শুক্রবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০১৯ | ২৯শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

Logo
Print

রেলেওয়ে নিয়োগ দেবে ৯৪৫ কর্মী

প্রকাশের সময়: ৩:৫৭ অপরাহ্ণ - বুধবার | আগস্ট ৭, ২০১৯

ফাইল ছবি

কারেন্টনিউজ ডটকম ডটবিডি

সরকারি চাকরি প্রত্যাশীদের জন্য সুসংবাদ। জনবল নিয়োগ দেবে বাংলাদেশ রেলওয়ে (চট্টগ্রাম অঞ্চল)। প্রতিষ্ঠানটি ৬ ধরণের পদে মোট ৯৪৫ জনকে নিয়োগ দেবে। এ লক্ষ্যে আবেদন চেয়ে সম্প্রতি জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়েছে। আগ্রহ ও যোগ্যতা থাকলে আপনিও আবেদন করতে পারেন।

রেলে ট্রেড অ্যাপ্রেন্টিস নেয়া হবে ৬৭৭ জন, আয়া ১১ জন, নিরাপত্তা প্রহরী ৩৮ জন, পরিচ্ছন্নতাকর্মী ২১৫ জন, ওয়েটিং রুম আয়া ২ জন, ল্যাম্পম্যান ২ জনকে নিয়োগ দেয়া হবে।

আবেদনের যোগ্যতা

বয়স

ট্রেড অ্যাপ্রেন্টিস পদে আবেদনের জন্য ৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ তারিখে প্রার্থীদের বয়স হতে হবে ১৬-২০ বছরের মধ্যে। অন্যপদগুলোতে আবেদনের জন্য বয়স ৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ অনুসারে ১৮ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে হতে হবে। তবে মুক্তিযোদ্ধা কোটা, এতিম ও শারীরিক প্রতিবন্ধীদের ক্ষেত্রে বয়স ৩২ বছর পর্যন্ত শিথিলযোগ্য।

যেভাবে আবেদন

আবেদন ফরম, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার প্রবেশপত্র বাংলাদেশ রেলওয়ের .ওয়েবসাইটে (www.railway.gov.bd) পাওয়া যাবে।

ওয়েবসাইট থেকে আবেদন ফরম ও প্রবেশপত্র ডাউনলোড করে এ-ফোর সাইজের কাগজে প্রিন্ট করে নিতে হবে। সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজের তিন কপি ছবি আবেদনপত্র ও প্রবেশপত্রের নির্ধারিত স্থানে পেস্ট করতে হবে। ট্রেড অ্যাপ্রেন্টিস পদের পরীক্ষার ফি বাবদ ১০০ টাকা এবং অন্যান্য পদের জন্য ৫০ টাকা ‘কোড নম্বর ১-৫১৩১-০০০০-২০৩১’ ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে জমা দিয়ে মূল কপি আবেদনপত্রের সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে। সরকারি সংস্থা/আধা সরকারি সংস্থায় কর্মরতদের নিজ নিজ দপ্তরের মাধ্যমে আবেদন পাঠাতে হবে। সঙ্গে পাঁচ টাকার ডাকটিকিটসহ আবেদনকারীর ঠিকানা লেখা দুটি খাম আবেদনের সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে।

আবেদনপত্র পাঠানোর ঠিকানা

সব পদের আবেদনপত্র আগামী ৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ তারিখ পর্যন্ত বিকেল ৫টার মধ্যে ‘চিফ পার্সোনেল অফিসার/পূর্ব বাংলাদেশ রেলওয়ে, সিআরবি, চট্টগ্রাম ঠিকানায় সরাসরি বা ডাকযোগে পৌঁছাতে হবে। আবেদন খামের বাঁ দিকের ওপরের অংশে পদের নাম ও প্রার্থীর নিজ জেলার নাম স্পষ্ট করে উল্লেখ করতে হবে।

আবেদনের শেষ সময়

৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ সাল পর্যন্ত আবেদন করা যাবে।

পরীক্ষা পদ্ধতি

ট্রেড অ্যাপ্রেন্টিস পদে লিখিত ও মৌখিক এবং অন্যান্য পদে শুধু মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে যোগ্য প্রার্থী বাছাই করা হবে। আবেদন যাচাই-বাছাইয়ের পর যোগ্যদের ঠিকানায় লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার জন্য প্রবেশপত্র পাঠানো হবে। ট্রেড অ্যাপ্রেন্টিস পদের পরীক্ষায় মোট ১০০ নম্বর থাকবে। এর মধ্যে ৭০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা ও ৩০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হবে। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার জন্য প্রার্থীকে ন্যূনতম ৫০ নম্বর পেতে হবে। আয়া, নিরাপত্তা প্রহরী, পরিচ্ছন্নতাকর্মী, ওয়েটিং রুম আয়া ও ল্যাম্পম্যান পদের পরীক্ষার বিষয়ে তিনি জানান, এসব পদে শুধু ৫০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমেই যোগ্য প্রার্থী বাছাই করা হবে। মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার জন্য একজন প্রার্থীকে মোট নম্বরের ন্যূনতম ৫০ শতাংশ নম্বর পেতে হবে।

মৌখিক পরীক্ষার সময় শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ, জাতীয় পরিচয়পত্র, চারিত্রিক সনদ, মুক্তিযোদ্ধাদের মুক্তিযোদ্ধাসংশ্লিষ্ট সনদ, পোষ্য কোটা সনদসহ অন্যান্য ক্ষেত্রে প্রযোজ্য সব সনদের মূল কপি সঙ্গে রাখতে হবে। প্রার্থী বাছাইয়ে সরাসরি নিয়োগের বিদ্যমান নীতিমালা ও সরকার নির্দেশিত কোটা অনুসারে প্রার্থী নির্বাচন ও নিয়োগ দেওয়া হবে।

বেতন-ভাতা

উত্তীর্ণ প্রার্থীর পুলিশ ভেরিফিকেশনের পর রাজস্ব খাতে নিয়োগ পাবেন। ট্রেড অ্যাপ্রেন্টিস পদে নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মীকে বাংলাদেশ রেলওয়ে মেকানিক্যাল কোড অনুসারে চার বছর প্রশিক্ষণ নিতে হবে। প্রশিক্ষণ চলাকালে একজন ট্রেড অ্যাপ্রেন্টিস জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫ অনুসারে ৮২৫০-২০০১০ টাকা মাসিক বেতন দেওয়া হবে। প্রশিক্ষণ শেষে চূড়ান্ত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে স্কিল্ড গ্রেড-২ অনুসারে ৯৭০০-২৩৪৯০ টাকা বেতন স্কেলপ্রাপ্ত হবেন। আয়া, নিরাপত্তা প্রহরী, পরিচ্ছন্নতাকর্মী, ওয়েটিং রুম আয়া এবং ল্যাম্পম্যান পদে নিয়োগপ্রাপ্তরা ৮২৫০-২০০১০ টাকা মাসিক বেতন এবং বাংলাদেশ রেলওয়ের প্রদেয় অন্য সরকারি সুযোগ-সুবিধা পাবেন।

উপরে