রবিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ | ৮ই আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

Logo
Print

১৯৯টি দেশে ৭৪৪টি পণ্য রপ্তানি করছে বাংলাদেশ: বাণিজ্যমন্ত্রী

প্রকাশের সময়: ৫:২২ অপরাহ্ণ - বৃহস্পতিবার | মার্চ ৮, ২০১৮

কারেন্টনিউজ ডটকমডটবিডি: বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শূন্য হাতে যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশ পরিচালনার দায়িত্বভার গ্রহণ করেছিলেন। এ মার্চ মাসেই বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করেছিল। বাংলাদেশ ১৯৭২ থেকে ১৯৭৩ সালে ২৫টি পণ্য ৬৮টি দেশে রপ্তানি করে আয় করতো ৩৪৮.৪২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। আজ বিশ্বের প্রায় ১৯৯টি দেশে ৭৪৪টি পণ্য রপ্তানি করে আয় করছে প্রায় ৩৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

বৃহস্পতিবার (৮ মার্চ) হংকং-এর হোটেল শেরাটন এইচকে-তে প্রাইম সোর্স ফোরাম আয়োজিত দুই দিনব্যাপী ‘১৩তম প্রাইম সোর্স ফোরাম’এর ‘দি গ্লোবাল ফ্যাশন ইন্ডাষ্ট্রি এন্ড ইকোনমিক অপরচুনিটিস ফর বাংলাদেশ’ শীর্ষক কীনোট উপস্থাপনের সময় এসব কথা বলেন তিনি।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ বিনিয়োগের জন্য আকর্ষণীয় স্থান। বাংলাদেশে এখন চমৎকার বিনিয়োগের পরিবেশ বিরাজ করছে, দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অবস্থা বিগত যেকোন সময়ের চেয়ে অনুকূল। বাংলাদেশ সরকার বিনিয়োগকারীদের আকর্ষণীয় সুযোগ-সুবিধা প্রদান করছে। বিনিয়োগকারীরা এখন শতভাগ বিনিয়োগ করতে পারবেন, প্রয়োজনে বিনিয়োগকৃত শতভাগ অর্থ এবং লাভ ফিরিয়ে নিতে পারবেন। পণ্য রপ্তানি ক্ষেত্রে ডাবল টেক্স সিসটেম প্রত্যাহার করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত ১০০টি স্পেশাল ইকোনমিক জোনে হংকং-এর বিনিয়োগকারীগণ বিনিয়োগ করলে লাভবান হবেন।

তিনি বলেন, ২০২১ সালে বাংলাদেশ হবে ডিজিটাল মধ্য আয়ের দেশ। এ সময় মোট রপ্তানির পরিমাণ দাঁড়াবে ৬০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এরমধ্যে তৈরি পোশাক রপ্তানি করে আয় হবে ৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ব্যাংকে বৈদেশিক মূদ্রার রিজার্ভ ৩৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি, রেমিটেন্স আসছে প্রায় ১৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। দেশের অর্থনীতি দ্রত এগিয়ে যাচ্ছে। বড়বড় প্রকল্প বাংলাদেশ সরকার নিজ অর্থে বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে।

তোফায়েল আহমেদ বলেন, বাংলাদেশ বিশ্বের মধ্যে দ্বিতীয় বৃহত্তম তৈরি পোশাক রপ্তানি কারক দেশ। দেশের রপ্তানির প্রায় ৮১ ভাগ আসে তৈরি পোশাক রপ্তানি থেকে। জিডিপিতে এ সেক্টরের অবদান প্রায় ১৩ ভাগ। এ শিল্পে জনবল প্রায় ৫০ লাখ। এর মধ্যে প্রায় ৮০ ভাগই নারী। দেশের তৈরি পোশাক কারখানাগুলোকে অত্যাধুনিক করে গড়ে তোলা হয়েছে। ইউএসগ্রীন বিল্ডিং কাউন্সিল স্বীকৃত ৬৭টি গ্রীন ফ্যাক্টরি রয়েছে। নিবন্ধিত রয়েছে আরো ২২০টি। এবার ইউএস গ্রীন বিল্ডিং কাউন্সিল যে ১০টি তৈরি পোশাক ফ্যাক্টরিকে এনার্জি এন্ড ইনভায়রনমেন্টাল ডিজাইন (এলইইডি) সার্টিফিকেট দিয়েছে তারমধ্যে বাংলাদেশের ৭টি রয়েছে। এরমধ্যে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান দখলকারী প্রতিষ্ঠান তিনটিও বাংলাদেশের। বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত এখন শক্ত ভিত্তির উপর দাঁড়িয়ে আছে।

Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com

উপরে