বুধবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০১৮ | ৫ই পৌষ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

Logo
Print

আমজাদ হোসেনের শারীরিক অবস্থার অবনতি

প্রকাশের সময়: ১২:২৬ অপরাহ্ণ - মঙ্গলবার | নভেম্বর ২০, ২০১৮

কারেন্টনিউজ ডটকম ডটবিডি

বরেণ্য চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব, কাহিনীকার, চিত্রনাট্যকার, পরিচালক এবং অভিনেতা আমজাদ হোসেনের শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটেছে। রাজধানীর তেজগাঁওয়ে ইমপালস হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার এক দিন পর সোমবার বিকেলে এ তথ্য জানান চিকিৎসক দলের প্রতিনিধি নিউরোলজি বিভাগের সিনিয়র কনসালটেন্ট শহীদুল্লাহ সবুজ। তার অধীনেই গুণী এই নির্মাতার চিকিৎসা চলছে।

চিকিৎসক শহিদুল্লাহ সবুজ জানান, আমজাদ হোসেনকে আন্তর্জাতিক মানের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তবুও তার অবস্থার কোনোও উন্নতি দেখা যাচ্ছে না। বরং প্রথমদিনের চেয়ে অবস্থার অবনতি হয়েছে।

গত রবিবার সকালে নিজ বাসায় আমজাদ হোসেনের ব্রেন স্ট্রোক হলে দ্রুত তাকে রাজধানীর আয়েশা মেমোরিয়াল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ইমপালস হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

চিকিৎসক শহিদুল্লাহ সবুজ বলেন, ‌এ নির্মাতার ব্রেনের রক্তনালী বন্ধ হয়ে স্ট্রোক হয়েছে। এর আগে তার হার্টের রিদমে অসুবিধা ছিল। সেখান থেকে স্ট্রোকের উৎপত্তি হয়েছে, ব্রেনের দুপাশেই বড় রক্তনালী বন্ধ হওয়ায় স্ট্রোক হয়েছে। এ অবস্থায় বিপদ মুক্ত হওয়ার সুযোগ খুবই কম থাকে।

নির্মাতা আমজাদ হোসেনের ছেলে পরিচালক সোহেল আরমান সাংবাদিকদের বলেন, বাবার অবস্থা ভালো না। এ অবস্থায় দেশের বাইরে নিয়ে যাওয়াও সম্ভব হচ্ছে না। সন্তান হিসেবে বাবার জন্য দোয়া চাওয়া ছাড়া আর কিছু বলার নেই।

আমজাদ হোসেন ১৯৬১ সালে ‘হারানো দিন’ ছবিতে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে চলচ্চিত্রে আসেন। পরে তিনি চিত্রনাট্য রচনা ও পরিচালনায় মনোনিবেশ করেন। তার পরিচালিত প্রথম ছবি ‘আগুন নিয়ে খেলা’ (১৯৬৭)। পরে তিনি ‘নয়নমনি’ (১৯৭৬), ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’ (১৯৭৮), ‘ভাত দে’ (১৯৮৪) ছবিগুলো দিয়ে প্রশংসিত হন। ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’ ও ‘ভাত দে’ চলচ্চিত্রের জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ পরিচালক হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। শিল্পকলায় অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান একুশে পদক (১৯৯৩) ও স্বাধীনতা পুরস্কারেও ভূষিত করে।

বিডি প্রতিদিন

উপরে