মঙ্গলবার, ১৩ নভেম্বর, ২০১৮ | ২৯শে কার্তিক, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

Logo
Print

শিমুলিয়া-কাঠালবাড়ি উভয় ঘাটে যাত্রীদের ভীড়, যানবাহনের দীর্ঘ সাড়ি

প্রকাশের সময়: ৮:৫৮ অপরাহ্ণ - রবিবার | আগস্ট ১৯, ২০১৮
ঈদকে ঘিরে পদ্মা নদীতে র‌্যাবের বিশেষ টহল

কারেন্টনিউজ ডটকম ডটবিডি

মোঃ ইব্রাহীম, মাদারীপুর: ঈদকে ঘিরে দক্ষিনাঞ্চলের যাত্রীদের চাপ বাড়তে শুরু করেছে শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌরুটের লঞ্চ ও স্পীডবোট হয়ে। এদিন ঢাকার সকল রুট থেকেই বাড়তি ভাড়া গুনে এসে যাত্রীদের কাছ থেকে লঞ্চে ৩৩ টাকার ভাড়া বাড়িয়ে ৪০ টাকা ও স্পীডবোট ভাড়া দেড় শ টাকার স্থলে ২শ টাকা আদায় করা হচ্ছে। দক্ষিনাঞ্চলের জেলাগুলোতে পৌছতেও বাড়তি ভাড়া গুনতে হচ্ছে। এদিকে নাব্যতা সংকট পরিস্থিতি ধীরে ধীরে উন্নতি হওয়ায় ১৬ টি ফেরি চলাচল করছে। তবে ফেরিগুলো ধারন ক্ষমতার কম হালকা যানবাহন নিয়ে সতর্কতার সাথে চলাচল করছে। ঘাটে ম্যাজিস্ট্রেট,র‌্যাব, পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

বিআইডব্লিউটিসিসহ একাধিক সূত্রে জানা যায়, রবিবার বেলা বাড়ার সাথে সাথে শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌরুটের লঞ্চ ও স্পীডবোট হয়ে ঈদে দক্ষিনাঞ্চলের যাত্রীদের চাপ বাড়তে শুরু করে। শিমুলীয়া ঘাট থেকে ছেড়ে আসা প্রতিটি লঞ্চ ও স্পীডবোট ছিল যাত্রীতে পরিপূর্ন। এদিন লঞ্চে যাত্রীদের কাছ থেকে ৩৩ টার স্থলে ৪০ টাকা ও স্পীডবোটে দেড়শ টাকার ভাড়া দুইশ টাকা আদায় করা হয় বলে যাত্রীরা অভিযোগ করেন। ঢাকার সকল রুট থেকেই বাড়তি ভাড়া গুনে এসে পদ্মা হয়ে কাঁঠালবাড়ি ঘাটে এসে যাত্রীরা আরো বিপাকে পড়েন। কাঁঠালবাড়ি থেকে দক্ষিনাঞ্চলে ছেড়ে যাওয়া প্রতিটি যানবাহনেই বাড়তি ভাড়া আদায়ের অভিযোগ করেন যাত্রীরা। এদিকে নাব্যতা সংকটে প্রায় ১০ দিন অচল হয়ে পড়া এরুটে রবিবার সকাল থেকে ১৬ টি ফেরি চলাচল করছে। এরআগে গত রাত ১০ টার পর এরুটের ৬টি ডাম্ব ফেরি বন্ধ করে দেয়া হলেও সকালে চালু হয়। ভোরে ঝড়ো হাওয়ার কারনে ২ ঘন্টা সকল ফেরি চলাচল বন্ধ ছিল। তবে ফেরিগুলো সম্পূর্ন লোড নিতে না পারায় ধারনক্ষমতার চেয়ে হালকা যানবাহন নিয়ে চলছে। রো রো ফেরি হালকা যানবাহন নিয়ে পার হওয়ার চেষ্টা করে তবে নাব্যতা সংকটে চলাচল সম্ভব হচ্ছে না। নৌরুটের লৌহজং টার্নিং থেকে পদ্মা সেতুর চ্যানেল পর্যন্ত নাব্যতা সংকটে ওয়ান ওয়ে হয়ে পড়ায় ফেরি পারাপারে দীর্ঘ সময় লাগছে। ৭টি ড্রেজার ড্রেজিং কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। ফলে উভয় পাড়ে যানবাহনের দীর্ঘ সাড়ি রয়েছে। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পশুবাহী ট্রাক ও যাত্রীবাহী বাস পারাপার করা হচ্ছে। এরুটের ৫ টি ফেরি অন্যত্র স্থানান্তর করায় সংকট বাড়ছেই।

ইব্রাহিম মিয়া নামের এক যাত্রী বলেন, গুলিস্তান থেকে বাড়তি ভাড়া গুনে শিমুলিয়ায় এসে স্পীডবোটে দেড় শ টাকার ভাড়া ২’শ টাকা চায়। পরে লঞ্চে ৪০ টাকা করে পার হই। লঞ্চে ৭ টাকা বেশি নিয়েছে।

বিআইডব্লিউটিএর টার্মিনাল ইন্সপেক্টর আক্তার হোসেন বলেন, এ নৌরুট হয়ে দক্ষিনাঞ্চলের যাত্রীদের চাপ বাড়ছে। ভরা বর্ষা চলায় কোন অবস্থাতেই অতিরিক্ত লঞ্চ বোঝাই হয়ে পদ্মা পাড়ি দিতে দেয়া হবে না। ফেরি চলাচলে অগ্রগতি হওয়ায় যাত্রী চাপ বাড়লে ফেরিতে যাত্রী পারাপারে গুরুত্ব দেয়া হবে।

বিআইডব্লিউটিসির কাঠালবাড়ি ইলিয়াস আহমেদ চৌধুরী ঘাট ম্যানেজার আঃ সালাম বলেন, নাব্যতা সংকট থাকলেও ১৬টি ফেরি ধারনক্ষমতার হালকা যানবাহন নিয়ে লোড ম্যানেজমেন্ট করে চলছে। রাতে ড্রেজিং চলায় ডাম্ব ফেরি বন্ধ ছিল। রো রো ফেরি এখনো স্বাভাবিক নয়।

উপরে