বুধবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ | ৪ঠা আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

Logo
Print

‘ক্রেতা চেয়ে বিক্রেতা বেশি, তার চেয়ে বেশি দালাল’

প্রকাশের সময়: ৭:৩৪ অপরাহ্ণ - শনিবার | আগস্ট ১৮, ২০১৮

কারেন্টনিউজ ডটকম ডটবিডি

ফরহাদ আকন্দ, গাইবান্ধা প্রতিনিধি : ঈদ-উল আযহাকে সামনে রেখে গাইবান্ধায় জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট। তবে হাটে হাটে ক্রেতার চেয়ে বিক্রেতা বেশি। আর বিক্রেতার চেয়েও দালাল বেশি গাইবান্ধার অধিকাংশ কোরবানির পশুর হাটে।

শুক্রবার (১৭ আগস্ট) গাইবান্ধার বিভিন্ন কোরবানির পশুর হাট ঘুরে উপচেপড়া ভিড় লক্ষ করা গেছে। তবে বিক্রেতারা দাম কম পাচ্ছেন বলে দাবি করলেও উচ্চমূল্যের কারণে পশু কিনতে হিমশিম খেতে হচ্ছে বলে অভিযোগ ক্রেতাদের। দালালদের দৌরাত্যের কারণে বেশি দাম দিয়ে পশু কিনতে বাধ্য হচ্ছেন অনেকেই।

গাইবান্ধা সদর উপজেলার লক্ষীপুর হাটের খামারি আবুল কাশেম বলেন, এবারের হাটে ক্রেতার চেয়ে বিক্রেতা বেশি। সে কারণে সঠিক দাম পাওয়া যাচ্ছে না।

বিক্রেতা মতিউর রহমান বলেন, ৯০ হাজার টাকার গরু দাম বলা হয়েছে ৬০-৭০ হাজার টাকা। একটি গরুকেই এ পর্যন্ত দুইদিন হাটে আনতে হয়েছে। লাভ তো দূরের কথা, কেনা দামই দিতে চাচ্ছেন না ক্রেতারা।

এদিকে দাড়িয়াপুর হাটের ক্রেতাদের অভিযোগ, গরু কিনতে গিয়ে দালালদের খপ্পরে পড়তে হচ্ছে সাধারণ ক্রেতাদের। এ হাটে দালাল ছাড়া গরু কেনার উপায় নেই। আর হাট ইজারাদারকে ক্রেতা-বিক্রেতাদের অন্যান্য হাটের চেয়ে বেশি পরিমাণে খাজনা দিতে হচ্ছে। প্রায় সবগুলো হাটেই এভাবে দালাল চক্রের ফাঁদে পড়ে বেশি দামে পশু কিনতে বাধ্য হচ্ছেন ক্রেতারা।

দাড়িয়াপুর হাটের ইজারাদার আরিফ মিয়া বলেন, হাটে পর্যাপ্ত কোরবানির গরু-ছাগল উঠলেও ক্রেতার সংখ্যা কম। এ কারণে দাম ও বিক্রি কিছুটা কম। তবে পরের হাটগুলোতে সঠিক দামে পশু বিক্রি বাড়বে বলে আশা করা যায়। তবে দালাল চক্রের বিষয়টি অস্বীকার করে তিনি বলেন, এ হাটে দালালদের কোনো স্থান নেই আর কারও কাছ থেকে বেশি পরিমাণে খাজনা নেওয়া হচ্ছেনা।

Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com

উপরে