সোমবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ | ৯ই আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

Logo
Print

প্রেমের ফাদে ফেলে প্রেমিকাকে ধর্ষণ

প্রকাশের সময়: ৮:২৯ অপরাহ্ণ - শুক্রবার | আগস্ট ৩, ২০১৮

কারেন্টনিউজ ডটকম ডটবিডি

ফরহাদ আকন্দ, গাইবান্ধা প্রতিনিধি : গাইবান্ধায় প্রেমের ফাঁদে ফেলে এক কিশোরীকে তিনদিন ধরে আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগে শামিম মিয়া (২৬) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শামিম পলাশবাড়ী উপজেলার কুমেদপুর গ্রামের লুৎফর মিয়ার ছেলে। এ বিষয়ে শুক্রবার গাইবান্ধা সদর থানায় মামলা দায়ের করা হলে ধর্ষককে গ্রেফতার করে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, সদর উপজেলার সাহাপাড়া ইউনিয়নের তুলশিঘাট গ্রামের মো. রইচ উদ্দিনের কন্যাকে গত বছর তুলশিঘাট রেবেকা হাবিব বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ১০ম শ্রেণিতে অধ্যায়নকালে শামিম মিয়া প্রেমের প্রস্তাব দেয়। শামিম নিজেকে গোয়েন্দা পুলিশে চাকরি করে বলে ওই কিশোরীকে বিয়ের প্রলোভনও দেখায়। এতে ওই কিশোরী রাজী না হওয়ায় শামিম মিয়া বন্ধুর প্রেমিকের সহায়তায় মোবাইলে কথা বলাসহ না কৌশল অবলম্বন করে কিশোরীর সাথে প্র্র্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, গত ২৮ জুলাই শামিম মিয়া ওই কিশোরীকে তুলশীঘাট গ্রামীন ব্যাংক অফিসের সামনে ডেকে পাঠায়। সেখান থেকে শামিম মিয়া কিশোরীকে বেড়ানোর কথা বলে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার ফাঁসিতলা এলাকায় মিন্টু মিয়া নামে এক আত্মীয়ের বাসায় নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে যাওয়ার পর কিশোরীর মোবাইলটি ভেঙ্গে ফেলে প্রেমিক শামিম। ওই বাড়িতে তিনদিন আটকে রেখে কিশোরীকে ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে শামিম মিয়া বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়।

তিনদিন ফাঁসিতলার মিন্টু মিয়ার বাড়িতে ধর্ষণের পর ৩১ জুলাই বিকেল ৫টার দিকে কিশোরীকে গাইবান্ধা শহরের পৌরপার্কে নিয়ে আসে শামিম। পার্কে কিশোরীকে বসে রেখে বাদাম কিনে আনার কথা বলে সটকে পড়ে প্রেমিক শামিম। পরে রাত ১০টার পর্যন্ত শামিম ফিরে না আসায় স্থানীয় লোকজন প্রতারিত কিশোরীকে গাইবান্ধা সদর উপজেলার বোর্ড বাজার এলাকার নানার বাড়িতে পৌঁছে দেয়।

এই ঘটনায় মেয়ের বাবা মো. রইচ উদ্দিন বাদি হয়ে শামিম মিয়াসহ তিনজনকে আসামি করে গাইবান্ধা সদর ধানায় অভিযোগ দায়ের করে। অভিযোগ পেয়ে পুলিশ ভিকটিমের সহায়তায় পলাশবাড়ী উপজেলার কুমেদপুর গ্রাম থেকে প্রতারক ও ধর্ষক শামিম মিয়াকে গ্রেপতার করে। শুক্রবার দুপুরে অভিযোগটি এজাহার হিসেবে রেকর্ড করে ওই কিশোরীকে ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য গাইবান্ধা জেলা সদর হাসপাতালে নেয়া হয়। পরে বিকেলে আদালতে বিচারকের কাছে হাজির করে ২২ ধারায় জবান বন্দি রেকর্ড করা হয়।

গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খাঁন মো. শাহরিয়ার বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ভিকটিমের ডাক্তারী পরীক্ষা ও ২২ ধারায় আদালতে বিচারকের কাছে জবানবন্দি গ্রহন করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, আসামি শামিম মিয়া কিশোরীকে ধর্ষণের কথা প্রথমিকভাবে পুলিশের কাছে শিকার করেছে।

Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com

উপরে