রবিবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ | ৩১শে ভাদ্র, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

Logo
Print

রাজশাহীর শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ীর লাশ মিললো ভারতে

প্রকাশের সময়: ৭:১৫ অপরাহ্ণ - মঙ্গলবার | সেপ্টেম্বর ১০, ২০১৯

currentnews

আন্তর্জাতিক চোরাচালান সিন্ডিকেটের সদস্য ও রাজশাহীর বাঘা সীমান্ত এলাকার শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী কালাম মোল্লার লাশ পাওয়া গেছে ভারতের গঙ্গা নদীতে। নিখোঁজ হওয়ার তিনদিন পর মঙ্গলবার সকালে জলঙ্গী থানা এলাকার টুলটুলি পাড়া গঙ্গা নদী থেকে ভাসমান অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করেন স্বজনরা।

স্থানীয়রা জানান, বাঘা সীমান্ত এলাকার হেলালপুর গ্রামের আকছেদ মোল্লার ছেলে কালাম মোল্লা। তারা ছয় ভাই। এর মধ্যে কালাম মোল্লা সবচেয়ে বেশি সম্পদের মালিক হয়েছেন চোরাচালানের সঙ্গে জড়িয়ে। তার নামে বাঘা, চারঘাট, ঈশ্বরদী, লালপুর, সিরাজগঞ্জ ও ঢাকার টঙ্গি থানায় আছে ২০টির বেশি মামলা। পুলিশের তালিকায় রাজশাহীর শীর্ষ মাদক চোলাচালানি ছিলেন কালাম মোল্লা।

বাঘা থানা পুলিশের একটি সূত্র জানান, গত বছরের মে মাসে চট্টগ্রাম থেকে রাজশাহী ফেরার পথে ১ লাখ ৮ হাজার ইয়াবাসহ রাজশাহীর মাদক ব্যবসায়ী আসলাম ও চারঘাটের মাসুদকে গ্রেফতারের পর ওই মাদকের মালিক হিসাবে চিহ্নিত কালাম মোল্লাকে খুঁজতে থাকে পুলিশ। এরপর থেকেই সে ভারতে আত্মগোপনে চলে যায়। দেশজুড়ে মাদক বিরোধী অভিযান শুরু হলে তার দেখা মেলেনি। তবে ভারতে অবস্থান করে এদেশে যোগাযোগ রেখে মাদকের চোরাচালান চালিয়ে আসছিলেন।

গত শনিবার দুপুরে ভারতের জলঙ্গী এলাকার ঘর তলা বিএসএফ ক্যাম্পের পাশ দিয়ে কপুরা নদীপথে ওই দেশের এক স্থান থেকে আরেক স্থানে রওনা হন কালাম মোল্লা ও তার বন্ধু ভারতীয় নাগরিক চাঁন মিয়া। এ সময় বিএসএফ তাদের আটক করার চেষ্টা করলে কালাম মোল্লা ও চাঁন মিয়া নদীতে ঝাঁপ দেন। চাঁন সাঁতরে উপরে উঠে এলেও কালাম মোল্লাকে গত দুইদিন থেকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।

কালাম মোল্লার ভাই রুস্তম মোল্লা জানান, সোমবার রাতে ভারতের আত্মীয় মারফত খবর পেয়ে মঙ্গলবার ভোরে লাশ আনতে পাঠানো হয়। এরপর সকালে সেখান থেকে নিজ বাড়িতে তার ভাই কালাম মোল্লার লাশ নিয়ে বাড়ি ফেরেন তার চাচা নজরুল ইসলাম, নিকটাত্মীয় মুকুল হোসেন, আরশাদ আলী ও দুলাল হোসেন।

বাঘা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম জানান, কালাম মোল্লার নামে ২০টি মামলা ছিল। তিনি বলেন, ‘আমরা কালাম মোল্লার লাশ দেখে কনফার্ম হতে পারিনি। এ কারণে তার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠাচ্ছি। এই লাশের সঙ্গে তার সন্তান অথবা ভাইকে পাঠানো হবে। যাতে করে ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে তাকে সঠিক ভাবে শনাক্ত করা যায়।’

সূত্র- বিডি প্রতিদিন

উপরে