রবিবার, ১৮ নভেম্বর, ২০১৮ | ৪ঠা অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

Logo
Print

“অসমর্থিত মতামত প্রকাশ কোনো গণমাধ্যমের কাছেই কাম্য নয়” : বিএস-২১১ ট্র্যাজেডী

প্রকাশের সময়: ১০:০৭ পূর্বাহ্ণ - মঙ্গলবার | আগস্ট ২৮, ২০১৮

 

কারেন্টনিউজ ডটকম ডটবিডি

ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের বিএস-২১১ ফ্লাইট বিধ্বস্ত হওয়ার বিষয়ে ‘দি কাঠমান্ডু পোস্ট’ পত্রিকা ও অনলাইন নিউজপোর্টাল ‘কান্তিপুর’র প্রকাশিত প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে দুর্ঘটনা তদন্তে নেপালের গঠিত অ্যাকসিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন কমিশন। এছাড়া সোমবার (২৭ আগস্ট) কমিশনের সদস্য সচিব বুদ্ধি সাগর লামিচ্ছানে স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ওই খবরের প্রতিবাদও জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়,  ইউএস-বাংলার বিএস-২১১ ফ্লাইট দুর্ঘটনার অ্যাকসিডেন্ট ইনভেস্টিগেশনের রিপোর্ট নিয়ে কাঠমান্ডু পোস্ট ও কান্তিপুর অনলাইনে যে প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছে, সে ব্যাপারে গভীর উদ্বেগ ও পুরোপুরি অসন্তোষ জানাচ্ছে কমিশন।

অ্যাকসিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন কমিশনের ওই বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, ‘দুর্ঘটনার সম্ভাব্য কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত এখনও চলছে। এই তদন্তের উদ্দেশ্য- যেন সম্ভাব্য কারণ খুঁজে বের করে ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা ঠেকানো যায়। কমিশন মনে করে, দুর্ঘটনার তদন্ত গণমাধ্যমের প্রোপাগান্ডার বিষয় নয়।’

কাঠমান্ডু পোস্ট ও কান্তিপুর অনলাইনের প্রতিবেদনের প্রতিবাদ জানিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘তদন্ত কমিশন এ ধরনের অনৈতিক ও জালিয়াতিমূলক খবরের ঘোরতর আপত্তি জানাচ্ছে, কারণ এসব প্রতিবেদন সাধারণ মানুষ ও সংশ্লিষ্টদের ভুল ধারণা দেয়। যথাযথ কর্তৃপক্ষের সঠিক তথ্যপ্রমাণ ছাড়া তদন্তাধীন এই ধরনের সংবেদনশীল বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ কমিশন সমর্থন করে না।’

তদন্ত শেষ হলে অ্যাকসিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন কমিশনের প্রতিবেদন নেপাল সরকার ও আন্তর্জাতিক সিভিল এভিয়েশন অর্গানাইজেশনের (আইকাও) নিয়ম মেনে প্রকাশ করা হবে জানিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে অনুরোধ করা হয়, কেউ যেন সংবেদনশীল বিষয়টি নিয়ে বিভ্রান্তি না ছড়ায়।

এদিকে এর আগে ইনভেস্টিগেশন কমিশনের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার দাবি করে কাঠমান্ডু পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়, তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে পাইলট আবিদ সুলতান ‘ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে প্রচণ্ড মানসিক চাপে বারবার ভুল সিদ্ধান্ত’ নিয়েছিলেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এমনকি ঢাকা থেকে কাঠমান্ডুর এক ঘণ্টার ওই ফ্লাইটে পাইলট ককপিটের মধ্যেই একটানা ধূমপান করছিলেন বলেও দাবি করা হয় প্রতিবেদনে।

এর পরপরই ইউএস-বাংলার পক্ষ থেকে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী (আইকাও প্রণোদিত) যেকোনো দুর্ঘটনা পরবর্তী পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ হওয়ার আগ পর্যন্ত এ ধরনের অসমর্থিত মতামত প্রকাশ কোনো গণমাধ্যমের কাছেই কাম্য নয়।

উপরে