বুধবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ | ৪ঠা আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

Logo
Print

নীলফামারীতে জাতীয় পার্টির কোন্দলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে আহত ৮

প্রকাশের সময়: ৯:২৩ অপরাহ্ণ - শনিবার | আগস্ট ২৫, ২০১৮

কারেন্টনিউজ ডটকম ডটবিডি
এম আর আলী টুটুল, সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি: নীলফামারী -৪ আসনে থেকে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন প্রত্যাশী প্রার্থীর পোষ্টার ছিড়ে ফেলার অপবাদ দিয়ে এ আসনের সাংসদ আলহাজ্ব শওকত চৌধুরীর সমর্থকদের মারধর করা হয়েছে মর্মে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত ২১ আগষ্ট রাত সাড়ে ৯টায় মনোনয়ন প্রত্যাশী এরশাদ ভাগ্নের সমর্থক শহরের কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকার আদানী মোড়ে ওই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটায় মর্মে অভিযোগ করা হয়। এসময় আহত হয় ৮ জন। আহতরা হলেন, গোলাহাট ১ নং ওয়ার্ড যুব সংহতির সাধারণ সম্পাদক জুয়েল, রাজু আহম্মেদ, ওবায়দুল ইসলাম, খালেকুজ্জামান, আশিক কে স্থানীয় ১০০ শয্যা হাসপাতাল ও আদনান, দীলিপ ও রানু কে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে তারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থান রয়েছেন।

সাংসদ আলহাজ্ব শওকত চৌধুরী জানান, ২৩ আগষ্ট বৃহস্পতিবার জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান পল্লী বন্ধু এরশাদ সৈয়দপুর শহরের ৫ মাথা মোড় এলাকায় এক পথসভা করার ঘোষণা দেন। এ নিয়ে শহরে শুরু হয় সাজসাজ রব। জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের আগমনে পোষ্টারে পোষ্টারে ছেয়ে যায় শহর। এমনিভাবে মনোনয়ন প্রত্যাশী এরশাদ ভাগ্নে আদেলুর রহমান আদেলেরও পোষ্টার শোভা পায় শহরজুড়ে। কিন্তু জাতীয় পার্টির কথিত সর্মথকরা নিজ স্বার্থ হাসিলের উদ্দ্যেশে জাতীয় পার্টিতে বিভক্ত করে, অশান্ত করার নিল নকশা তৈরি করেন। ২১ আগষ্ট রাতে শওকত চৌধুরীর লোকজন পল্লী বন্ধুর আগমনে মোটরসাইকেল মিছিল বের করে আদানী মোড় এলাকায় যাওয়ার সাথে সাথে তাদের উপর লাঠি সোটা নিয়ে ঝাপিয়ে পড়া হয়। এসময় শুরু হয় সংঘর্ষ। ওই সংঘর্ষে আহত হয় ৮ জন। তিনি বলেন, ২৩ আগষ্ট পল্লী বন্ধুর নির্দেশে পথসভা করার আয়োজন করা হলেও পার্টির চেয়ারম্যান এরশাদ সাহেবকে ভুল বুঝিয়ে অন্য পথ দিয়ে রংপুর থেকে সৈয়দপুর বিমানবন্দর নিয়ে যাওয়া হয়। এতে পথসভায় অপেক্ষমান প্রায় ৪০ হাজার জাতীয় পার্টির সমর্থকদের নিরাশ করা হয়। ফলে ক্ষোভ প্রকাশ করে সমর্থকরা। নিজ স্বার্থ হাসিলের উদ্দ্যেশে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান পল্লী বন্ধু এরশাদ সাহেবের ভাগ্নের সর্মথকদের সাথে ঝগড়া বিবাদ সৃষ্টি করে এ পার্টিকে বিভক্ত করার অপচেষ্টা চালানো হয়েছে। এতে করে এ আসনের সাংসদ পদটিও অন্যের হাতে চলে যাওয়ার আশংকা করছেন তিনি। ২১ আগষ্ট রাতে সাংসদ আলহাজ্ব শওকত চৌধুরীর সমর্থকদের মারধর ও গাড়ী ভাংচুর নিয়ে স্থানীয় থানায় অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। ফলে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে শহর জুড়ে। যেকোন সময় বড় ধরনের সংঘাতে জড়িয়ে যাওয়া আশংকা করছেন অনেকেই।
মনোনয়ন প্রত্যাশী এরশাদ ভাগ্না আদেলুর রহমান আদেলের সাথে এ বিষয়ে মোবাইল ফোনে কথা বলতে গিয়ে ফোন রিসিভ না করায় তার মতামত নেওয়া সম্ভব হয়নি।

Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com

উপরে