বৃহস্পতিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ | ৫ই আশ্বিন, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

Logo
Print

জাবি শিক্ষার্থীদের বিজনেস স্টাডিজ অনুষদ অবরোধ

প্রকাশের সময়: ৯:১১ অপরাহ্ণ - শনিবার | সেপ্টেম্বর ৮, ২০১৮


কারেন্টনিউজ ডটকম ডটবিডি
আবির আব্দুল্লাহ, জাবি প্রতিনিধি: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগের এক শিক্ষার্থীর ‘ছাত্রত্ব বাতিলের’ ঘোষণা দিয়ে তৃতীয় বর্ষের প্রথম পর্বের পরীক্ষা নিতে অস্বীকৃতি জানানোর প্রতিবাদে বিজনেস স্টাডিজ অনুষদ অবরোধ করেছে শিক্ষার্থীরা।

শনিবার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত প্রগতিশীল ছাত্রজোট ও জাহাঙ্গীরনগর সাংস্কৃতিক জোটের নেতাকর্মীরা অনুষদের প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে অবস্থান নেন। ফলে সান্ধ্যকালীন কোর্সের শিক্ষার্থীরা অনুষদে প্রবেশ করতে পারেনি।
আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৪তম ব্যাচের (২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষ) ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগের শিক্ষার্থী সায়মা ইকবাল। তিনি দ্বিতীয় বর্ষের প্রথম পর্বের ২০৫ নং কোর্সে পরপর দুইবার অকৃতকার্য হন। ফলে তিনি বিশেষ পরীক্ষার অনুমতির জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের নিকট আবেদন করেন। ১৮মার্চ কোর্সটিতে বিশেষ পরীক্ষা প্রদানের জন্য অনুমতি দেন উপাচার্য। ৫মাস পেরিয়ে গেলেও বিভাগটি তার বিশেষ পরীক্ষা নেয়নি। এছাড়াও দ্বিতীয় বর্ষের দ্বিতীয় পর্বের ২১২ নং কোর্সেও পরপর দুইবার অকৃতকার্য হন তিনি। এই কোর্সেও বিশেষ পরীক্ষার অনুমতি জন্য আবেদন করেন তিনি। উপাচার্য এই কোর্সেও বিশেষ পরীক্ষার মৌখিক অনুমতি দেন। কিন্তু ১৬আগস্ট বিভাগটির সভাপতি মাহফুজা খাতুন স্বাক্ষরিত এক চিঠি পান সায়মা। চিঠিতে উল্লেখ করা হয় সায়মার ২১২নং কোর্সের বিশেষ পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব নয়। এ বিষয়ে মাহফুজা খাতুনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সায়মা ইকবালের ছাত্রত্ব বাতিল হয়ে গেছে। কি কারণে তার ছাত্রত্ব বাতিল হয়েছে জানতে চাইলে তিনি সে বিষয়ে কিছুই জানাননি।

এ ব্যাপারে সায়মা ইকবাল বলেন, ৪৪ তম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের সাথে তৃতীয় বর্ষের প্রথম পর্ব পরীক্ষায় অংশগ্রহন করেন তিনি। পরীক্ষায় সবার ফলাফল প্রকাশ করা হলেও সায়মার ফলাফল প্রকাশ করা হয়নি। তাই একাধিক কোর্সে অকৃতকার্য হওয়ার অশংকা করছেন তিনি। ফলে তিনি ৪৫তম ব্যাচের সাথে পরীক্ষায় অংশগ্রহনের জন্য আবেদন করেন। কিন্তু বিভাগ তার সে আবেদন গ্রহন করেনি। বরং তার আর কোন পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ নেই বলে বিভাগ থেকে জানানো হয়।

অবরোধ চলাকালে বেলা সাড়ে ১২টার দিকে ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগের দুইজন শিক্ষক ও প্রক্টরিয়াল বডির কয়েকজন শিক্ষক এসে অবরোধকারী শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলেন। এ ব্যাপারে আইনগতভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলেও শিক্ষার্থীদের আশ্বস্ত করেন তারা।

পরে দুপুর একটার দিকে উপাচার্যের বাসভবনে বিভাগীয় শিক্ষকদের সাথে জরুরী সভায় বসেন উপাচার্য। এ সময় অবরোধ কর্মসূচী প্রত্যাহার করেন শিক্ষার্থীরা।

জরুরী সভা শেষে জানানো হয়, সায়মা ইকবালের বিশেষ পরীক্ষার ব্যাপারে বিভাগ প্রয়োজনীয় সুপারিশ করবে। তবে পরবর্তীতে তিনি আর কোন বিশেষ পরীক্ষার সুযোগ পাবেন না।

Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com

উপরে