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর, বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ এবং উইকিপিডিয়া’র তথ্যানুসারে, ১৯৭০ সাল থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত মাত্র ৬০টি চলচ্চিত্র নির্মিত হয়েছে। এর মধ্যে অধিকাংশই হচ্ছে সরকারি অনুদানে। প্রাপ্ত তথ্য মতে, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম চলচ্চিত্র নির্মিত হয় ১৯৭০ সালে। ‘জীবন থেকে নেয়া’ শিারোনামের চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করেন জহির রায়হান। যদিও এটি বায়ান্ন’র ভাষা আন্দোলন নিয়ে নির্মিত। তবুও এতে মুক্তিযুদ্ধের আবেদন, প্রেক্ষাপট ফুটে ওঠে।

মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সর্বাধিক সিনেমা মুক্তি পায় স্বাধীনতার পরের বছর। এরপর ২০১৪ ও ২০১৫ সালে। ওই তিনটি বছর ৫টি করে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র নির্মিত হয়।

১৯৭১-এর স্বাধীনতা যুদ্ধের পর চাষী নজরুল ইসলাম প্রথম নির্মাণ করেন মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র ‘ওরা ১১ জন’। এই চলচ্চিত্রটি ১৯৭২ সালের ১১ আগস্ট মুক্তি পায়। মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম অনুষঙ্গ ‘ছয় দফা আন্দোলন’ নিয়ে একই বছর মুক্তি পায় ‘জয় বাংলা’। এটি পরিচালনা করেন ফখরুল আলম। একই বছরের ৮ নভেম্বর মুক্তি পায় সুভাষ দত্তের ‘অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী’। ১৫ ডিসেম্বর মুক্তি পায় দুটো চলচ্চিত্র। আনন্দ পরিচালিত ‘বাঘা বাঙালী’ এবং মমতাজ আলী পরিচালিত ‘রক্তাক্ত বাংলা’।

১৯৭৩ সালে মুক্তি পায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চারটি চলচ্চিত্র। প্রখ্যাত চলচ্চিত্রকার আলমগীর কবিরের ‘ধীরে বহে মেঘনা’, খান আতাউর রহমান পরিচালিত ‘আবার তোরা মানুষ হ’, আলমগীর কুমকুমের ‘আমার জন্মভূমি’ এবং কবীর আনোয়ার পরিচালিত ‘শ্লোগান’।

১৯৭৪ সালেও মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চারটি চলচ্চিত্র মুক্তি পায়। নারায়ণ ঘোষ মিতা পরিচালিত ‘আলোর মিছিল’, চাষী নজরুল ইসলাম পরিচালিত ‘সংগ্রাম’, আনন্দ পরিচালিত ‘কার হাসি কে হাসে’ এবং মোহাম্মদ আলী পরিচালিত ‘বাংলার ২৪ বছর’।

১৯৭৫ সালে ‍কোনো চলচ্চিত্র মুক্তি পায়নি। ১৯৭৬ সালে মুক্তি পায় হারুন-উর-রশিদ পরিচালিত ‘মেঘের অনেক রঙ’। ১৯৮১ সালে মুক্তি পায় শহীদুল হক খান পরিচালিত ‘কলমীলতা’।

১৯৯৩ সালে মুক্তি পায় শিশুতোষ প্রথম মুক্তিযুদ্ধের ছবি হারুনুর রশীদ পরিচালিত ‘আমরা তোমাদের ভুলব না’। একই বছর মুক্তি পায় নাসির উদ্দীন ইউসুফ পরিচালিত ‘একাত্তরের যীশু’।

১৯৯৪ সালে মুক্তি পায় দুটি চলচ্চিত্র। কাজী হায়াৎ পরিচালিত ‘সিপাহী’ এবং কিংবদন্তী কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ পরিচালিত ‘আগুনের পরশমণি’।

১৯৯৫ সালে মুক্তি পায় তানভীর মোকাম্মেল পরিচালিত ‘নদীর নাম মধুমতি ’।  ১৯৯৭ সালে মুক্তি পায় দুটো চলচ্চিত্র খান আতাউর রহমান পরিচালিত ‘এখনো অনেক রাত’ এবং চাষী নজরুল ইসলাম পরিচালিত ‘হাঙ্গর নদী গ্রেনেড’। পরের বছর মুক্তি পায় নাজির উদ্দীন রিজভী পরিচালিত ‘৭১ এর লাশ’।

দু’বছর পর ২০০০ সালে মুক্তি পায় শামীম আখতার পরিচালিত ‘ইতিহাস কন্যা’ পরের বছর মুক্তি পায় বি.এম সালাউদ্দিনের ‘একজন মুক্তিযোদ্ধা’। ২০০২ সালে মুক্তি পায় দুটি চলচ্চিত্র। শামীম আখতারের ‘শিলালিপি’ এবং তারেক মাসুদ পরিচালিত ‘মাটির ময়না’। ২০০৪ সালে মুক্তি পায় তৌকির আহমেদ পরিচালিত ‘জয়যাত্রা’, হুমায়ূন আহমেদ-এর ‘শ্যামল ছায়া’ এবং চাষী নজরুল ইসলামের ‘মেঘের পরে মেঘ’।

২০০৬ সালে মুক্তি পায় চাষী নজরুল ইসলামের ‘ধ্রুবতারা’ এবং মোরশেদুল ইসলামের  ‘খেলাঘর’। বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্মরণে ২০০৭ সালে খিজির হায়াত খান নির্মাণ করেন ‘অস্তিত্বে আমার দেশ – ‘Come Know Your Country’। একই বছর মুক্তি পায় বর্তমান সময়ের অন্যতম আলোচিত নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী নির্মিত স্পার্টাকাস’৭১।

তানভীর মোকাম্মেল পরিচালিত ‘রাবেয়া’ মুক্তি পায় ২০০৮ সালে। ২০১০ সালে মুক্তি পায় মুশফিকুর রহমান গুলজার পরিচালিত ‘নিঝুম অরন্যে’ এবং তারেক মাসুদের ‘নরসুন্দর’। ২০১১ সালে মুক্তি পায় তিনটি চলচ্চিত্র। মোরশেদুল ইসলামের ‘আমার বন্ধু রাশেদ’, নাসিরুদ্দিন ইউসুফের ‘গেরিলা’ এবং রুবাইয়াত হোসেনের ‘মেহেরজান’। ২০১২ সালে মুক্তি পায় চারটি চলচ্চিত্র। শাহজাহান চৌধুরীর ‘আত্মদান’, আনোয়ার শাহাদাতের ‘কারিগর’, বদরুল আনাম সৌদের ‘খণ্ড গল্প’ ৭১’ এবং মাসুদ আখন্দ পরিচালিত ‘পিতা’।

২০১৩ সালে মুক্তি পায় তানভীর মোকাম্মেলের ‘জীবনঢুলী’ এবং মিজানুর রহমান শামীমের ‘৭১ এর গেরিলা’। ২০১৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত পাঁচটি চলচ্চিত্র হচ্ছে- মনসুর আলীর ‘৭১-এর সংগ্রাম’, জাহিদুর রহিম অঞ্জনের ‘মেঘমল্লার’, গোলাম মোস্তফা শিমুলের ‘অনুক্রোশ’, সাদেক সিদ্দিকীর ‘হৃদয়ে ৭১’ এবং শাহ আলম কিরণের ‘৭১ এর মা জননী’।

২০১৫ সালে মুক্তি পায় সোহেল আরমানের ‘এইতো প্রেম’, মানিক মানবিকের ‘শোভনের স্বাধীনতা’, মোরশেদুল ইসলামের ‘অনীল বাগচীর একদিন’, মান্নান হীরার সিনেমা ‘একাত্তরের ক্ষুদিরাম’ এবং রিয়াজুল রিজুর ‘বাপজানের বায়োস্কোপ’।

২০১৬ সালে মুক্তিযুদ্ধের দুটি চলচ্চিত্র নির্মিত হয়েছে। এগুলো হলো- লাল সবুজের সুর ও ভূবন মাঝি। সর্বশেষ চলতি বছরের মার্চে মুক্তি পায় মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক সিনেমা ‘ভুবন মাঝি’। এটি পরিচালনা করেন ফখরুল আরেফিন খান। এছাড়া বর্তমানে শুটিং চলছে মিজানুর রহমান শামীমের ‘বীর বাঙালী’ সিনেমার। এটি মুক্তি পেলে দেশে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সিনেমার সংখ্যা হবে ৬১।

এর বাইরে ২০১৪ সালে ভারতীয় পরিচালক মৃত্যুঞ্জয় দেবব্রত নির্মাণ করেন ‘চিল্ড্রেন অফ ওয়ার’ যা ‘যুদ্ধশিশু’ নামে বাংলাদেশে মুক্তি পায়। চলচ্চিত্রটিতে একাত্তরে পাকিস্তানি সেনাদের নির্মম নির্যাতনের শিকার বাঙালি নারীদের ভয়াবহ যন্ত্রণাকে তুলে ধরা হয়।

মুক্তিযুদ্ধের মতো এত বড় একটি ঘটনার প্রতি চলচ্চিত্রকাররা কেন এত উদাসীন, এ প্রসঙ্গে কয়েকজন নির্মাতা বলেন, ‘প্রথম থেকেই মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্রও বেনিয়াদের বাণিজ্যিক লক্ষ্যে পরিণত হয়। কিছু বিষয় সরলরৈখিকভাবে সব ছবিতে চলে আসে। ধর্ষণ দৃশ্যকে ত্রুটিপূর্ণভাবে উপস্থাপন, পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও রাজাকার-আল বদরদের অপকর্মকে বস্তুনিষ্ঠ ও সামগ্রিকভাবে তুলে ধরা হয়নি।’

তারা বলছেন, তবে মূল ধারার চলচ্চিত্রের সর্বব্যাপী হতাশার পাশে আশার আলো দেখাচ্ছে বিকল্প ধারার চলচ্চিত্র। এর মধ্যে মোরশেদুল ইসলামের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ছবি ‘আগামী’, ‘সূচনা’, ‘আমার বন্ধু রাশেদ’, মোস্তফা কামালের ‘প্রত্যাবর্তন’, আবু সায়ীদের ‘ধূসর যাত্রা’, খান আখতার হোসেনের ‘দুরন্ত’, তানভীর মোকাম্মেলের ‘স্মৃতি-৭১’, নাসির উদ্দীন ইউসুফের ‘একাত্তরের যীশু’ উল্লেখযোগ্য।

বিশিষ্ট চলচ্চিত্র নির্মাতা মাসুদ আখন্দ বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র নির্মাণের ক্ষেত্রে প্রথম থেকেই কেমন যেন হেয়ালী হয়ে আসছে। আমাদের কষ্টার্জিত স্বাধীনতা আগামী প্রজন্মের প্রতি তুলে দিতে হলে সঠিক তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে চলচ্চিত্র নির্মাণের ব্যতিক্রম নেই।

তিনি বলেন, ‘বর্তমানে অনেকেই এ বিষয়ে ছবি নির্মাণে এগিয়ে আসছে। তবে মুক্তিযুদ্ধের চলচ্চিত্র নির্মাণের ক্ষেত্রে সরকারের আরো অনুদান বাড়ানো উচিত।’

সামগ্রিক বিষয়ে তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেন, ‘নির্মাতাদের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের চলচ্চিত্র নির্মাণের প্রবণতা কম। এটি সবচেয়ে বড় সমস্যা। কারণ, মুক্তিযুদ্ধ চলচ্চিত্র, সর্টফিল্ম কিংবা ডকুমেন্টারি তৈরির জন্য সরকার সবসময় অনুদান ও সহায়তা করার জন্য আগ্রহী।’

তিনি বলেন, ‘আগামী প্রজন্মের কাছে এর সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে মুক্তিযুদ্ধের চলচ্চিত্র নির্মাণে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের বিশালতা নিয়ে ভাবতে হবে, সে হিসেবে চিত্রনাট্য তৈরি করা জরুরী। এ বিষয়ে প্রয়োজনে গবেষণা করে নতুন নতুন ফোকাস টপিক বের করে আনতে হবে। প্রয়োজনীয় সাহায্য আমরা করবো।’


আর্কাইভ

Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com

উপরে