সোমবার, ২২ জুলাই, ২০১৯ | ৭ই শ্রাবণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

Logo
Print

১১৭ উপজেলায় ভোটগ্রহণ চলছে

প্রকাশের সময়: ৯:১৩ পূর্বাহ্ণ - রবিবার | মার্চ ২৪, ২০১৯

কারেন্টনিউজ ডটকম ডটবিডি

তৃতীয় পর্যায়ে দেশের ১১৭ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। রবিবার সকাল আটটা থেকে সাত বিভাগের ২৫ জেলায় এই ভোটগ্রহণ শুরু হয়। বিরতিহীনভাবে চলবে বিকাল চারটা পর্যন্ত।

নির্বাচনে উপজেলা চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান এই তিনটি পদে দলীয় প্রতীকে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও আওয়ামী লীগ ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদ দুটিতে দলীয় মনোনয়ন না দিয়ে উন্মুক্ত রেখেছে।

নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, তৃতীয় পর্যায়ে সাত বিভাগের ২৫ জেলার ১১৭টি উপজেলায় এক হাজার ৩৭৬ জন প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। এর মধ্যে চেয়ারম্যান পদে ৩৫৮ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৬০৪ জন এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪১৪ জন।
অন্যদিকে, এসব উপজেলায় মোট ভোটার দুই কোটি ৪৭ লাখ ৫৩ হাজার ১৪৮ জন। কেন্দ্র সংখ্যা ১০ হাজার ১৮টি। তৃতীয় পর্যায়ের নির্বাচনে কয়েকটি উপজেলায় ইভিএম ব্যবহার করছে নির্বাচন কমিশন।
উপজেলা নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে করতে নির্বাচনের আগের দুই দিন, নির্বাচনের দিন এবং নির্বাচনের পরের দুই দিনসহ মোট পাঁচ দিন নির্বাচনী এলাকায় অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন থাকছে। নির্বাচনের দিন প্রতিটি সাধারণ কেন্দ্রে ১৪ জন এবং ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে ১৬ জন করে আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্য মোতায়েন রয়েছে। নির্বাচন উপলক্ষে সংশ্লিষ্ট এলাকায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
ইসির সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, তৃতীয় ধাপে ১২৭টি উপজেলার তফসিল ঘোষণা করা হলে এর মধ্যে ছয়টি উপজেলার সবপদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ায় সেখানে ভোট হবে না। এছাড়া, এই পর্যায় থেকে কক্সবাজার সদর ও নরসিংদী সদরের ভোট চতুর্থ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং উচ্চ আদালতের নির্দেশনায় কক্সবাজারের কুতুবদিয়া ও চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার ভোট স্থগিত রয়েছে।

এবারের উপজেলা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে পাঁচটি ধাপে। গত সংসদ নির্বাচনে নজিরবিহীন কারচুপির অভিযোগ এনে উপজেলা নির্বাচন বর্জন করেছে বিএনপিসহ বিরোধী দলগুলো। ফলে উপজেলা নির্বাচন অনেকটা আমেজহীন ও নিরুত্তাপ হয়ে যায়। প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় উল্লেখযোগ্যসংখ্যক প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হয়েছেন। তবে ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের অনেকে স্বতন্ত্র হিসেবে বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় নির্বাচনে কিছুটা প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে। যদিও গত দুই পর্বে আশানুরূপ ভোটার উপস্থিতি ছিল না।

 

উপরে