শুক্রবার, ২৩ আগস্ট, ২০১৯ | ৮ই ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

Logo
Print

নুসরাত হত্যাকান্ডঃ আওয়ামী লীগ নেতা রুহুল আমিনসহ তিনজনকে আদালতে উপস্থাপন

প্রকাশের সময়: ৩:৪৭ অপরাহ্ণ - রবিবার | এপ্রিল ২১, ২০১৯

কারেন্টনিউজ ডটকম ডটবিডি

শেখ আশিকুন্নবী সজীব,ফেনী প্রতিনিধি : ফেনীর সোনাগাজীতে মাদ্রাসা ছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত্যার ঘটনায় সন্দেহভাজন আসামী হিসেবে সোনাগাজী উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সোনাগাজী সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসার সহ-সভাপতি রুহুল আমিন, অপর আসামী কামরুন নাহার মনি ও এজাহারভুক্ত আসামী মো. জাবেদ হোসেনকে শনিবার (২০ এপ্রিল) বিকেলে ফেনীর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সরাফ উদ্দিনের আদালতে উপস্থাপন করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

এর আগে রুহুল আমিনকে গত শুক্রবার সোনাগাজীর তাকিয়া রোড থেকে আটক করা হয়। অপর আসামী কামরুন নাহার মনিকে ১৫ এপ্রিল সোনাগাজী থেকে এবং আসামী জাবেদকে ১৩ এপ্রিল চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। ১৭ এপ্রিল একই আদালতে তাদের ৭ দিনের রিমান্ড দেয়া হয়।

পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) এর পরিদর্শক শাহ আলম জানান, জাবেদ এবং কামরুন নাহার মনি আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিবেন বলে কথা রয়েছে। এছাড়াও আদালতে আওয়ামী লীগ নেতা রুহুল আমিনের রিমান্ড চাওয়া হবে।

এ হত্যাকান্ডে গ্রেপ্তার হওয়া এজাহারভুক্ত আসামী নুর উদ্দিন ও শাহাদাত হোসেন শামীম আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দীতে জাবেদ ও কামরুন নাহার মনির নাম উল্লেখ করেন। তারা জানায় জাবেদ ও মনি সরাসরি কিলিং মিশনে অংশগ্রহন করে। জাবেদ নুসরাতের গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন দেয়। মনি বোরকা সংগ্রহ এবং নুসরাতের হাত পা চেপে ধরে আগুন লাগিয়ে দেয়।

অপরদিকে এ দু’জনের জবানবন্দিতে উঠে আসে রুহুল আমিন হত্যাকান্ডের ব্যাপারে জানতেন। কিলিং অপারেশনের পর কিলাররা রুহুল আমিনকে ফোন করে, তখন রুহুল আমিন বলে- আমি জানি, তোমরা চলে যাও।

ওই ঘটনায় এ যাবত ৮ জনকে গ্রেপ্তারসহ মোট ১৯ জনকে আটক করা হয়েছে। স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন ৪ জন। ১৩ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে রিমান্ড দেওয়া হয়েছে। সর্বশেষ সোনাগাজী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক মাদ্রাসা কমিটির সহ-সভাপতি রুহুল আমিনকেও আটক করেছে পিবিআই। গত শুক্রবার সোনাগাজী ইসলামীয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসা ১৩ সদস্য বিশিষ্ট পরিচালনা কমিটি বাতিল (বিলুপ্ত) ঘোষণা করেছেন ইসলামী আরবী বিশ্ববিদ্যালয় ঢাকা।

উপরে