সোমবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ | ৯ই আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

Logo
Print

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে মাদ্রাসাছাত্রীর মৃত্যু : তদন্ত কমিটি গঠিত

প্রকাশের সময়: ১:৫৭ অপরাহ্ণ - শুক্রবার | আগস্ট ৩, ২০১৮

কারেন্টনিউজ ডটকম ডটবিডি
শাহার আলী, চুয়াডাঙ্গা: চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে সুমাইয়া খাতুন (১১) নামের এক চতুর্থ শ্রেণীর মাদ্রাসাছাত্রীর এ্যাপেনডিসাইটিস অপারেশনের দুই ঘন্টা পর মৃত্যু হয়েছে। সন্তান হারানোর পর পরিবার ও এলাকা জুড়ে শোক নেমে এসেছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

অপারেশনে দায়িত্বরত চিকিৎসকরা বলছেন এ দুর্ঘটনাটি কী ভাবে ঘটল তা বুঝতে পারছিনা। মাদ্রাসাছাত্রী অপারেশনের মৃত্যুর ঘটনায় সিভিল সার্জন তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। তদন্ত কমিটিকে তিন কার্য দিবসের মধ্যে মৃত্যু রহস্য উদঘাটন করে প্রতিবেদন দাখিল করার জন্য বলা হয়েছে।

নিহত মাদ্রাসা ছাত্রী সুমাইয়া খাতুন চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার পৌর এলাকার মুন্সিপাড়ার দিনমজুর শফিকুল ইসলামের ছোট মেয়ে ও কুড়ালগাছি দাখিল মাদ্রাসার ৪র্থ শ্রেণীর ছাত্রী।

সুমাইয়ার পরিবার জানান, বেশ কয়েক দিন ধরে তার পেটে যন্ত্রনা শুরু হয়। মঙ্গলবার সন্ধায় তাকে অসুস্থ্য অবস্থায় চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের মহিলা সার্জারি ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসক বুধবার তার শারিরীক পরীক্ষার পর এ্যাপেনডিসাইটিস হয়েছে বলেন এবং দ্রæত অপারেশন করার পরামর্শ দেন।

ডা. তারিক হাচান শাহিন বলেন, বৃহস্পতিবার সকালে সদর হাসপাতালে সুমাইয়ার শরীরে এ্যাপেনডিসাইটিসের জন্য অস্ত্রপচার করেন সার্জারি কনসালটেন্ট ডা. তারিক হাচান শাহিন ও এ্যানেসথেসিয়া কনসালটেন্ট ডা. গোলাম মুর্শিদ ডালিম। অপারেশন করার পর ওয়ার্ডে নেওয়ার দুই ঘন্টা পর কর্তব্যরত সিনিয়র ষ্টার্ফ নার্স দেখতে পান সে নরাচড়া করছে না। বিষয়টি কর্তব্যরত দুই চিকিৎসক এসে দেখেন মারা গেছে অনেক আগেই। কারণ তার শরীর ঠান্ডা ছিল। অপারেশনের আগে ও পরে সে সুস্থ্য এবং স্বাভাবিক ছিল। নিহতের লাশ বৃহস্পতিবার রাতে দাফন করা হয়েছে।

সিভিল সার্জন ডা. খাইরুল আলম জানান, এ্যাপেনডিসাইটিস অপারেশনে মাদ্রাসা ছাত্রীর মৃত্যুর বিষয়টি আমাকে ভাবিয়ে তুলেছে। কী কারণে মারা গেল সে তার রহস্য উদঘাটনে তিন সদস্যে বিশিষ্ট তদন্ত টিম করা হয়েছে।

 

Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com

উপরে