শনিবার, ০৭ ডিসেম্বর, ২০১৯ | ২৩শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

Logo
Print

ঈদুল আযহার দ্বিতীয় দিনেও চলছে পশু কোরবানি

প্রকাশের সময়: ৯:৫৩ পূর্বাহ্ণ - মঙ্গলবার | আগস্ট ১৩, ২০১৯

ফাইল ছবি

currentnews

ঈদের দ্বিতীয় দিনেও রাজধানীজুড়ে চলছে পশু কোরবানি। কুরবানি বিধান অনুযায়ী, তিন দিন পর্যন্ত পশু কোরবানি দেয়া যায়। সেই অনুযায়ী ঈদের দিন, দ্বিতীয় এবং তৃতীয় দিনেও পশু কুরবানি করে থাকেন মুসলমানরা।

মঙ্গলবার সকাল থেকেই রাজধানীর অনেক এলাকায় কোরবানি করতে দেখা যায় অনেককে। রাজধানীর চকবাজার, বাবুবাজার, বকশীবাজার, নাজিরাবাজার, ওয়ারি, টিকাটুলি এলাকায় প্রচুর পশু কোরবানি করতে দেখা গেছে। সিটি করপোরেশনের নির্ধারিত স্থানে কুরবানি না করে বাড়ির আঙ্গিনা, রাস্তায় এবং বাড়ির গ্যারেজগুলোতে কোরবানি করতে দেখা গেছে।

দ্বিতীয় দিন যারা কুরবানি করছেন তাদের বেশ কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, পারিবারিক প্রথাগতভাবে দ্বিতীয় দিন কোরবানি করছেন। আবার কেউ কসাই সংকট ও বিভিন্ন ঝক্কি ঝামেলার কারণে কুরবানি জন্য দ্বিতীয় দিনকে বেছে নিয়েছেন।

টিকাটুলি এলাকার আব্দুল্লাহ বিন রহমান জানান, দীর্ঘ দিন ধরে আমরা ঈদের দ্বিতীয় দিন কুরবানি করি। বলতে পারেন এটা আমাদের রেওয়াজে পরিণত হয়েছে। ঈদের দিন অনেক ঝামেলা থাকে, লোক পাওয়া যায় না। দ্বিতীয় দিন কুরবানি করা অনেক সহজ।

পুরান ঢাকায় কুরবানি করছেন মোস্তাক আহমেদ। তিনি বলেন, এটা আমাদের বংশের রীতিতে পরিণত হয়েছে। বাপ-দাদারাও ঈদের পরের দিন কোরবানি দিতেন। আমরাও সেই রেওয়াজ মেনে চলি। ঈদের দিনে বাড়ির সবাই বন্ধু-বান্ধবদের সঙ্গে কাটান। ঈদের দ্বিতীয় দিন সবাই এক হয়ে কুরবানি দেয়।

ঈদের দ্বিতীয় দিন কোরবানি দেয়া মালিবাগ আবুল হোটেল এলাকার বাসিন্দা নাজিম আবরার বলেন, ‘আমার প্রায় ৩ মণ ওজনের গরু ঈদের দিন সকালে কেটে দেয়ার জন্য ৮ হাজার টাকা চেয়েছে কসাই। কেউ ৭ হাজার বলেছে। তাই আমি এত টাকা খরচ না করে আজ কোরবানির সিদ্ধান্ত নেই।’

এদিকে আজ যারা পশু কোরবানি দিচ্ছেন তাদের বর্জ্য অপসারণে সকাল থেকেই কাজ শুরু করেছে সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা। তবে অনেক বাসিন্দাকেই নিজ দায়িত্বে বর্জ্য অপসারণ করতে দেখা গেছে। আর কোথাও আংশিক বর্জ্য থাকলে তা সিটি কর্পোরেশন থেকে অপসারণ করা হচ্ছে। তবে গতকালের মতো আজও সিটি কর্পোরেশনের পশু কোরবানির নির্ধারিত স্থানে কোনো পশু কোরবানির চিত্র দেখা যায়নি।

উপরে