বুধবার, ২০ নভেম্বর, ২০১৯ | ৬ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

Logo
Print

রাজধানীর পোস্তায় প্লাস্টিক কারখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে

প্রকাশের সময়: ১১:৪৭ অপরাহ্ণ - বুধবার | আগস্ট ১৪, ২০১৯
ছবি- ইন্টারনেট

currentnews

রাজধানীর পোস্তায় একটি ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।  অগ্নিদগ্ধ ভবনটিতে অবস্থিত একটি প্লাস্টিক বা পলিথিন কারখানা থেকে এ আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করছেন স্থানীয়রা। বুধবার রাত পৌনে ১১টার দিকে এ আগুন লাগার ঘটনা ঘটে।

খবর পেয়ে দমকল বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ১৫টি ইউনিট সেখানে কাজ করে। প্রায় দুই ঘণ্টা নিরলস পরিশ্রম করে তাঁরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন।

ফায়ার সার্ভিসের কন্ট্রোল রুম সূত্র জানিয়েছে, লালবাগের পোস্তা ওয়াটার ওয়ার্ক্স রোড এলাকায় ওই পলিথিন কারখানাটি অবস্থিত। আগুন লাগার কারণ এখনও জানতে পারেননি তারা। এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন উদ্ধারকর্মীরা।

ফায়ার সার্ভিস নিয়ন্ত্রণকক্ষের কর্তব্যরত কর্মকর্তা এরশাদ জানান, পোস্তায় রাত পৌনে ১১টার দিকে একটি ভবনে অবস্থিত একটি জুতোর কারখানা, একটি পলিথিন কারখানা ও একটি আবাসিক বাড়িতে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ১৫টি ইউনিট সেখানে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে। প্রায় দুই ঘণ্টা কাজ করে আগুন অনেকটা কমিয়ে আনতে সক্ষম হয়।

ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এখনও কাজ করে যাচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, ওই পলিথিন কারখানার পাশেই দুটি বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার রয়েছে। আগুন যাতে সেগুলোর দিকে এগিয়ে যেতে না পারে সে লক্ষে সতর্ক রয়েছেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা।

আগুনের সূত্রপাত বিষয় এখন পর্যন্ত সঠিক কিছু না বলতে পারলেও ট্রান্সফরমার থেকেই আগুন লেগেছে বলে দাবি করছেন স্থানীয়দের কেউ কেউ। তবে যেখান থেকেই আগুন লাগুক, জুতা ও পলিথিন কারখানায় দাহ্য পদার্থের কারণে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে বলে জানিয়েছেন উদ্ধার কাজে নিয়োজিত ফায়ার সার্ভিসের ডিউটি অফিসার রাসেল শিকদার।

হতাহতের বিষয়ে রাসেল শিকদার বলেন, সম্ভবত ঈদের ছুটি থাকায় ওই ভবনে কেউ অবস্থান করছিল না। তাই এ অগ্নিকাণ্ডে এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর আমরা পাইনি।

এদিকে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আগুন প্রথমে প্লাস্টিক কারখানায় দেখেছিলেন তারা। পরে ধীরে ধীরে অন্য কারখানায় ছড়িয়ে পড়ে।

ফায়ার সার্ভিসকর্মীদের প্রশংসা করে তারা জানান, ঘটনাস্থলে যাওয়ার পথটি সরু হওয়ার কারণে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা সহজে ভেতরে ঢুকতে পারছিলেন না। তবুও তারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করেছেন। তারা আগুনের লেলিহান শিখার যতটা সম্ভব কাছাকাছি গিয়ে পাইপ টেনে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেছেন।

উপরে