শনিবার, ১৭ নভেম্বর, ২০১৮ | ৩রা অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

Logo
Print

কাজে যাওয়ার পোশাক-আশাক

প্রকাশের সময়: ৪:৩০ অপরাহ্ণ - সোমবার | আগস্ট ৬, ২০১৮

কারেন্টনিউজ ডটকম ডটবিডি

পোশাক ব্যক্তিত্বের পরিচয়। আপনি বাড়িতে যে ধরনের পোশাক পরেন, তা নিশ্চয়ই কর্মস্থলে পরে যাওয়ার উপযোগী নয়। কারণ বাড়িতে পরিধেয় পোশাক নির্বাচন করা হয় মূলত আরাম ও সুবিধার কথা ভেবে। কিন্তু যখন আপনি কর্মস্থলে যাবেন, তখন সেখানকার ড্রেস কোড, আপনার আরামবোধ, মানানসই, ব্যক্তিত্বের বহিঃপ্রকাশ ইত্যাদি বিষয় মাথায় রাখতে হবে। পড়ুন এখানে—

কাজের সঙ্গে মানানসই

প্রতিষ্ঠানের ধরন অনুযায়ী নির্ভর করে আপনি কর্মস্থলে কী ধরনের পোশাক পরিধান করে যাবেন। যেমন কিছু প্রতিষ্ঠানের ড্রেস কোড দেয়া থাকে, হতে পারে শাড়ি বা স্যুট। আবার ব্যাংকগুলোয় শাড়ি ও সালোয়ার-কামিজ পরার প্রচলন রয়েছে। সৃজনশীল কর্মস্থলগুলোয় আবার পোশাক নির্বাচনে বেশকিছু স্বাধীনতা লক্ষ করা যায়।

সঠিক মাপের পোশাক

নিজের শরীরের মাপের চেয়ে লম্বায় ছোট বা বেশি বড় ও খুব বেশি আঁটসাঁট বা ঢিলেঢালা পোশাক পরিধান থেকে বিরত থাকুন। এতে একজন ব্যক্তির স্বাভাবিক সৌন্দর্য নষ্ট হয়। রঙের পাশাপাশি সঠিক মাপের পোশাক পরিধানের দিকে নজর দিন।

সঠিক মাপের চশমা

অফিসে সঠিক মাপের চশমা পরিধান করুন। চশমার আকার বড় হলে বা তা যদি ঢিলেঢালা হয়, তাহলে কাজ করায় অসুবিধা দেখা দেয় ও স্বাভাবিক মুখভঙ্গি ধরে রাখায় ব্যাঘাত ঘটে।

জুতা ও ব্যাগের দিকে নজর দিন

একজন ব্যক্তি কতটুকু রুচিশীল, তা বোঝা যায় তার পরিধেয় জুতা ও ব্যাগ দেখে। তাই রোজ ব্যবহারের জন্য ভালোমানের, হাঁটলে শব্দ হয় না ও আরামদায়ক জুতা বাছাই করতে হবে। পাশাপাশি পরিধেয় ব্যাগ ও এর মধ্যকার পার্স এবং অন্য আনুষঙ্গিক আপনার ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা, অভ্যাস ও রুচির অন্যতম পরিচায়ক।

কড়া সুগন্ধি এড়িয়ে চলুন

আপনি অফিসের প্যাসেজ গলিয়ে হেঁটে যেতেই যদি চোখ বন্ধ করে বলে দেয়া যায় কে যাচ্ছে, তবে বিষয়টা বিব্রতকর হবে নিশ্চয়ই। অফিসে অপেক্ষাকৃত হালকা সুগন্ধি ব্যবহার করুন, যা অন্যের বিরক্তির কারণ না হয়।

পায়ের যত্ন

যারা স্লিপার বা পায়ের অনেকটা অংশ খোলা থাকে এমন জুতা পরে অভ্যস্ত, তাদের নিয়মিত পায়ের যত্ন নেয়া উচিত। সপ্তাহে দুদিন পেডিকিউর ও নিয়মিত ময়েশ্চারাইজার লাগানো প্রয়োজন। কারণ পা ভালো রুচির পরিচয় বহন করে।

ভারী গহনা এড়ানো

অফিসে খুব বেশি গহনা না পরাই ভালো। কানে ছোট টপ, দু-একটি আংটি, ঘড়িই যথেষ্ট। চুড়ি পরতে হলে শব্দ হয় না এমন চুড়ি পরা যেতে পারে। কারণ গহনার অনবরত শব্দ অন্যদের বিরক্তির কারণ হতে পারে।

 

সূত্র: এক্সিকিউটিভ স্টাইল

উপরে