রবিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ | ৮ই আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

Logo
Print

বগুড়ায় ইরি-বোরো আবাদ ব্লাস্ট রোগে আক্রান্ত, হতাশ কৃষকরা

প্রকাশের সময়: ৩:৪৩ অপরাহ্ণ - রবিবার | এপ্রিল ১৫, ২০১৮

কারেন্টনিউজ ডটকম ডটবিডি:
বগুড়া প্রতিনিধি :: বগুড়ায় ইরি-বোরো আবাদ ব্লাস্ট রোগে আক্রান্ত কৃষকরা হতাস। ধানের আবাদে ব্লাস্ট রোগে আক্রান্ত হওয়ায় কৃষকরা ক্ষতির সম্মুখিন হয়েছে। জানা যায়, বগুড়া জেলার গাবতলী উপজেলায় ১৮,১০০ হেক্টর জমিতে এ বছর ইরি-বুরো আবাদ করা হয়েছে। এর মধ্যে ২ হেক্টর জমির ধান ফসল ব্লাস্ট রোগে আক্রান্ত হয়েছে। সারিয়াকান্দি উপজেলায় ১৪,২১৫ হেক্টর জমিতে ইরি-বুরো আবাদ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩ হেক্টর জমিতে ধান ফসল ব্লাস্ট রোগে আক্রান্ত হয়েছে। আগামী ১ মাসের মধ্যেই পাকা ধান ঘরে উঠানোর আশা করছে কৃষকরা। কিন্তু হঠাৎ করে ব্লাস্ট রোগে ধানের আবাদ আক্রান্ত হওয়ায় তারা খুব চিন্তিত। কৃষি অধিদপ্তর সূত্রে জানাগেছে এ মৌসুমে দিনে গরম ও রাতে ঠান্ডা থাকার করনে একজাতীয় ছত্রাক নাশক ব্লাস্ট রোগ বাতাসের মাধ্যমে ধান ক্ষেতে ছড়িয়ে পরছে। ফলে আক্রান্ত জমিতে থাকা ধানের শীষগুলো মরে যাচ্ছে। এর ফলে ফসল উৎপাদন ব্যহত হচ্ছে। ক্ষতির মুখে পরছে কৃষকরা। গাবতলী উপজেলার নেপালতলী ইউনিয়নের শাহবাজপুর গ্রামের অধিকাংশ কৃষকের ধান আবাদ ব্লাস্ট রোগে আক্রান্ত হয়েছে। গাবতলী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সোহেল মোঃ শামস উদ্দিন ফিরোজ এর নেতৃত্বে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাগণ রবিবার সকাল ১০টায় মাঠে মাঠে জরিপ চালিয়ে আক্রান্ত জমিগুলো সনাক্ত করে লাল পতাকা টানিয়ে দিয়ে কৃষকদের সকর্ত করা হচ্ছে। এসময় কৃষি কর্মকর্তা সোহেল মোঃ শামস উদ্দিন ফিরোজ জানান ব্লাস্ট রোগ সম্পর্কে কৃষকদের আগেই সতর্ক করা হয়েছিলো এবং ছত্রাক নাশক ঔষধ ব্যবহার করার পরামর্শ প্রদান করা হয়। যারা জমিতে ছত্রাক নাশক ঔষধ ব্যবহার করেছে তাদের জমির ফসল ব্লাস্ট রোগে আক্রান্ত হয় নি। অপরদিকে সারিয়াকান্দি উপজেলার কৃষকরা অভিযোগ করেন যে, এখন পর্যন্ত কৃষি অফিসের কোন লোক তাদের পরামর্শ দিতে আসেনি। গত সপ্তাহে কৃষি অফিস থেকে সচেতনতামূলক লিপলেট বিতরণ ছাড়া তাদের কোন ভূমিকা চোখে পরে নি। সারিয়াকান্দি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাহাদুজ্জামান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ধান ক্ষেতগুলো ব্লাস্ট রোগে আক্রান্ত হলেও উৎপাদন ব্যহত হওয়ার সম্ভাবনা নাই।

Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com

উপরে