শুক্রবার, ১৮ অক্টোবর, ২০১৯ | ৩রা কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

Logo
Print

মৌলভীবাজার কোরবানির পশুর চামড়া নদীতে ফেলে প্রতিবাদ

প্রকাশের সময়: ৪:১২ অপরাহ্ণ - বুধবার | আগস্ট ১৪, ২০১৯

currentnews

এ.এস.কাঁকন, মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি : প্রতিবারের মতো এবার পবিএ ঈদুল আজহায় মৌলভীবাজার জেলার বিভিন্ন বাসা-বাড়ী থেকে কোরবানির পশুর চামড়া সংগ্রহ করেছিল কয়েকটি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা। এ চামড়া বিক্রি করে যে টাকা আয় হতো তা দিয়ে মাদ্রাসার কিছুটা খরচ চলত। কিন্তু অন্যান্য বারের মতো এবারো চামড়াগুলো সংগ্রহ করলেও চামড়ার ন্যায্য দাম না পাওয়ায় সেগুলো মৌলভীবাজারের মনু নদীতে ফেলে প্রতিবাদ জানান মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ। ঈদের দিন সারাদিনে সংগ্রহ করা পশুর চামড়া নিয়ে বিক্রি করতে পৌর বাস টার্মিনালে গিয়েছিলেন মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ। কিন্তু সেখানে ক্রেতারা মাত্র ১৫-২০ টাকা দাম করছিলেন প্রতিপিস চামড়ার। একপর্যায়ে মাদ্রাসার পক্ষ থেকে ব্যবসায়ী ক্রেতাদের ন্যায্য দাম দেয়ার দাবি জানিয়ে বলা হয় প্রয়োজনে বাকিতে চামড়াগুলো কিনে নিতে। ছয়মাস পরে টাকা দিলেও হবে। কিন্তু ব্যবসায়ীক্রেতারা সেটিও মানেন নি, উল্টো আগের বছরের চামড়ার টাকা এখনও পাননি বলে অভিযোগ করেন এবং চামড়ার ব্যবসা খুবই মন্দা বলে জানান। তাই চামড়া ব্যবসায়ীদের গঠিত এ সিন্ডিকেটের প্রতিবাদ জানিয়ে ঈদের পড়ের দিন পশুর চামড়া নদীতে ফেলে দেন মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ। এবং নিজেদের পকেট থেকে ১০০ টাকা করে প্রতিপিস চামড়ার দাম মাদ্রাসায় দেয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
এদিকে মৌলভীবাজার সদরে এবার কোরবানির পশুর চামড়া কেনার কোন লোক মেলেনি। ফলে সারাদিন অপেক্ষার পড় অনেকে বাধ্য হয়েই পৌর বাস টার্মিনালে চামড়া ফেলে চলে যান। মৌলভীবাজার পৌর বাস টার্মিনালে ঈদের দিন দুপুর থেকে কোরবানির চামড়া নিয়ে আসেন অনেকে। সারাদিন অপেক্ষা করে কোন ক্রেতা না পাওয়াতে চামড়া বাস টার্মিনালে ফেলে চলে যান। ঈদের পরেদিন চামড়ায় পচন ধরা শুরু করলে পৌর মেয়র মো: ফজলুর রহমান পরিচ্ছন্নতা কর্মী দিয়ে চামড়া মাটিতে গর্ত করে পুঁতে ফেলেছেন। এসময় তিনি বলেন, পৌর বাস টার্মিনালে সারাদিনেও কোন ক্রেতা বিক্রেতা না পাওয়াতে অনেকে বাধ্য হয়ে কয়েক শত গরু ও খাসির চামড়া এখানে ফেলে গেছেন, চামড়ায় পচন ধরে আশপাশে দূর্গন্ধ ছড়াচ্ছে, তাই চামড়া মাটিতে পুঁতে ফেলা হয়েছে।

উপরে