সোমবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ | ৯ই আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

Logo
Print

শ্রমিক নেতা হত্যা মামলায় একজনের মৃত্যুদন্ড

প্রকাশের সময়: ৫:৫৬ অপরাহ্ণ - রবিবার | এপ্রিল ৮, ২০১৮

কারেন্টনিউজ ডটকম ডটবিডি:

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি: পোশাক শ্রমিক নেতা আমিনুল ইসলাম হত্যা মামলায় মোস্তাফিজুর রহমান নামে একজনকে মৃত্যুদন্ড দিয়েছে টাঙ্গাইলের স্পেশাল জজ আদালত। নিহত আমিনুল ইসলাম বাংলাদেশ সেন্টার ফর ওয়ার্কার্স সলিডারিটির (বিসিডব্লিউএস) সংগঠক ও বাংলাদেশ গার্মেন্টস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্কার্স ফেডারেশনের নেতা ছিলেন। দন্ডিত মোস্তাফিজুর রহমান (২৩) মাগুরা জেলার কাদিরপাড়া (পূর্বপাড়া) এলাকার সমসের কারিগরের ছেলে। তিনি বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। রোববার টাঙ্গাইল বিশেষ জজ আদালতের বিচারক ওয়াহেদুজ্জামান শিকদার এই আদেশ দেন। এ সময় আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা উপস্থিত ছিলেন। তবে এই মামলার একমাত্র আসামী মাগুড়া জেলার মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান এখনো পলাতক রয়েছে। তার অনুস্থিতিতেই বিজ্ঞ আদালত এই রায় দেন।
উল্লেখ্য, ২০১২ সালের ৪ এপ্রিল আশুলিয়া থেকে নিখোঁজ হওয়ার পরদিন তার ক্ষতবিক্ষত মরদেহ ৫ এপ্রিল সকালে টাঙ্গাইল- ময়মনসিংহ মহাসড়কের ঘাটাইল উপজেলার ব্রাহ্মণশাসন এলাকা থেকে এক অজ্ঞাত মৃত ব্যাক্তির মরদহ উদ্ধার করে ঘাটাইল থানা পুলিশ। মরদেহটির কোন পরিচয় না পেয়ে থানা ও আঞ্জুমানে মফিদুল কর্তৃপক্ষ সেটি বেওয়ারিশ মরদেহ হিসেবে ৬ এপ্রিল টাঙ্গাইল গোরস্থানে দাফন করে। পরে জানা যায়, অজ্ঞাত ব্যক্তি মরদেহটিই সাভার-আশুলিয়ার গামেন্টস শ্রমিক নেতা আমিনুল ইসলাম। তাকে হত্যা করে এখানে ফেলে রেখে যায় অজ্ঞাতরা। বেওয়ারিশ হিসেবে আমিনুলের মরদেহ উদ্ধারের পর অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা করে থানা পুলিশ।
পরে পরিচয় পাওয়ার পর আত্মীয়-স্বজনরা ৭ এপ্রিল তার মরদেহ উত্তোলন করে আমিনুল ইসলামের গ্রামের বাড়ি গাজীপুর জেলার হিজলহাটি গ্রামে নিয়ে দাফন করে। এ ঘটনায় আমিনুলের ভাই রফিকুল ইসলাম এ ঘটনায় মোস্তাফিজুর রহমান ও বোরকা পরা অজ্ঞাতনামা এক নারীকে আসামি করে ঘাটাইল থানায় আরেকটি মামলা দায়ের করেন।
এ মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, এক নারীকে সঙ্গে নিয়ে ২০১২ সালের ৪ এপ্রিল সন্ধ্যায় আমিনুলের আশুলিয়ার সংগঠনের কার্যালয়ে যান মোস্তাফিজ। তারা আমিনুলকে ডেকে নেয়ার পর থেকেই তিনি নিখোঁজ ছিলেন।

 

Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com

উপরে