বুধবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ | ১১ই আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

Logo
Print

নাব্যতা সংকটে শিমুলিয়া-কাঠালবাড়ি নৌরুট, বিকল্প পথ ব্যবহারের পরামর্শ

প্রকাশের সময়: ১১:২৫ অপরাহ্ণ - শনিবার | আগস্ট ২৫, ২০১৮

কারেন্টনিউজ ডটকম ডটবিডি
রিফাত ইসলাম, শিবচর: নাব্যতা সংকটে শিমুলিয়া-কাঠালবাড়ি নৌরুটে ফেরি চলাচলে অচলাবস্থার কারনে ঘাটে আগেরদিনের নৈশ্যকোচসহ যানবাহনের সাড়ি দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে। বন্ধ রয়েছে ২টি রো রো ফেরিসহ ৪টি ফেরি। বাকি ফেরিগুলো চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। ফলে লঞ্চ ও স্পীডবোটে যাত্রীদের চাপ বেশি রয়েছে। কাঁঠালবাড়ি ঘাট থেকে ধারন ক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে লঞ্চগুলো লোডমার্ক অনুসরন করে শিমুলিয়া ঘাটের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাচ্ছে। দক্ষিনাঞ্চলের জেলাগুলো থেকে বাড়তি ভাড়া গুনে ঘাট এলাকায় স্পীডবোট ও লঞ্চে বাড়তি ভাড়া আদায় করছে। ঘাট এলাকায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইমরান আহমেদ, ওসি জাকির হোসেন এর নেতৃত্বে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ, র‌্যাব, বিআইডব্লিউটিএসহ পর্যাপ্ত আইন শৃংখলা বাহিনী নিয়োজিত থেকে পরিস্থিতি সামাল দিচ্ছেন।

সরেজমিনে বিআইডব্লিউটিএ, বিআইডব্লিউটিসিসহ এশাধিক সুত্রে জানা যায়, শনিবার বেলা বাড়ার সাথে সাথে শিমুলিয়া-কাঠালবাড়ি নৌরুট হয়ে ঢাকাসহ কর্মস্থলমুখো যাত্রী ও পরিবহনের ভীড় বাড়তে শুরু করেছে। তবে লৌহজং টার্নিং এ নাব্যতা সংকটে ২টি রো রো ফেরিসহ ৪টি বন্ধ থাকায় ও অন্যান্য ফেরি চলাচল ব্যাহত হওয়ায় কাঁঠালবাড়ি ঘাটে যানবাহনের সাড়ি বাড়ছে। আগের দিনের নৈশকোচ,পন্যবাহী যানবাহনসহ ৩ শতাধিক যানবাহন আটকে পড়েছে ঘাটে। এতে যাত্রী দূর্ভোগ চরম আকার ধারন করেছে।

শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে একটি রো রো ফেরি ডুবোচরে আটকে গেলে প্রায় ১১ ঘন্টা পর উদ্ধার হয়। এরপর থেকে এ রুটের ২টি রো রো ফেরি , ১টি কেটাইপ ফেরি ও ১টি ডাম্ব বন্ধ রয়েছে।ডুবোচরের বাকি ফেরিগুলো চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। তবে ৭টি ড্রেজার লৌহজং টার্নিংএ ড্রেজিং কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। মাঝ নদীতে বিআইডব্লিউটিএ’র শীর্ষ কর্মকর্তারা অবস্থান নিয়ে চেষ্টা চালালেও উজান থেকে বয়ে আসা বিপুল পরিমান পলি ও তীব্র স্রোতে ড্রেজিং ব্যাহত হওয়ায় আশানারুপ ফল আসছে না। লৌহজং টার্নিং এর দীর্ঘ নৌপথ ওয়ান ওয়ে হয়ে পড়েছে। ফলে লঞ্চ ও স্পীডবোটে যাত্রীদের চাপ বেশি রয়েছে। কাঁঠালবাড়ি ঘাট থেকে ধারন ক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে লোডমার্ক মেনে লঞ্চগুলো শিমুলীয়া ঘাটের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাচ্ছে। দক্ষিনাঞ্চল থেকে ছেড়ে আসা প্রতিটি যানবাহনে অতিরিক্ত ভাড়া গুনে ঘাটে এসে লঞ্চ, স্পীডবোটেও বাড়তি ভাড়া গুনতে হচ্ছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ ইমরান আহমেদ বলেন, গতকাল বিকেল থেকে হঠ্যাৎ করে পানি কমে আবারো নাব্যতা সংকট বেড়ে যাওয়ায় কয়েকটি ফেরি বন্ধ রয়েছে। আমরা বাধ্য হয়ে ভারী যানবাহনকে বিকল্প রুট ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছি।

Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com

উপরে