মঙ্গলবার, ২০ নভেম্বর, ২০১৮ | ৬ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

Logo
Print

গ্রেপ্তার আতংকে পুরুষ শূণ্য ঝিনাইগাতীর পানাইতেবাড়ী

প্রকাশের সময়: ৫:২৪ অপরাহ্ণ - রবিবার | জুন ৩, ২০১৮

কারেন্টনিউজ ডটকমডটবিডি:

শেরপুর সংবাদদাতা : ডিবি পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় গ্রেপ্তার আতঙ্কে পূরুষ শূণ্য হয়ে পড়েছে শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার সদর ইউনিয়নের পানাইতেবাড়ী পাড়া। সন্ধ্যা হলেই ওই পাড়ার পুরুষরা ঘর-বাড়ি ছেড়ে আত্মীয়-স্বজনসহ নানা স্থানে আশ্রয় নিচ্ছেন গ্রেপ্তারের ভয়ে। আবার অনেকেই ঘটনার পর থেকেই অজানা স্থানে পালিয়ে বেড়ানোর ফলে পুরুষ শূণ্য হয়ে পড়েছে এলাকাটিতে। উল্লেখ্য গত ২০ মে উপপরিদর্শক (এসআই) মো. শফিকুল ইসলাম বাদি হয়ে ডিবি পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় ৩৭জনের নামে ও অজ্ঞাত ১১০থেকে ১১৫ ব্যক্তিকে আসামি করে মামলা করায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে গ্রামটিতে। মামলার সূত্রে জানা গেছে, গত ১৯মে রাত ৯টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঝিনাইগাতী ও শ্রীবরদী থানা সীমান্তবর্তী পানাইতেবাড়ী মোড় বাজারে মাদক দ্রব্য উদ্ধার এবং বিশেষ অভিযান পরিচালনাকালিন সময়ে মো. সুমন মিয়া (২৫) নামে এক মাদক ব্যবসায়ী কে গ্রেফতার করে শেরপুর জেলা ডিবি পুলিশ। এসময় তার শরীর তল­াশী করে ৫৫ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। কিন্তু সমুনকে গ্রেফতারের পর তার চাচা মো. শাহজাহান (৪০) এর নেতৃত্বে এবং আসামীর বড় ভাই সহ ১৫০জন ব্যক্তি লাঠি/শোঠা হাতে নিয়ে ডিবি পুলিশের উপর হামলা চালিয়ে তাকে সমুনকে ছিনিয়ে নেয়। এসময় মোবাইলসহ প্রায় ৮ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয় ডিবি পুলিশের নিকট থেকে। পরবর্তীতে আসার পথে বাধা প্রদান করে আক্রমণ চালাইলে ৫ জন ডিবি পুলিশ আহত হয়। এ ঘটনায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই)মো. শফিকুল ইসলাম ৩৭জনের নামে ও অজ্ঞাত ১১০/১১৫জন ব্যক্তিকে আসামী করে ঝিনাইগাতী থানায় মামলা দ্বায়ের করেন মামলা নং ১৩ তাং২০/৫/১৮ইং। এদিকে ভুক্তভোগী শফিকুল ইসলাম জানান, ঘটনার সাথে তাদের কোন সংশ্লিষ্টতা না থাকলেও তাদের নামে মিথ্যা হয়রানি মূলক মামলা দ্বায়ের করা হয়েছে। তাই মামলার পর থেকেই তারা পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। ভুক্তভোগী আসামী সাদ্দামের মা হাবিবা বলেন, মনে করেন এ ঘটনার ২দিন আগেই আমার ছেলেকে আরেক মামলায় ধরে নিয়ে গেছে তার পরেও আমার ছেলেকে মিথ্যা ঘটনা দিয়ে আবার আসামী দিয়েছে যারা এ ঘটনার সাথে জড়িত তাদের বাদ দিয়ে আমাদের নাম দিয়েছে। বর্তমান ওই ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আসাদুল ইসলাম বলেন, আমাদের এলাকায় একজন দোষী লোককে ধরার কারণে একটি ঘটনা ঘটিয়েছে যার ফলে একটি মামলাও হয়েছে। ওই লোকের সাথে সহযোগীতা করার জন্য কিছু নির্দোষ ব্যক্তিকে আসামী করার কারণে এ এলাকার ভিতরে একজন মানুষও নাই এবং কি রমযান মাসে মসজিদেও গ্রেফতারের আতংকে নামায পড়ার মতো কোন মুসল্লি আসে না। তিনি দোষি ব্যাক্তিদের শাস্তি দাবি করে নিরহ লোকদের নামে মামলা তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়ার আহবান রাখেন। এ ব্যাপারে ডিবি এস আই সজিব জানান মামলাটি তদন্ত চলছে দোষি ব্যাক্তিরা আইনের আওতায় আসবে সাধারণ নিরহ মানুষ হযরাণী হবে না এ মামলায় ২জন কে গ্রেফতার করে কোর্টে সোপর্দ করা হয়েছে।

উপরে