মঙ্গলবার, ১৩ নভেম্বর, ২০১৮ | ২৯শে কার্তিক, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

Logo
Print

নাসিরনগরে মিথ্যা মামলা দিয়ে আলেম স্বামীকে হয়রানীর অভিযোগ স্ত্রী’র বিরুদ্ধে

প্রকাশের সময়: ৭:৩৯ অপরাহ্ণ - মঙ্গলবার | জুন ২৬, ২০১৮
কারেন্টনিউজ ডটকম ডটবিডি: 
মোঃ আব্দুল হান্নান, নাসিরনগর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া: জেলার নাসিরনগর উপজেলার গোকর্ণ ইউনিয়নের ব্রাহ্মণশাসন গ্রামের মৃত আমজাদ আলীর ছেলে ও ঢাকা যাত্রাবাড়ী মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা মোঃ মুফাচ্ছিরুল হক (২৬) সহ পরিবারের ৫জনকে তার স্ত্রী প্রতিবেশী গোকর্ণ গ্রামের মাহিদুল ইসলামের মেয়ে তামীমা আক্তার মিথ্যা নারী ও শিশু নির্যাতন মামলা দিয়ে হয়রানী করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
মুফাচ্ছিরুল হক ও তার বড় ভাই মোজাম্মেল হক এ প্রতিনিধিকে জানান ৩ ফেব্রুয়ারী ২০১৭ তােিখ ২০ হাজার টাকা দেনমোহরে তামীমার সাথে মোজাচ্ছিরুলের বিয়ে হয়। বিয়ের পর তাদের গর্ভে ১টি পুত্র সন্তানের জন্ম হয়। কিন্তু একজন আলেমের স্ত্রী হয়েও তামীমা বেপরোয়া ভাবে চলাফেরা শুরু করে। তামীমার বেপরোয়া চলাফেরাায় স্বামী ও শ্বশুর বাড়ীর লোকজন বাধা দিলে সে কিছুতেই কর্ণপাত করে না। তার বেপরোয়া চলা ফেলা বাধা দেওয়ায় তামীমার পিতা মাহিদুল ইসলাম ও তার ছেলে সাইফুল ইসলাম, নজরুল ইসলাম, ইমরান মিয়া,জয়নুল মিয়া, শান্ত মিয়া ও মাওলানা আনোয়ারুল হুদা মিলে মোজাচ্ছিরুলের বাড়ীতে গিয়ে তার ঘরে প্রবেশ করে মোফাচ্ছিরুলকে গলায় গামছা প্যাছিয়ে প্রচন্ড মারপিট করে তামীমাকে তাদের বাড়ীতে নিয়ে যায়। এই বিষয়ে  মোফাচ্ছিরুলের পরিবারের লোকজন বিচারের স্থানীয়  গোকর্ণ ইউপি চেয়ারম্যান  মোঃ হাসান খানের স্মরণাপন্ন হলে তিনি বিষয়টি শেষ করে দিবে বলে আশ্বাস দেয়।বিচারের নামে এভাবে চেয়ারম্যান দীর্ঘদিন তাদের ঘুরাতে  থাকে। ওই ফাঁকে গত ১৩ মে ২০১৮ তারিখে তামীমা বেগম বাদী হয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন টাইব্রুনালে শ্বামী  মোফাচ্ছিরুল হক, ভাসুর মোজাম্মেল হক. নুরুল হক. মর্জিনা বেগম, জোসেদা বেগমের নামে পি-৪২৭/১৮ মামলার দায়ের করে। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে নাসিরনগর উপজেলা মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তাকে তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।
উল্লেখ্য তামীমার মামলার সূত্রে ঘটনার তারিখ ৮ মে ২০১৮ রোজ মঙ্গলবার সময় অনুমান সকাল ১০ ঘটিকায় উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু  মোফাচ্ছিরুল হক ও তার পরিবারের  লোকজনের দাবী ঘটনার সময় ও তারিখে মোফাচ্ছিরুল হক জামিয়া ইসলামিয়া দারুল উলুম ওলামানগর মাদ্রাসা ঢাকা উপস্থিত থেকে পরীক্ষা দিচ্ছিলেন। মোফাচ্ছিরুল হকের পরিবারের দাবী মতে ঘটনার তারিখ ও সময়ে মোফাচ্ছিরুলু বাড়ীতে ছিল না।
নাসিরনগর উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা জেসমিন আরার  সাথে  যোগাযোগ করে মামলার সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখবেন বলে জানান।
তামীমার ভাই সাইফুল ইসলামের সাথে তার  মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমার বোনকে পুলিশের মাধ্যমে উদ্ধার করা হয়েছে।

উপরে