রবিবার, ১৮ নভেম্বর, ২০১৮ | ৪ঠা অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

Logo
Print

‍”খালেদা জিয়া যদি নির্বাচনে না আসেন, তা হবে আত্মহত্যার সামিল”

প্রকাশের সময়: ৮:৫১ অপরাহ্ণ - রবিবার | আগস্ট ১৯, ২০১৮

কারেন্টনিউজ ডটকম ডটবিডি
পুষ্পেন্দু মজুমদার, ভোলা : বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবনে বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়াকে সংলাপের জন্য আহ্বান জানিয়েছিলেন, তিনি তা প্রত্যাখান করেন। এমনকি তার পুত্র কোকো মারা যাওয়ার পর আমাদের নেত্রী শান্তনা জানাতে গিয়েছিলেন, মুখের উপর দরজা বন্ধ করে দেন খালেদা জিয়া। এখন ওরা সংলাপের প্রস্তাব দিয়েছে। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, কি জন্য এ সংলাপ। রোববার ভোলা সরকারি কলেজের আয়োজিত ১৫ আগষ্ট জাতীয় শোক দিবসের অনুষ্ঠানের আলোচনা পর্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

এ সময় মন্ত্রী আরো বলেন, ওদের নেত্রী জেলে। ওদের আন্দোলন করার ক্ষমতা নেই। এখন ওরা বলে, আগামী নির্বাচন , আমাদের সরকারের অধীন করবে না। আমাদের এই ক্ষমতাসীন দলের শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারই আগামী নির্বাচনকালীন সরকার থাকবে। ওই সরকারের প্রধান থাকবেন প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা। মন্ত্রী বিএনপিকে সর্তক করে দিয়ে বলেন, বিএনপি যদি নির্বাচনে না আসে , ২০১৪ সালেরমত নির্বাচন থেমে থাকবে না। নির্বাচন হবে সংবিধান অনুযায়ী। খালেদা জিয়া যদি নির্বাচনে না আসেন, তা হবে আত্মহত্যার সামিল। বিএনপি নামের এ দলটিকে কেউ আর খুজে পাবে না। এ সময় বাণিজ্যমন্ত্রী ছাত্রদের উদ্দেশ্যে বলেন, তোমরা দেশের ভবিষ্যত। তোমাদের সঠিক ইতিহাস জানতে হবে। জিয়াউর রহমান স্বাধীনতা বিরোধীদের পূনর্বাসিত করেছেন। তার স্ত্রী খালেদা জিয়া স্বাধীনতা বিরোধী মোজাহিদদের মন্ত্রী বাণিয়েছেন। ওদের গাড়িতে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা ওড়ানো হতো। আর আমাদের হাতে পড়ান হাতকড়া। বাণিজ্যমন্ত্রী জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়াকে স্বাধীনতা বিরোধীদের দোসর উল্লেখ করাসহ বঙ্গবন্ধু হত্যায় জড়িত বলেও উল্লেখ করেন। দেশবাসী ও নতুন প্রজন্মের উদ্দেশ্যে বলেন, বিএনপি যদি আবার ক্ষমতায় আসে, ওরা বাংলাদেশের লক্ষ লক্ষ মানুষকে হত্যা করবে। সেজন্যই স্বাধীনতার মূল্যবোধ বুকে ধারন করে আগামী নির্বাচনের জন্য কাজ করতে হবে। এ সময় কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর পারভীন আখতারের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখার পাশপাশি উপস্থিত ছিলেন, মন্ত্রী পত্নী মিসেস আনোয়ারা আহমেদ, উপজেলা চেয়ারম্যান মোশারেফ হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগ যুগ্ম সম্পাদক জহুরুল ইসলাম নকিব , উপজেলা আওয়ামী লীগ সম্পাদক নজরুল ইসলাম গোলদার, জেলা আওয়ামী লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক মইনুল হোসেন বিপ্লব, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাফিন মাহমুদ, অধ্যক্ষ সাফিয়া খাতুন, উপাধ্যক্ষ গোলাম জাকারিয়া, শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক সহযোগি অধ্যাপক জামাল হোসেন, সহযোগি অধ্যাপক বশির উল্লাহ, এটিম রেজাউল করিম প্রমুখ।

উপরে