শুক্রবার, ১৫ নভেম্বর, ২০১৯ | ১লা অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

Logo
Print

ফের জাবি ভিসির বাসভবন ঘেরাওয়ের ঘোষণা

প্রকাশের সময়: ৪:৫৬ অপরাহ্ণ - বুধবার | নভেম্বর ৬, ২০১৯

ফাইল ছবি

currentnews

ডেস্ক রিপোর্ট : জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) উপাচার্য ফারজানা ইসলামের বাসভবন আবারও ঘেরাও করার ঘোষণা দিয়েছেন আন্দোলনকারী শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। বুধবার পূর্ব ঘোষিত সংহতি সমাবেশ শেষে অন্দোলনের মুখপাত্র অধ্যাপক রাইয়ান রাইন এ ঘোষণা দেন।

তিনি বলেন, গতকাল দুপুরে শিক্ষক শিক্ষার্থীদের ওপর যে হামলা চালানো হয়েছে এবং চলমান আন্দোলন দমাতে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ও হল খালির ঘোষণাকে আমরা প্রত্যাখ্যান করছি। একই সঙ্গে আবারও বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে উপাচার্যের বাসভবন ঘেরাও করব।

অন্যদিকে বুধবার বেলা সাড়ে ৩টার মধ্যে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) সকল আবাসিক হল খালি করার নির্দেশ দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তবে সব ধরনের চাপ উপেক্ষা করে আন্দোলনের মাঠে থাকার ঘোষণা দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।

হল খালি করার বিষয়ে অধ্যাপক বশির আহমেদ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে সকল দোকান বন্ধ থাকবে। এছাড়া সাড়ে ৩টার মধ্যে হল সকল খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এরপরও হলে অবস্থান করলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে যেকোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

প্রসঙ্গত, উপাচার্য ফারজানার পদত্যাগ দাবিতে এক সপ্তাহ ক্যাম্পাস অচল করে রাখার পর ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর’ ব্যানারে আন্দোলনে নামা শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা সোমবার রাতে ক্যাম্পাসে উপাচার্যের বাড়ি ঘেরাও করে।

মঙ্গলবার সকালে উপাচার্য সমর্থক শিক্ষকরা গিয়ে অধ্যাপক ফারজানার বাড়িতে ঢুকতে চাইলে আন্দোলনকারীদের বাধার মুখে পড়ে। তাদের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের ধাক্কাধাক্কিও হয়।

এরপর দুপুরে ছাত্রলীগের একদল নেতা-কর্মী গিয়ে চড়াও হয় আন্দোলনকারীদের উপর। তাদের হামলায় আট শিক্ষকসহ অন্তত ২৫ জন আহত হন। হামলার সময় তাদের সমর্থন দিতে দেখা যায় উপাচার্য সমর্থক শিক্ষকদের।

মারধরের ঘটনার আধা ঘণ্টা পরে উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা বাসা থেকে বেরিয়ে তার সমর্থক শিক্ষকদের সঙ্গে নিয়ে নিজের কার্যালয়ে যান।

সেখানে তিনি সাংবাদিকদের সামনে সহকর্মী ও ছাত্রলীগকর্মীদের ‘গণঅভ্যুত্থানের’ জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘আমার সহকর্মী ও ছাত্রলীগকর্মীদের এ গণঅভ্যূত্থানের জন্য ধন্যবাদ। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন খুলে দেওয়া হয়েছে। এখন থেকে বিশ্ববিদ্যালয় তার স্বাভাবিক গতিতে চলবে।’

এদিকে আন্দোলনকারীদের পেছনে জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের ছাত্র সংগঠন ইসলামী ছাত্র শিবিরের মদদ আছে বলে অভিযোগ করা হচ্ছে।

উপরে