বুধবার, ১৪ নভেম্বর, ২০১৮ | ৩০শে কার্তিক, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

Logo
Print

১১ আগস্ট ইমরান খান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন

প্রকাশের সময়: ৪:১৫ অপরাহ্ণ - শুক্রবার | আগস্ট ৩, ২০১৮

কারেন্টনিউজ ডটকম ডটবিডি

ঘনিষ্ঠ কয়েকজন বন্ধুর বাইরে বিদেশী কোনো রাষ্ট্রপ্রধান বা ব্যক্তিত্বকে নিজ শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানাবেন না পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) প্রধান ইমরান খান। দেশটিতে সদ্য অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিজয়ী দলটির মুখপাত্র ফাওয়াদ চৌধুরী গতকাল এ তথ্য জানান। প্রসঙ্গত, ইমরান খান পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ১১ আগস্ট শপথ নিতে যাচ্ছেন। খবর ডন, ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।

পাকিস্তানে সদ্য অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে মোট ১১৫টি আসনে জয়লাভ করেছে পিটিআই। নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলেও এরই মধ্যে কয়েকজন রাজনৈতিক মিত্র ও স্বতন্ত্র বিজয়ীর সমর্থন আদায়ে সক্ষম হয়েছেন তিনি। সে হিসেবে পাকিস্তানের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী  ইমরানের শপথগ্রহণের বিষয়টি এক রকম নিশ্চিতও বটে।

পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবস ১৪ আগস্টের আগেই ইমরান খানের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে বলে গত শনিবার ঘোষণা দিয়েছিল পিটিআই। এর পর ১১ আগস্ট এ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে বলে সোমবার ইমরান খান নিজেই ঘোষণা দেন।

প্রাথমিকভাবে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিসহ বেশ কয়েকজন বিদেশী ব্যক্তিত্বকে আমন্ত্রণ জানানোর পরিকল্পনা নিয়েছিল পিটিআই। তবে ইমরান খান পরে মত পরিবর্তন করে অনাড়ম্বর এক শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে পিটিআই মুখপাত্র ফাওয়াদ চৌধুরী জানান। তিনি বলেন, ‘আইওয়ান-ই-সদরে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে শপথ নেবেন ইমরান খান। সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে, অনুষ্ঠানে কোনো বিদেশী ব্যক্তিত্বকে আমন্ত্রণ জানানো হবে না। এটি হবে সম্পূর্ণ একটি জাতীয় অনুষ্ঠান। কেবল ইমরান খানের কয়েকজন ঘনিষ্ঠ বন্ধুকে আমন্ত্রণ জানানো হবে। অনুষ্ঠানে কোনো আড়ম্বরের বালাই রাখা হবে না।’

তবে বলিউড সুপারস্টার আমির খান, সাবেক ক্রিকেট খেলোয়াড় কপিল দেব, সুনীল গাভাস্কার ও নবজ্যোত সিং সিধুকে ইমরান খানের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বলে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়। এদের মধ্যে নবজ্যোত সিং সিধু এরই মধ্যে আমন্ত্রণ গ্রহণ করে বক্তব্য দিয়েছেন বলে ওই প্রতিবেদনে আরো জানানো হয়। সিধুর ভাষ্যমতে, এটি আমার জন্য অনেক বড় এক সম্মানের বিষয়। আমি এ আমন্ত্রণ গ্রহণ করছি। সবাই প্রতিভাবানের প্রশংসা করে, ক্ষমতাবানকে ভয় করে কিন্তু চরিত্রবানকে বিশ্বাস করে। খান সাহেব (ইমরান খান) এ রকমই এক চরিত্রবান মানুষ। তাকে বিশ্বাস করা যায়। খেলোয়াড়রা সেতুবন্ধন রচনা করেন, বাধা ভাঙেন ও মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করেন।’

উপরে