বুধবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ | ৪ঠা আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

Logo
Print

অসময়ে ঠাকুরগাঁওয়ের গাছে গাছে কুলের সমারোহ!

প্রকাশের সময়: ১২:০১ পূর্বাহ্ণ - শনিবার | আগস্ট ১১, ২০১৮

কারেন্টনিউজ ডটকম ডটবিডি

মো.সাদ্দাম হোসেন, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: এবার বর্ষা কালে ঠাকুরগাঁওয়ের গাছে গাছে ঘটেছে কুলের (বরই) সমারোহ। কুলের ভারে গাছ গুলো পড়েছে নুয়ে। আম-জাম-কাঁঠালের শেষে অসময়ে বরই পেয়ে অবাক হচ্ছে এলাকার মানুষ।

জানা গেছে, সাধারণত:সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরে ফুল আসে কুল গাছে। ফল ধরে শীতে। তবে এবার বর্ষা মৌসুমে ঠাকুরগাঁও শহরের কালিবাড়ী ও পূর্ব হাজীপাড়া সহ শহরের বিভিন্ন মহল্লায় দেশীয় জাতের শতাধিক গাছে ধরেছে কুল থোকা থোকা। গত বছরেও এ সময়ে এসব মহল্লায় গাছে গাছে ধরেছিল কুল। এসব গাছ গুলোর বয়স প্রায় ৭ থেকে ১০ বছর। শীত মৌসুমেও প্রতি বছর এ গাছ গুলোতে কুল আসে ব্যাপক হারে। আকারে মাঝারি। খেতেও সুস্বাদু। তবে এ সময়ে কুল আসায় ফল গুলো বড় হওয়ার আগেই খাচ্ছে শিশু-কিশোররা। কালিবাড়ী মহল্লার আশরাফুল জানান,তার গাছে এবার আকস্মিক ভাবে বর্ষা কালে কুল ধরেছে। এতে তিনি অবাক হয়েছেন। ঐ মহল্লার স্কুল শিক্ষক আফরোজা বেগম রিকা জানান, তার বাড়ির পাশে আরেকটি গাছে কয়েক বছর ধরে শীত ও বর্ষা কালে কুল পাওয়া যায়। কৃষি স¤প্রসারণ অধিদপ্তরের সাবেক উপ-পরিচালক কৃষিবিদ সফিউল ইসলাম বলেন, আবহাওয়া পরিবর্তনের জন্য এই গাছ গুলোতে সম্ভবত এ সময় কুল ধরেছে। তবে তিনি জানান কুল ছাড়া পেয়ারাও এখন বছর জুড়ে গাছে পাওয়া যাচ্ছে।

ঠাকুরগাঁও কৃষি স¤প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আফতাব হোসেন বলেন,কুল গাছ গুলোতে ফল আসলেও প্রতিকুল আবহাওয়ায় পরিপক্ক হওয়ার আগেই ঝরে যাচ্ছে। তবে তি্িন বলেন এখন দেশে গ্রীস্মকালে টমেটো ও পেঁয়াজ চাষ হচ্ছে। অনুরুপ
গবেষনার মাধ্যমে কুল গ্রীস্ম বা বর্ষা কলে চাষ করা সম্ভব।

সারা বছর দেশীয় ফল কুল উৎপাদন করতে পারলে সি জাতীয় পুষ্টির চাহিদা মিটিয়ে রপ্তানি করা গেলে বৈদেশিক মুদ্রা আয় করা সম্ভব বলে এমনটাই দাবি করছেন স্থাণীয়রা জনেরা।

Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com

উপরে