মঙ্গলবার, ২০ নভেম্বর, ২০১৮ | ৬ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

Logo
Print

হাতীবান্ধায় সেচ্ছাশ্রমে বাঁধ নির্মাণ

প্রকাশের সময়: ৬:০০ অপরাহ্ণ - শনিবার | আগস্ট ১১, ২০১৮

কারেন্টনিউজ ডটকম ডটবিডি
নিয়াজ আহমেদ সিপন,লালমনিরহাট
ভোর রাতে বৃষ্টিতে বাঁধের কোন কোন স্থান ভেঙ্গে গিয়ে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার সিংঙ্গীমারীসহ অন্তত তিনটি ইউনিয়নে পানি ঢুকে ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। এমনকি বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় রোপা আমন ক্ষেতের ক্ষতি হয়েছে। ফলে তিনটি ইউনিয়নের কৃষকরা পড়েছেন দুশ্চিন্তায় । উপায় না পেয়ে গ্রামবাসীরা সেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে ভেঙে যাওয়া ওই বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু করছেন।
হাতীবান্ধা উপজেলা ত্রাণ ও প্রকল্প কর্মকর্তা ফেরদৌস আহমেদ জানান, তিস্তা নদীর পানির তোড়ে ্উপজেলার সিংঙ্গীমারী ইউনিয়নের ধুবনী ও মধ্য ধুবনী গ্রামে চারটি স্থানে বাঁধ ভেঙে গেছে। স্থানীয়রা ভেঙে যাওয়া বাঁধ নিমার্ণে বাঁশ ও বালুর বস্তা ফেলে তা রক্ষার চেষ্ঠা করছেন। এজন্য উপজেলা প্রশাসন থেকে গ্রামবাসীদের বস্তা সরবরাহ করা হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা যায়, গ্রামের লোকজন স্থানীয়ভাবে বাঁশ সংগ্রহ করে ভাঙা স্থানে খুটি বসাচ্ছেন। আবার কেউ কেউ বালুর বস্তা ফেলছেন সেখানে।
এসময় মধ্য ধুবনী গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুল আউয়াল বলেন, প্রতিবছর বর্ষা এলেই তাদের ওই বাঁধের কোন না কোন স্থান ভেঙে যাচ্ছে। যার পলে সিংঙ্গীমারীসহ অন্তত তিনটি ইউনিয়নে পানি ঢুকে ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে। এবছরও বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় রোপা আমন ক্ষেতের ক্ষতি হয়েছে।
হাতীবান্ধা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় রোপা আমন ক্ষেতের ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, ‘মাঠ পর্যায়ে ক্ষতি নিরুপনে কাজ চলছে। রোববার ক্ষতির পরিমান বলা যাবে।”
হাতীবান্ধা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান লিয়াকত হোসেন বাচ্চু বলেন, ধুবনী এলাকায় বারবার বাঁধ ভেঙে যাওয়ার বিষয়টি পানি উন্নয়ন বোর্ডকে অবহিত করা হলেও সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে কোন সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে স্থানীয়রা সেচ্ছাশ্রমে ভেঙে যাওয়া বাঁধ নির্মাণ করছে। তবে হাতীবান্ধাবাসীকে রক্ষায় উক্তস্থানে নতুন করে বাঁধ নির্মাণের পরিকল্পনা সরকার হাতে নিয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

উপরে