বৃহস্পতিবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০১৮ | ২৯শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

Logo
Print

আশুরার রোজা ও এর ফজিলত

প্রকাশের সময়: ৩:০১ পূর্বাহ্ণ - শুক্রবার | সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৮

 

 

 

কারেন্টনিউজ ডটকম ডটবিডি

আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস রা. হতে বর্ণিত, আমি নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে রোজা রাখার জন্য এত অধিক আগ্রহী হতে দেখিনি যত দেখেছি এই আশুরার দিন এবং রমজান মাসের রোজার প্রতি। [বুখারি]

আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, রমজানের পর সর্বোত্তম রোজা হচ্ছে আল্লাহর মাস মুহাররম (মাসের রোজা)। [সহিহ মুসলিম]

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, আশুরার দিনের রোজার ব্যাপারে আমি আল্লাহর কাছে আশা করি, তিনি পূর্ববর্তী এক বছরের পাপ ক্ষমা করে দেবেন। [সহিহ মুসলিম]

আশুরার রোজা রাখার নিয়ম:

ইসলামের দৃষ্টিতে আশূরা উপলক্ষে দুটি রোজা রাখা মুস্তাহাব। অর্থাৎ ৯, ১০ অথবা ১০, ১১ তারিখ। শুধু ১০ তারিখ রোজা রাখা মাকরূহ। এ সম্পর্কে আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস রা. বর্ণনা করেন, যখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আশুরার রোজা রাখলেন এবং (অন্যদেরকে) রোজা রাখার নির্দেশ দিলেন। লোকেরা বলল, হে আল্লাহর রাসুল! এটিতো এমন দিন, যাকে ইহুদি ও খ্রিষ্টানরা বড় জ্ঞান করে, সম্মান জানায়। তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আগামী বছর এদিন আসলে, আমরা নবম দিনও রোজা রাখব ইনশাল্লাহ। বর্ণনাকারী বলছেন, আগামী বছর আসার পূর্বেই রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওফাত হয়ে গিয়েছে।

 

 

লেখক- ডাঃ হাফেজ মাওলানা মোঃ সাইফুল্লাহ মানসুর
খতিব, থুকড়া বায়তুস সালাম কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ
ডুমুরিয়া, খুলনা।

উপরে