রবিবার, ১৮ নভেম্বর, ২০১৮ | ৪ঠা অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

Logo
Print

দক্ষিণ চীন সাগরে আবারও উত্তেজনা

প্রকাশের সময়: ১১:৫১ পূর্বাহ্ণ - সোমবার | মে ২৮, ২০১৮

কারেন্টনিউজ ডটকম ডটবিডি:

মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্রবাহী জাহাজ- ইউএসএস হিগিনস এবং ক্রুজার অ্যান্টাইট্যাম দক্ষিণ চীন সাগরে পারাসেল দ্বীপের ১২ নটিক্যাল মাইলের ভেতরে পৌঁছানোর পর তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে চীন। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে, মার্কিন যুদ্ধজাহাজ বিনা অনুমতিতে চীনের সমুদ্রসীমায় ঢুকে তাদের সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ন করেছে এবং স্পষ্টতই চীনকে উস্কানি দেয়া হচ্ছে।

রোববার বেইজিং দাবি করেছে, দক্ষিণ চীন সাগরের কাছে প্যারাশেল দ্বীপপুঞ্জের চারটি দ্বীপ ‘ট্রি’, ‘লিঙ্কন’, ‘ট্রাইটন’ ও ‘উডি’-র লাগোয়া এলাকায় দুটি মার্কিন রণতরী ‘হিগিন্স গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ার’ এবং ‘অ্যান্টিয়েটাম’-কে ঘোরাঘুরি করতে দেখা যাচ্ছে। মার্কিন যুদ্ধ জাহাজ দু’টিকে দ্রুত চলে যেতে বলার জন্য যুদ্ধ জাহাজ এবং যুদ্ধ বিমান পাঠানো হয়েছে।

শান্তি ফেরাতে যখন উত্তর কোরিয়ার দিকে হাত বাড়াতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে ওয়াশিংটন, তখন দক্ষিণ চীন সাগরের কাছে দুটি মার্কিন রণতরীর এই নজরদারিতে বেইজিং উদ্বিগ্ন।

বিশেষজ্ঞদের বরাত দিয়ে আনন্দবাজারের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দক্ষিণ চীন সাগরের কাছে মার্কিন রণতরীর এই অভিযান পূর্ব নির্ধারিত ছিল। এমন রুটিন অভিযান এর আগেও হয়েছে। তবে এই অভিযান নিয়ে বেইজিংয়ের বাড়তি উদ্বেগের কারণ, কিছু দিন আগেই বিভিন্ন দেশের সঙ্গে নৌবাহিনীর যৌথ মহড়ায় আমেরিকা অন্য কয়েকটি দেশকে আমন্ত্রণ জানালেও চীনকে ডাকেনি। যা চীন-মার্কিন সম্পর্কের অবনতিরই প্রমাণ।

দুটি মার্কিন রণতরীর নজরদারি নিয়ে বেইজিংয়ের উদ্বেগ প্রকাশের প্রেক্ষিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের দুই অফিসার জানিয়েছেন, এটা রুটিন নজরদারি। এলাকাটা বিতর্কিত (চীনের দাবি অনুযায়ী, তাদের এলাকা নয়) বোঝাতেই এই নজরদারি। ওই দুটি মার্কিন রণতরী প্যারাশেল দ্বীপপুঞ্জের ১২ নটিক্যাল মাইলের মধ্যে চলে এসেছিল। অভিযান চালানো হয়েছে প্যারাশেল দ্বীপপুঞ্জের চারটি দ্বীপ ‘ট্রি’, ‘লিঙ্কন’, ‘ট্রাইটন’ ও ‘উডি’-র লাগোয়া এলাকায়।

উপরে